চাঁদপুরের মতলব উত্তরে ৭ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের দায়ে মো. অরুণ ভূঁইয়া (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে চাঁদপুরের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. রেজাউল করিম এই রায় ঘোষণা করেন।
কারাদণ্ডপ্রাপ্ত অরুণ ভূঁইয়া উপজেলার গজরা এলাকার বাসিন্দা। কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০২১ সালের ৯ জুলাই সকালে শিশুটি তার ভাইয়ের সঙ্গে বাড়ির পাশে একটি জমিতে বীজ পাহারা দিতে যায়। একপর্যায়ে তার ভাই খাবার খেতে বাড়িতে গেলে একা পেয়ে অরুণ ভূঁইয়া শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। ওই সময় শিশুটির মা-বাবা চিকিৎসার প্রয়োজনে ঢাকায় ছিলেন। পরে বাড়িতে ফিরে ১৪ জুলাই শিশুটির বাবা মতলব উত্তর থানায় মামলা করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মোবারক আলী ১৫ জুলাই আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠান। একই বছরের ২০ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেন তিনি।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) শিরিন সুলতানা মুক্তা বলেন, মামলার বিচার চলাকালে ৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও আসামির স্বীকারোক্তি পর্যালোচনা করে আদালত এই রায় দিয়েছেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
/

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
চাঁদপুরের মতলব উত্তরে ৭ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের দায়ে মো. অরুণ ভূঁইয়া (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে চাঁদপুরের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. রেজাউল করিম এই রায় ঘোষণা করেন।
কারাদণ্ডপ্রাপ্ত অরুণ ভূঁইয়া উপজেলার গজরা এলাকার বাসিন্দা। কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০২১ সালের ৯ জুলাই সকালে শিশুটি তার ভাইয়ের সঙ্গে বাড়ির পাশে একটি জমিতে বীজ পাহারা দিতে যায়। একপর্যায়ে তার ভাই খাবার খেতে বাড়িতে গেলে একা পেয়ে অরুণ ভূঁইয়া শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। ওই সময় শিশুটির মা-বাবা চিকিৎসার প্রয়োজনে ঢাকায় ছিলেন। পরে বাড়িতে ফিরে ১৪ জুলাই শিশুটির বাবা মতলব উত্তর থানায় মামলা করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মোবারক আলী ১৫ জুলাই আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠান। একই বছরের ২০ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেন তিনি।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) শিরিন সুলতানা মুক্তা বলেন, মামলার বিচার চলাকালে ৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও আসামির স্বীকারোক্তি পর্যালোচনা করে আদালত এই রায় দিয়েছেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
/

আপনার মতামত লিখুন