দক্ষিণ ইসরায়েলের ডিমোনা শহরে আয়োজিত এক নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু মন্তব্য করেছেন, ইরানের হুমকি পুরোপুরি দূর করতে দেশটির বর্তমান সরকার উৎখাত করা ছাড়া আর কোনো পথ নেই।
তিনি বলেন, ইরান আমাদের ধ্বংস করতে চেয়েছিল, আমরা তাদের থামিয়েছি। তারা পারমাণবিক বোমা তৈরি করতে চেয়েছিল, আমরা সেটিও ঠেকিয়েছি। তারপরও তারা তাদের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাই এই পরিস্থিতির অবসান ঘটানোর একমাত্র পথ হলো এই সরকারকে উৎখাত করা।
একই সাথে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ এবং দেশের সব নিরাপত্তা সংস্থাকে এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি নিশ্চিত করেন।
এদিকে দক্ষিণ ইসরায়েলে সামরিক কর্মকর্তাদের এক স্নাতক সমাপনী অনুষ্ঠানে দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ সতর্ক করে বলেন, ইরানের সরকার এখন পর্যন্ত সবচেয়ে দুর্বল অবস্থানে রয়েছে। তবে আমরা বুঝতে পারছি, এই দুর্বলতা থেকেই তারা সবচেয়ে চরম পদক্ষেপ নিতে পারে। শত্রুপক্ষকে কঠোর বার্তা দিয়ে তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরান ইসরায়েলে হামলা চালালে ইরান জ্বলবে!
অন্যদিকে ইসরায়েলি হুমকির পর কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করে ইরানের নবনিযুক্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী মেহরদাদ আখলাঘি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আমরা মাটি খেয়ে বাঁচবো, কিন্তু এক ইঞ্চি মাটিও ছাড়বো না।
দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) মহাকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনী এবং সেনাবাহিনীর আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনীর চাহিদা পূরণে দ্রুত মনোযোগ দেন।
তিনি উল্লেখ করেন, বারবার দেওয়া হুমকির জবাব ইরানের কাছে শুধু কথার লড়াই নয়। বরং এসব হুমকিকে আরও বেশি প্রস্তুতি ও কার্যকর প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় রূপান্তর করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।
একই সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দিয়ে ইরানের অবকাঠামোয় হামলা চালানো হলে হরমুজ প্রণালির তলদেশের গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারনেট কেবলগুলো ধ্বংস করে দেওয়ার সরাসরি হুমকি দিয়েছে আইআরজিসি।
রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আইআরজিসির রাজনৈতিকবিষয়ক উপপ্রধান জেনারেল ইয়াদোল্লাহ জাভানি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা ইরানের অবকাঠামোর ক্ষতি করার চেষ্টা করলে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান স্বাভাবিকভাবেই তার পূর্ণ শক্তি প্রয়োগ করবে।
তিনি জোরালোভাবে সতর্ক করে বলেন, ইরান সহজেই যুক্তরাষ্ট্র ও তার আঞ্চলিক মিত্রদের বিভিন্ন স্থাপনা ধ্বংস করতে পারে। এর মধ্যে হরমুজ প্রণালির পানির নিচ দিয়ে যাওয়া সাতটি গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারনেট কেবলও রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ অক্টোবর ২০২৬
দক্ষিণ ইসরায়েলের ডিমোনা শহরে আয়োজিত এক নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু মন্তব্য করেছেন, ইরানের হুমকি পুরোপুরি দূর করতে দেশটির বর্তমান সরকার উৎখাত করা ছাড়া আর কোনো পথ নেই।
তিনি বলেন, ইরান আমাদের ধ্বংস করতে চেয়েছিল, আমরা তাদের থামিয়েছি। তারা পারমাণবিক বোমা তৈরি করতে চেয়েছিল, আমরা সেটিও ঠেকিয়েছি। তারপরও তারা তাদের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাই এই পরিস্থিতির অবসান ঘটানোর একমাত্র পথ হলো এই সরকারকে উৎখাত করা।
একই সাথে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ এবং দেশের সব নিরাপত্তা সংস্থাকে এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি নিশ্চিত করেন।
এদিকে দক্ষিণ ইসরায়েলে সামরিক কর্মকর্তাদের এক স্নাতক সমাপনী অনুষ্ঠানে দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ সতর্ক করে বলেন, ইরানের সরকার এখন পর্যন্ত সবচেয়ে দুর্বল অবস্থানে রয়েছে। তবে আমরা বুঝতে পারছি, এই দুর্বলতা থেকেই তারা সবচেয়ে চরম পদক্ষেপ নিতে পারে। শত্রুপক্ষকে কঠোর বার্তা দিয়ে তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরান ইসরায়েলে হামলা চালালে ইরান জ্বলবে!
অন্যদিকে ইসরায়েলি হুমকির পর কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করে ইরানের নবনিযুক্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী মেহরদাদ আখলাঘি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আমরা মাটি খেয়ে বাঁচবো, কিন্তু এক ইঞ্চি মাটিও ছাড়বো না।
দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) মহাকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনী এবং সেনাবাহিনীর আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনীর চাহিদা পূরণে দ্রুত মনোযোগ দেন।
তিনি উল্লেখ করেন, বারবার দেওয়া হুমকির জবাব ইরানের কাছে শুধু কথার লড়াই নয়। বরং এসব হুমকিকে আরও বেশি প্রস্তুতি ও কার্যকর প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় রূপান্তর করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।
একই সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দিয়ে ইরানের অবকাঠামোয় হামলা চালানো হলে হরমুজ প্রণালির তলদেশের গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারনেট কেবলগুলো ধ্বংস করে দেওয়ার সরাসরি হুমকি দিয়েছে আইআরজিসি।
রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আইআরজিসির রাজনৈতিকবিষয়ক উপপ্রধান জেনারেল ইয়াদোল্লাহ জাভানি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা ইরানের অবকাঠামোর ক্ষতি করার চেষ্টা করলে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান স্বাভাবিকভাবেই তার পূর্ণ শক্তি প্রয়োগ করবে।
তিনি জোরালোভাবে সতর্ক করে বলেন, ইরান সহজেই যুক্তরাষ্ট্র ও তার আঞ্চলিক মিত্রদের বিভিন্ন স্থাপনা ধ্বংস করতে পারে। এর মধ্যে হরমুজ প্রণালির পানির নিচ দিয়ে যাওয়া সাতটি গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারনেট কেবলও রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন