উৎসবমুখর পরিবেশে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) পালিত হয়েছে ‘বিশ্ব ডিম দিবস-২০২৬’। দিবসটি উপলক্ষে শিক্ষার্থী, পথচারী ও শ্রমজীবী মানুষের মাঝে বিনামূল্যে মোট সাড়ে তিন হাজার ডিম বিতরণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টির ভেটেরিনারি অনুষদ।
শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে ভেটেরিনারি অনুষদ ভবন-৩-এর সামনে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে বর্ণাঢ্য এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান।
উদ্বোধনের পর একটি আনন্দনমুখর র্যালি ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ভেটেরিনারি অনুষদের প্রধান ফটকে এসে শেষ হয়। এতে অনুষদের শিক্ষক ও বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী অংশ নেন। র্যালি শেষে অনুষদসংলগ্ন একটি স্টল থেকে পথচারী, শিক্ষার্থী ও শ্রমজীবী মানুষের হাতে সেদ্ধ ডিম তুলে দেওয়া হয়।
দিবসটি উপলক্ষে পরে ভেটেরিনারি অনুষদের মেডিসিন বিভাগের সম্মেলনকক্ষে ‘প্রোটিন দ্যাট পাওয়ার্স অ্যান্ড প্রোটেক্টস’ (যে প্রোটিন শক্তি জোগায় ও সুরক্ষা দেয়) প্রতিপাদ্যে একটি আলোচনা সভা ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে বক্তারা মানবদেহে ডিমের পুষ্টিগুণ, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা এবং দেশের পুষ্টি নিরাপত্তায় ডিমের অনন্য অবদানের কথা তুলে ধরেন।
আয়োজক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আলী রেজা ফারুক। স্বাগত বক্তব্য দেন ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন আয়োজক কমিটির সদস্যসচিব অধ্যাপক ড. মারজিয়া রহমান।
অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান বলেন, “ডিমে পুষ্টি, ডিমে শক্তি ও ডিমে রোগমুক্তি। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রতিদিন প্রায় সাড়ে ছয় থেকে সাত কোটি ডিম উৎপাদিত হচ্ছে, যা দেশের সাধারণ মানুষের আমিষের চাহিদা মেটাচ্ছে। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে আমাদের তরুণ প্রজন্মসহ সবারই নিয়মিত ডিম খাওয়া উচিত।”
আয়োজক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম জানান, ময়মনসিংহের দারুল কোরআন একাডেমি, মুক্তিযোদ্ধা স্কুল, শিশুনিকেতন, শিশুবাগ, কেবি প্রাইমারি স্কুল ও মর্নিং সানসহ বিভিন্ন স্কুল-মাদ্রাসার শিক্ষার্থী এবং কেন্দ্রীয় মসজিদসংলগ্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিশুদের মাঝেও ডিম বিতরণের বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ডিমের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে ১৯৯৬ সাল থেকে প্রতি বছর অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় শুক্রবার বিশ্বজুড়ে বিশ্ব ডিম দিবস পালিত হয়ে আসছে। চলতি বছর এই দিবসের ৩০ বছর পূর্তি হচ্ছে।

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৬
উৎসবমুখর পরিবেশে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) পালিত হয়েছে ‘বিশ্ব ডিম দিবস-২০২৬’। দিবসটি উপলক্ষে শিক্ষার্থী, পথচারী ও শ্রমজীবী মানুষের মাঝে বিনামূল্যে মোট সাড়ে তিন হাজার ডিম বিতরণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টির ভেটেরিনারি অনুষদ।
শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে ভেটেরিনারি অনুষদ ভবন-৩-এর সামনে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে বর্ণাঢ্য এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান।
উদ্বোধনের পর একটি আনন্দনমুখর র্যালি ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ভেটেরিনারি অনুষদের প্রধান ফটকে এসে শেষ হয়। এতে অনুষদের শিক্ষক ও বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী অংশ নেন। র্যালি শেষে অনুষদসংলগ্ন একটি স্টল থেকে পথচারী, শিক্ষার্থী ও শ্রমজীবী মানুষের হাতে সেদ্ধ ডিম তুলে দেওয়া হয়।
দিবসটি উপলক্ষে পরে ভেটেরিনারি অনুষদের মেডিসিন বিভাগের সম্মেলনকক্ষে ‘প্রোটিন দ্যাট পাওয়ার্স অ্যান্ড প্রোটেক্টস’ (যে প্রোটিন শক্তি জোগায় ও সুরক্ষা দেয়) প্রতিপাদ্যে একটি আলোচনা সভা ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে বক্তারা মানবদেহে ডিমের পুষ্টিগুণ, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা এবং দেশের পুষ্টি নিরাপত্তায় ডিমের অনন্য অবদানের কথা তুলে ধরেন।
আয়োজক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আলী রেজা ফারুক। স্বাগত বক্তব্য দেন ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন আয়োজক কমিটির সদস্যসচিব অধ্যাপক ড. মারজিয়া রহমান।
অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান বলেন, “ডিমে পুষ্টি, ডিমে শক্তি ও ডিমে রোগমুক্তি। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রতিদিন প্রায় সাড়ে ছয় থেকে সাত কোটি ডিম উৎপাদিত হচ্ছে, যা দেশের সাধারণ মানুষের আমিষের চাহিদা মেটাচ্ছে। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে আমাদের তরুণ প্রজন্মসহ সবারই নিয়মিত ডিম খাওয়া উচিত।”
আয়োজক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম জানান, ময়মনসিংহের দারুল কোরআন একাডেমি, মুক্তিযোদ্ধা স্কুল, শিশুনিকেতন, শিশুবাগ, কেবি প্রাইমারি স্কুল ও মর্নিং সানসহ বিভিন্ন স্কুল-মাদ্রাসার শিক্ষার্থী এবং কেন্দ্রীয় মসজিদসংলগ্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিশুদের মাঝেও ডিম বিতরণের বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ডিমের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে ১৯৯৬ সাল থেকে প্রতি বছর অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় শুক্রবার বিশ্বজুড়ে বিশ্ব ডিম দিবস পালিত হয়ে আসছে। চলতি বছর এই দিবসের ৩০ বছর পূর্তি হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন