অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার দীর্ঘ প্রায় ২ সপ্তাহ পর সচল হয়েছে মহেশখালীর এক্সিলারেট এনার্জির এলএনজি টার্মিনাল। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোররাত ৩টা ১০ মিনিট থেকে পুনরায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এর ফলে দেশজুড়ে চলমান তীব্র গ্যাস সংকট পরিস্থিতির উন্নতির আশা করছে কর্তৃপক্ষ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শুরুর দিকে ১১৫ মিলিয়ন ঘনফুট হারে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। এতে জাতীয় গ্রিডে মোট এলএনজি সরবরাহের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৬২ এমএমএসসিএফডি (মিলিয়ন ঘনফুট)। আশা করা হচ্ছে, আগামী ৪-৫ দিনের মধ্যে টার্মিনালটি পূর্ণ সক্ষমতায় ফিরবে, যা সারা দেশের সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
এদিকে চট্টগ্রাম অঞ্চলেও গ্যাসের চাপ বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (কেজিডিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. সালাহউদ্দিন জানান, বুধবার (৫ আগস্ট) রাতেই একটি বয়লার চালু হওয়ার কথা ছিল, যেখান থেকে ২০০-২৫০ এমএমএসসিএফটি গ্যাস মিলতে পারে। গত কয়েক দিনে চট্টগ্রামে দৈনিক গ্যাসের সরবরাহ নেমে এসেছিল ১৯৪ মিলিয়ন ঘনফুটে, যেখানে চাহিদা ছিল ৩৫০ মিলিয়ন ঘনফুট।
টার্মিনালটি বন্ধ থাকায় গত ২ সপ্তাহ ধরে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গৃহস্থালি গ্রাহকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। অনেক এলাকায় সারা দিন চুলা জ্বলেনি। ফলে অনেক পরিবারকে বিকল্প হিসেবে ইলেকট্রিক চুলা ব্যবহার করতে হয়েছে কিংবা হোটেল থেকে চড়া দামে খাবার কিনতে হয়েছে। শুধু বাসাবাড়ি নয়, গ্যাস সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় বেড়েছে লোডশেডিং। একই সঙ্গে শিল্পকারখানার উৎপাদন থমকে যায় এবং সিএনজি স্টেশনগুলোতে দেখা দেয় দীর্ঘ যানজট।
সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, টার্মিনালটি পুরোপুরি সচল হলে শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতের পাশাপাশি বাসাবাড়িতেও গ্যাসের স্বাভাবিক চাপ ফিরে আসবে।
'\

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার দীর্ঘ প্রায় ২ সপ্তাহ পর সচল হয়েছে মহেশখালীর এক্সিলারেট এনার্জির এলএনজি টার্মিনাল। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোররাত ৩টা ১০ মিনিট থেকে পুনরায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এর ফলে দেশজুড়ে চলমান তীব্র গ্যাস সংকট পরিস্থিতির উন্নতির আশা করছে কর্তৃপক্ষ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শুরুর দিকে ১১৫ মিলিয়ন ঘনফুট হারে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। এতে জাতীয় গ্রিডে মোট এলএনজি সরবরাহের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৬২ এমএমএসসিএফডি (মিলিয়ন ঘনফুট)। আশা করা হচ্ছে, আগামী ৪-৫ দিনের মধ্যে টার্মিনালটি পূর্ণ সক্ষমতায় ফিরবে, যা সারা দেশের সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
এদিকে চট্টগ্রাম অঞ্চলেও গ্যাসের চাপ বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (কেজিডিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. সালাহউদ্দিন জানান, বুধবার (৫ আগস্ট) রাতেই একটি বয়লার চালু হওয়ার কথা ছিল, যেখান থেকে ২০০-২৫০ এমএমএসসিএফটি গ্যাস মিলতে পারে। গত কয়েক দিনে চট্টগ্রামে দৈনিক গ্যাসের সরবরাহ নেমে এসেছিল ১৯৪ মিলিয়ন ঘনফুটে, যেখানে চাহিদা ছিল ৩৫০ মিলিয়ন ঘনফুট।
টার্মিনালটি বন্ধ থাকায় গত ২ সপ্তাহ ধরে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গৃহস্থালি গ্রাহকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। অনেক এলাকায় সারা দিন চুলা জ্বলেনি। ফলে অনেক পরিবারকে বিকল্প হিসেবে ইলেকট্রিক চুলা ব্যবহার করতে হয়েছে কিংবা হোটেল থেকে চড়া দামে খাবার কিনতে হয়েছে। শুধু বাসাবাড়ি নয়, গ্যাস সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় বেড়েছে লোডশেডিং। একই সঙ্গে শিল্পকারখানার উৎপাদন থমকে যায় এবং সিএনজি স্টেশনগুলোতে দেখা দেয় দীর্ঘ যানজট।
সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, টার্মিনালটি পুরোপুরি সচল হলে শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতের পাশাপাশি বাসাবাড়িতেও গ্যাসের স্বাভাবিক চাপ ফিরে আসবে।
'\

আপনার মতামত লিখুন