হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে একটি পদ্মগোখরা
(মনোকলড কোবরা) ও একটি দাঁড়াশ সাপ অবমুক্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে
সাপ দুটিকে বনের গহীনে ছেড়ে দেয় বন বিভাগ।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি কুমিল্লা থেকে সাপ দুটি উদ্ধার
করে ‘স্নেক রেসকিউ টিম ও সংরক্ষণ কেন্দ্র’-এর কর্মীরা। পরে চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী
কর্মকর্তা (ইউএনও) গালিব চৌধুরীর উপস্থিতিতে এগুলো সাতছড়ি উদ্যানে অবমুক্ত করা হয়।
বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ হবিগঞ্জের রেঞ্জ
কর্মকর্তা মাহমুদ হোসেন বলেন, দাঁড়াশ সম্পূর্ণ বিষহীন সাপ। এটি ইঁদুর খেয়ে ফসল রক্ষা
করে বলে কৃষকের বন্ধু হিসেবে পরিচিত। প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বন্যপ্রাণী নিয়ে
জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর দেন তিনি।
ইউএনও গালিব চৌধুরী জানান, পদ্মগোখরা অত্যন্ত বিষধর হলেও সাধারণত
মানুষ দেখলে পালিয়ে যায়। তবে সাপটিকে বিরক্ত বা কোণঠাসা করলে এটি আত্মরক্ষার্থে কামড়
দিতে পারে।
সাপ অবমুক্ত করার সময় বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং চুনারুঘাট
জীববৈচিত্র্য ও বন্যপ্রাণী রক্ষা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে একটি পদ্মগোখরা
(মনোকলড কোবরা) ও একটি দাঁড়াশ সাপ অবমুক্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে
সাপ দুটিকে বনের গহীনে ছেড়ে দেয় বন বিভাগ।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি কুমিল্লা থেকে সাপ দুটি উদ্ধার
করে ‘স্নেক রেসকিউ টিম ও সংরক্ষণ কেন্দ্র’-এর কর্মীরা। পরে চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী
কর্মকর্তা (ইউএনও) গালিব চৌধুরীর উপস্থিতিতে এগুলো সাতছড়ি উদ্যানে অবমুক্ত করা হয়।
বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ হবিগঞ্জের রেঞ্জ
কর্মকর্তা মাহমুদ হোসেন বলেন, দাঁড়াশ সম্পূর্ণ বিষহীন সাপ। এটি ইঁদুর খেয়ে ফসল রক্ষা
করে বলে কৃষকের বন্ধু হিসেবে পরিচিত। প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বন্যপ্রাণী নিয়ে
জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর দেন তিনি।
ইউএনও গালিব চৌধুরী জানান, পদ্মগোখরা অত্যন্ত বিষধর হলেও সাধারণত
মানুষ দেখলে পালিয়ে যায়। তবে সাপটিকে বিরক্ত বা কোণঠাসা করলে এটি আত্মরক্ষার্থে কামড়
দিতে পারে।
সাপ অবমুক্ত করার সময় বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং চুনারুঘাট
জীববৈচিত্র্য ও বন্যপ্রাণী রক্ষা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন