সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত দুই বাংলাদেশিসহ ১২ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এই নজিরবিহীন হামলায় আহত হয়েছেন আরও তিন শতাধিক যাত্রী ও সাধারণ নাগরিক।
রোববার (১১ অক্টোবর) ভোরে এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (জিএসিএ) জানিয়েছে, শনিবার গভীর রাতের এই হামলায় ২ জন বাংলাদেশি, ৪ জন সৌদি নাগরিক এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, মিশর, জর্ডান, সিরিয়া, ফিলিস্তিন ও সুদানের ১ জন করে নাগরিক নিহত হয়েছেন।
ঘটনার পরপরই জিএসিএ কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সকল ফ্লাইট ও কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত ঘোষণা করেছে। আহত ৩০৯ জনকে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, যাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।
ইয়েমেনে যুদ্ধরত সৌদি নেতৃত্বাধীন যৌথ সামরিক জোট এই হামলার জন্য ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে দায়ী করেছে। জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি একে "নৃশংস যুদ্ধাপরাধ" আখ্যা দিয়ে আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুযায়ী এর কঠোর জবাব দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি আরও জানান, দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছেও পৃথক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুতিদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের সামরিক অভিযানে ওয়াশিংটনের সম্ভাব্য যোগদানের ইঙ্গিত দিয়ে বলেছেন, "বিষয়টি নিয়ে অতি দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।"
নিরাপত্তা সংকটের কারণে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডাসহ বিভিন্ন দেশ রিয়াদে তাদের নাগরিকদের চলাচলে চরম সতর্কবার্তা জারি করেছে এবং কুয়েত এয়ারওয়েজসহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্স তাদের ফ্লাইট বাতিল করেছে।
সুত্র: আল জাজিরা
/

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত দুই বাংলাদেশিসহ ১২ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এই নজিরবিহীন হামলায় আহত হয়েছেন আরও তিন শতাধিক যাত্রী ও সাধারণ নাগরিক।
রোববার (১১ অক্টোবর) ভোরে এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (জিএসিএ) জানিয়েছে, শনিবার গভীর রাতের এই হামলায় ২ জন বাংলাদেশি, ৪ জন সৌদি নাগরিক এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, মিশর, জর্ডান, সিরিয়া, ফিলিস্তিন ও সুদানের ১ জন করে নাগরিক নিহত হয়েছেন।
ঘটনার পরপরই জিএসিএ কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সকল ফ্লাইট ও কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত ঘোষণা করেছে। আহত ৩০৯ জনকে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, যাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।
ইয়েমেনে যুদ্ধরত সৌদি নেতৃত্বাধীন যৌথ সামরিক জোট এই হামলার জন্য ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে দায়ী করেছে। জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি একে "নৃশংস যুদ্ধাপরাধ" আখ্যা দিয়ে আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুযায়ী এর কঠোর জবাব দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি আরও জানান, দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছেও পৃথক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুতিদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের সামরিক অভিযানে ওয়াশিংটনের সম্ভাব্য যোগদানের ইঙ্গিত দিয়ে বলেছেন, "বিষয়টি নিয়ে অতি দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।"
নিরাপত্তা সংকটের কারণে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডাসহ বিভিন্ন দেশ রিয়াদে তাদের নাগরিকদের চলাচলে চরম সতর্কবার্তা জারি করেছে এবং কুয়েত এয়ারওয়েজসহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্স তাদের ফ্লাইট বাতিল করেছে।
সুত্র: আল জাজিরা
/

আপনার মতামত লিখুন