সংবাদ

নেপালে প্রাণহানি বেড়ে ১৬০, বিহারে হাই অ্যালার্ট


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৭ আগস্ট ২০২৬, ০৯:০৬ এএম

নেপালে প্রাণহানি বেড়ে ১৬০, বিহারে হাই অ্যালার্ট
ছবি : সংগৃহীত

তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ হিমধস ও নেপালে আকস্মিক হড়পা বানের প্রভাবে ভারতের বিহার রাজ্যে বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। নেপালে দুর্যোগের কারণে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৬০ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। এদিকে নেপালের পাহাড়ি ঢল বিহারের গণ্ডক নদীতে প্রবেশ করায় রাজ্যজুড়ে ‘হাই অ্যালার্ট’ বা সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

বিহার প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, তিব্বত সীমান্ত থেকে নেমে আসা বিপুল পরিমাণ পানি গণ্ডক নদী হয়ে বিহারে প্রবেশ করছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় উত্তর বিহারের বাল্মীকিনগর ব্যারাজের ৩৬টি গেট খুলে দেওয়া হয়েছে। প্রায় সাড়ে তিন লাখ কিউসেক পানি ধেয়ে আসতে পারে–এমন আশঙ্কায় পশ্চিম চম্পারণ, পূর্ব চম্পারণ, গোপালগঞ্জ ও সারণসহ বেশ কিছু জেলায় মাইকিং করে বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে।

বিহারে দুর্যোগ মোকাবিলায় মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী একটি উচ্চপর্যায়ের দল গঠন করেছেন। নদীর বাঁধগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিশেষ নজরদারি ও রাতে নিয়মিত টহলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জরুরি পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজ্যের সব সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া বাল্মীকিনগর টাইগার রিজার্ভের বন্যপ্রাণীদেরও নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।

নেপাল থেকে পাওয়া খবরে জানা গেছে, হিমধস ও বন্যায় রসুয়াসহ তিনটি জেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ধ্বংসস্তূপ ও পানির তোড়ে নিখোঁজ রয়েছেন আরও অনেকে। সেখানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকলেও পাহাড়ি ঢল ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে কাজ ব্যাহত হচ্ছে।

/ 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬


নেপালে প্রাণহানি বেড়ে ১৬০, বিহারে হাই অ্যালার্ট

প্রকাশের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০২৬

featured Image

তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ হিমধস ও নেপালে আকস্মিক হড়পা বানের প্রভাবে ভারতের বিহার রাজ্যে বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। নেপালে দুর্যোগের কারণে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৬০ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। এদিকে নেপালের পাহাড়ি ঢল বিহারের গণ্ডক নদীতে প্রবেশ করায় রাজ্যজুড়ে ‘হাই অ্যালার্ট’ বা সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

বিহার প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, তিব্বত সীমান্ত থেকে নেমে আসা বিপুল পরিমাণ পানি গণ্ডক নদী হয়ে বিহারে প্রবেশ করছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় উত্তর বিহারের বাল্মীকিনগর ব্যারাজের ৩৬টি গেট খুলে দেওয়া হয়েছে। প্রায় সাড়ে তিন লাখ কিউসেক পানি ধেয়ে আসতে পারে–এমন আশঙ্কায় পশ্চিম চম্পারণ, পূর্ব চম্পারণ, গোপালগঞ্জ ও সারণসহ বেশ কিছু জেলায় মাইকিং করে বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে।

বিহারে দুর্যোগ মোকাবিলায় মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী একটি উচ্চপর্যায়ের দল গঠন করেছেন। নদীর বাঁধগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিশেষ নজরদারি ও রাতে নিয়মিত টহলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জরুরি পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজ্যের সব সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া বাল্মীকিনগর টাইগার রিজার্ভের বন্যপ্রাণীদেরও নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।

নেপাল থেকে পাওয়া খবরে জানা গেছে, হিমধস ও বন্যায় রসুয়াসহ তিনটি জেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ধ্বংসস্তূপ ও পানির তোড়ে নিখোঁজ রয়েছেন আরও অনেকে। সেখানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকলেও পাহাড়ি ঢল ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে কাজ ব্যাহত হচ্ছে।

/ 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত