সংবাদ

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ১৩৪২


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৭ পিএম

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ১৩৪২
নেপালে বন্যা ও ভূমিধসে বিধ্বস্ত ঘরবাড়ি। ছবি : সংগৃহীত

নেপালের উত্তরাঞ্চলে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৩৪২ জনে দাঁড়িয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল পর্যন্ত পাওয়া তথ্যানুযায়ী, এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ৪ হাজার ৮৮৬ জন। দেশটির পুলিশ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। 

নেপাল পুলিশ জানায়, বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চিতওয়ান জেলা, যেখানে ৩৬০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া নওয়ালপারাসি, নুয়াকোট, রাসুয়া এবং গোর্খাসহ আটটি জেলা থেকে বাকি মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। মূলত চীনের সীমান্ত সংলগ্ন রাসুয়া জেলার ভোটেকোশি নদীতে সৃষ্ট পাহাড়ি ঢলে এই ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের সৃষ্টি হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইতোমধ্যে ১ হাজার ৩০টি মরদেহের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ৩৫৫ জন পুরুষ ও ২২২ জন নারী। বাকি ৪৫৩টি মরদেহের লিঙ্গ পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করতে ২ হাজার ২৭২টি ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। নিখোঁজদের স্বজনরা যেন পরিচয় শনাক্ত করতে পারেন, সেজন্য ১ হাজার ২৭০টি অজ্ঞাত মরদেহের ছবি ও তথ্য নেপাল পুলিশের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

বিপর্যস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধার অভিযান ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ৭ হাজার ৯১২ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে ৩ হাজার ২৪০ জন মানুষকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। দুর্যোগকবলিত এলাকা থেকে সাধারণ মানুষকে সরিয়ে নিতে কাজ করছে নিরাপত্তা বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসন। একইসঙ্গে ভূমিধসে বন্ধ হয়ে যাওয়া রাস্তাগুলো চলাচলের উপযোগী করার চেষ্টা চলছে।

সূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট 

/ 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬


নেপালে ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ১৩৪২

প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

নেপালের উত্তরাঞ্চলে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৩৪২ জনে দাঁড়িয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল পর্যন্ত পাওয়া তথ্যানুযায়ী, এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ৪ হাজার ৮৮৬ জন। দেশটির পুলিশ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। 

নেপাল পুলিশ জানায়, বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চিতওয়ান জেলা, যেখানে ৩৬০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া নওয়ালপারাসি, নুয়াকোট, রাসুয়া এবং গোর্খাসহ আটটি জেলা থেকে বাকি মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। মূলত চীনের সীমান্ত সংলগ্ন রাসুয়া জেলার ভোটেকোশি নদীতে সৃষ্ট পাহাড়ি ঢলে এই ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের সৃষ্টি হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইতোমধ্যে ১ হাজার ৩০টি মরদেহের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ৩৫৫ জন পুরুষ ও ২২২ জন নারী। বাকি ৪৫৩টি মরদেহের লিঙ্গ পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করতে ২ হাজার ২৭২টি ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। নিখোঁজদের স্বজনরা যেন পরিচয় শনাক্ত করতে পারেন, সেজন্য ১ হাজার ২৭০টি অজ্ঞাত মরদেহের ছবি ও তথ্য নেপাল পুলিশের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

বিপর্যস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধার অভিযান ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ৭ হাজার ৯১২ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে ৩ হাজার ২৪০ জন মানুষকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। দুর্যোগকবলিত এলাকা থেকে সাধারণ মানুষকে সরিয়ে নিতে কাজ করছে নিরাপত্তা বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসন। একইসঙ্গে ভূমিধসে বন্ধ হয়ে যাওয়া রাস্তাগুলো চলাচলের উপযোগী করার চেষ্টা চলছে।

সূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট 

/ 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত