আবহাওয়া অধিদপ্তর আগামী পাঁচদিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে কিছু কিছু জায়গায় ঝড়ো হাওয়া এবং দমকা বাতাস বইতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, গাজীপুর, রংপুর, ঢাকা, যশোর ও ময়মনসিংহের অনেক এলাকায় এবং লালমনিরহাট, দিনাজপুর ও পঞ্চগড়ের কিছু অংশে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। এসব অঞ্চলে বজ্রসহ বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া বয়ে যাওয়ার শঙ্কাও রয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে ৩৪ মিলিমিটার। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল তেঁতুলিয়ায় ২৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যদিকে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায় ৩৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, বৃষ্টিপাতের এই ধারা সপ্তাহজুড়ে অব্যাহত থাকতে পারে। বিশেষ করে সিলেট, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা বেশি হতে পারে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় রাজধানী ঢাকায় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বাতাসের আর্দ্রতা ৮৯ শতাংশ এবং বাতাসের গতি থাকবে ঘণ্টায় ১০-১৫ কিলোমিটার।
দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে। সর্বশেষ আবহাওয়া বুলেটিনে কিছু এলাকায় ‘গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি’, আবার কিছু এলাকায় ‘মাঝারি ধরনের’ ও ‘ভারী’ বৃষ্টির আভাস দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে কুমিল্লা, নোয়াখালী ও ফেনী অঞ্চলে ভারী বৃষ্টি হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃষ্টিপাতের এ ধারা অব্যাহত থাকলে কৃষকদের জন্য কিছুটা স্বস্তি আসতে পারে, তবে জলাবদ্ধতার কারণেও দুর্ভোগ তৈরি হতে পারে। বাড়তি সতর্কতা হিসেবে নিম্নাঞ্চলের মানুষদের সজাগ থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আবহাওয়া অধিদপ্তর আগামী পাঁচদিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে কিছু কিছু জায়গায় ঝড়ো হাওয়া এবং দমকা বাতাস বইতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, গাজীপুর, রংপুর, ঢাকা, যশোর ও ময়মনসিংহের অনেক এলাকায় এবং লালমনিরহাট, দিনাজপুর ও পঞ্চগড়ের কিছু অংশে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। এসব অঞ্চলে বজ্রসহ বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া বয়ে যাওয়ার শঙ্কাও রয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে ৩৪ মিলিমিটার। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল তেঁতুলিয়ায় ২৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যদিকে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায় ৩৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, বৃষ্টিপাতের এই ধারা সপ্তাহজুড়ে অব্যাহত থাকতে পারে। বিশেষ করে সিলেট, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা বেশি হতে পারে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় রাজধানী ঢাকায় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বাতাসের আর্দ্রতা ৮৯ শতাংশ এবং বাতাসের গতি থাকবে ঘণ্টায় ১০-১৫ কিলোমিটার।
দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে। সর্বশেষ আবহাওয়া বুলেটিনে কিছু এলাকায় ‘গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি’, আবার কিছু এলাকায় ‘মাঝারি ধরনের’ ও ‘ভারী’ বৃষ্টির আভাস দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে কুমিল্লা, নোয়াখালী ও ফেনী অঞ্চলে ভারী বৃষ্টি হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃষ্টিপাতের এ ধারা অব্যাহত থাকলে কৃষকদের জন্য কিছুটা স্বস্তি আসতে পারে, তবে জলাবদ্ধতার কারণেও দুর্ভোগ তৈরি হতে পারে। বাড়তি সতর্কতা হিসেবে নিম্নাঞ্চলের মানুষদের সজাগ থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন