সংবাদ

ছাত্রীকে ম্যাসেঞ্জারে কু-প্রস্তাব, শিক্ষকের বিরুদ্ধে জিডি


প্রতিনিধি, নেছারাবাদ (পিরোজপুর)
প্রতিনিধি, নেছারাবাদ (পিরোজপুর)
প্রকাশ: ৭ আগস্ট ২০২৬, ০৯:২৬ পিএম

ছাত্রীকে ম্যাসেঞ্জারে কু-প্রস্তাব, শিক্ষকের বিরুদ্ধে জিডি
ইমরুল কায়েস রবিন

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় এক স্কুলছাত্রীকে ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারের মাধ্যমে আপত্তিকর বার্তা ও অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একটি বিদ্যালয়ের ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট (আইটি শিক্ষক) ইমরুল কায়েস রবিনের বিরুদ্ধে। অভিযোগটি সামনে আসার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা নেছারাবাদ থানায় একটি লিখিত অভিযো করেছেন।

অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, তার স্ত্রীর ফেসবুক আইডি মাঝে-মধ্যে তার স্কুলপড়ুয়া মেয়ে ব্যবহার করত। সেই আইডিতে অভিযুক্ত শিক্ষক নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে বিভিন্ন সময়ে অশালীন বার্তা ও কু-প্রস্তাব পাঠান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বিষয়টি প্রথমে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে জানানো হলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পরে বাধ্য হয়ে তিনি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত শিক্ষক ইমরুল কায়েস রবিন। তার দাবি, গত ২৯ জুলাই বন্ধু সিরাজুল ইসলাম রানার মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন তার ফেসবুক আইডি হ্যাক হয়েছে। পরে তিনি আইডির নিয়ন্ত্রণ ফিরে পান।

তবে ঠিক কবে আইডিটি হ্যাক হয়েছিল, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি। একই ঘটনায় ছাত্রীর স্বজন ও কয়েকজন যুবক তাকে বাড়িতে গিয়ে হুমকি দিয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

সুটিয়াকাঠি পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নুরুল ইসলাম মিন্টু বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর শিক্ষকদের নিয়ে বৈঠক করে অভিযুক্ত শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

প্রধান শিক্ষক বলেন, ‘অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে এমন ব্যক্তির শিক্ষকতা করার কোনো অধিকার নেই।’

নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদি হাসান জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অভিযোগ তদন্তে একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬


ছাত্রীকে ম্যাসেঞ্জারে কু-প্রস্তাব, শিক্ষকের বিরুদ্ধে জিডি

প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬

featured Image

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় এক স্কুলছাত্রীকে ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারের মাধ্যমে আপত্তিকর বার্তা ও অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একটি বিদ্যালয়ের ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট (আইটি শিক্ষক) ইমরুল কায়েস রবিনের বিরুদ্ধে। অভিযোগটি সামনে আসার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা নেছারাবাদ থানায় একটি লিখিত অভিযো করেছেন।

অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, তার স্ত্রীর ফেসবুক আইডি মাঝে-মধ্যে তার স্কুলপড়ুয়া মেয়ে ব্যবহার করত। সেই আইডিতে অভিযুক্ত শিক্ষক নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে বিভিন্ন সময়ে অশালীন বার্তা ও কু-প্রস্তাব পাঠান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বিষয়টি প্রথমে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে জানানো হলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পরে বাধ্য হয়ে তিনি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত শিক্ষক ইমরুল কায়েস রবিন। তার দাবি, গত ২৯ জুলাই বন্ধু সিরাজুল ইসলাম রানার মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন তার ফেসবুক আইডি হ্যাক হয়েছে। পরে তিনি আইডির নিয়ন্ত্রণ ফিরে পান।

তবে ঠিক কবে আইডিটি হ্যাক হয়েছিল, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি। একই ঘটনায় ছাত্রীর স্বজন ও কয়েকজন যুবক তাকে বাড়িতে গিয়ে হুমকি দিয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

সুটিয়াকাঠি পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নুরুল ইসলাম মিন্টু বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর শিক্ষকদের নিয়ে বৈঠক করে অভিযুক্ত শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

প্রধান শিক্ষক বলেন, ‘অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে এমন ব্যক্তির শিক্ষকতা করার কোনো অধিকার নেই।’

নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদি হাসান জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অভিযোগ তদন্তে একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত