টাঙ্গাইলের সখিপুরে বাজার বণিক সমিতির সভাপতি বিল্লাল হোসেনের বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) ভোররাত তিনটার দিকে তার গোয়ালঘর থেকে চারটি গাভী ও তিনটি মহিষ নিয়ে যায় একদল চোর। চুরি যাওয়া গবাদিপশুগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৪ লাখ টাকা বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী।
বিল্লাল হোসেন জানান, প্রতিদিনের মতো রাতে গবাদিপশুগুলো গোয়ালঘরে রেখে তারা ঘুমাতে যান। ভোরে উঠে দেখেন গোয়ালঘর একদম ফাঁকা। চোরেরা একে একে সাতটি পশুই নিয়ে চম্পট দিয়েছে। এরপর অনেক খোঁজাখুঁজি করেও সেগুলোর আর কোনো হদিস পাওয়া যায়নি।
ক্ষোভ প্রকাশ করে বিল্লাল হোসেন বলেন, ‘দুই বছর আগেও আমার বাড়ি থেকে পাঁচটি গাভী চুরি হয়েছিল। সেই শোক ভোলার আগেই এবার একসঙ্গে সাতটি পশু চুরি হলো। এই ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া আমার জন্য অসম্ভব।’
একই বাড়িতে বারবার চুরির ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তাদের ধারণা, কোনো সুসংগঠিত চোরচক্র এই এলাকায় সক্রিয় রয়েছে। দ্রুত এই চক্রকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুরাদ হোসেন বলেন, ‘চুরির বিষয়টি পুলিশ জেনেছে। গবাদিপশুগুলো উদ্ধার ও জড়িতদের শনাক্ত করতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
টাঙ্গাইলের সখিপুরে বাজার বণিক সমিতির সভাপতি বিল্লাল হোসেনের বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) ভোররাত তিনটার দিকে তার গোয়ালঘর থেকে চারটি গাভী ও তিনটি মহিষ নিয়ে যায় একদল চোর। চুরি যাওয়া গবাদিপশুগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৪ লাখ টাকা বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী।
বিল্লাল হোসেন জানান, প্রতিদিনের মতো রাতে গবাদিপশুগুলো গোয়ালঘরে রেখে তারা ঘুমাতে যান। ভোরে উঠে দেখেন গোয়ালঘর একদম ফাঁকা। চোরেরা একে একে সাতটি পশুই নিয়ে চম্পট দিয়েছে। এরপর অনেক খোঁজাখুঁজি করেও সেগুলোর আর কোনো হদিস পাওয়া যায়নি।
ক্ষোভ প্রকাশ করে বিল্লাল হোসেন বলেন, ‘দুই বছর আগেও আমার বাড়ি থেকে পাঁচটি গাভী চুরি হয়েছিল। সেই শোক ভোলার আগেই এবার একসঙ্গে সাতটি পশু চুরি হলো। এই ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া আমার জন্য অসম্ভব।’
একই বাড়িতে বারবার চুরির ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তাদের ধারণা, কোনো সুসংগঠিত চোরচক্র এই এলাকায় সক্রিয় রয়েছে। দ্রুত এই চক্রকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুরাদ হোসেন বলেন, ‘চুরির বিষয়টি পুলিশ জেনেছে। গবাদিপশুগুলো উদ্ধার ও জড়িতদের শনাক্ত করতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

আপনার মতামত লিখুন