সংবাদ

মোদির বাসভবনের সামনে রাহুল-প্রিয়াঙ্কার মিছিল


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২১ জুলাই ২০২৬, ০৭:০৩ পিএম

মোদির বাসভবনের সামনে রাহুল-প্রিয়াঙ্কার মিছিল
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেসের মিছিল। ছবি : সংবাদ

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে জাতীয় সংসদ অভিমুখে লংমার্চের পর রাজনৈতিক উত্তেজনা নতুন রূপ নিয়েছে। বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি অ্যাকশনের প্রতিবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেলে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেসহ হাজার হাজার নেতাকর্মী নয়াদিল্লির রাজপথে নেমে এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) রাহুল গান্ধী বলেন, ‘গতকাল তরুণ শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশ যে নৃশংসতা চালিয়েছে, তার জবাব চাইতে আমরা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন পর্যন্ত গণমিছিল করেছি।’

তিনি আরও বলেন, সরকার কোনো দায় নিতে চায় না এবং সংসদে এ নিয়ে কোনো গঠনমূলক বিতর্কেও রাজি নয়। কোটি কোটি যুবকের ভবিষ্যৎ নষ্ট করার দায়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত।

শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা করে কংগ্রেস নেতাকর্মীরা মোদিবিরোধী নানা স্লোগান দেন। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের মতো অত্যন্ত সুরক্ষিত এলাকায় রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর এই সরাসরি বিক্ষোভ ভারতের রাজনীতিতে বড় ধরনের আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

জানা যায়, এদিন বিকেলে রাজাজি মার্গে মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবনের সামনে কংগ্রেসের জ্যেষ্ঠ নেতারা জড়ো হন। সেখান থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কার নেতৃত্বে বিশাল মিছিলটি প্রায় এক কিলোমিটার দূরে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ‘৭ লোক কল্যাণ মার্গ’-এর দিকে এগিয়ে যায়।

এর আগে সোমবার নিটসহ (NEET) বিভিন্ন সরকারি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবিতে সংসদ অভিমুখে পদযাত্রার ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।

অভিযোগ ওঠে, সেই পদযাত্রায় পুলিশ ও র‍্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (আরএএফ) শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। এতে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হন।

তবে দিল্লি পুলিশ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, বিক্ষোভকারীরাই সহিংস আচরণ করেছে এবং পুলিশের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপসহ গাড়ি ভাঙচুর করেছে। সংঘর্ষে অন্তত ১১৮ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।

সূত্র : রয়টার্স ও এনডিটিভি।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬


মোদির বাসভবনের সামনে রাহুল-প্রিয়াঙ্কার মিছিল

প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬

featured Image

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে জাতীয় সংসদ অভিমুখে লংমার্চের পর রাজনৈতিক উত্তেজনা নতুন রূপ নিয়েছে। বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি অ্যাকশনের প্রতিবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেলে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেসহ হাজার হাজার নেতাকর্মী নয়াদিল্লির রাজপথে নেমে এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) রাহুল গান্ধী বলেন, ‘গতকাল তরুণ শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশ যে নৃশংসতা চালিয়েছে, তার জবাব চাইতে আমরা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন পর্যন্ত গণমিছিল করেছি।’

তিনি আরও বলেন, সরকার কোনো দায় নিতে চায় না এবং সংসদে এ নিয়ে কোনো গঠনমূলক বিতর্কেও রাজি নয়। কোটি কোটি যুবকের ভবিষ্যৎ নষ্ট করার দায়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত।

শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা করে কংগ্রেস নেতাকর্মীরা মোদিবিরোধী নানা স্লোগান দেন। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের মতো অত্যন্ত সুরক্ষিত এলাকায় রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর এই সরাসরি বিক্ষোভ ভারতের রাজনীতিতে বড় ধরনের আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

জানা যায়, এদিন বিকেলে রাজাজি মার্গে মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবনের সামনে কংগ্রেসের জ্যেষ্ঠ নেতারা জড়ো হন। সেখান থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কার নেতৃত্বে বিশাল মিছিলটি প্রায় এক কিলোমিটার দূরে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ‘৭ লোক কল্যাণ মার্গ’-এর দিকে এগিয়ে যায়।

এর আগে সোমবার নিটসহ (NEET) বিভিন্ন সরকারি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবিতে সংসদ অভিমুখে পদযাত্রার ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।

অভিযোগ ওঠে, সেই পদযাত্রায় পুলিশ ও র‍্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (আরএএফ) শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। এতে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হন।

তবে দিল্লি পুলিশ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, বিক্ষোভকারীরাই সহিংস আচরণ করেছে এবং পুলিশের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপসহ গাড়ি ভাঙচুর করেছে। সংঘর্ষে অন্তত ১১৮ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।

সূত্র : রয়টার্স ও এনডিটিভি।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত