আমদানিনির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে বড় উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ২০২৮ সালের মধ্যে বেসরকারি খাতের মাধ্যমে প্রায় ৯১৮ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ইতোমধ্যে ১২টি স্বাধীন বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের (আইপিপি) সঙ্গে এই বিদ্যুৎ ক্রয়ের চুক্তি সম্পন্ন করেছে। প্রতি কিলোওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুতের দর ধরা হয়েছে ৯ টাকা ১২ পয়সা, যা পূর্বের একই ধরনের প্রকল্পগুলোর তুলনায় প্রায় ২.৫ সেন্ট কম।
এর বাইরেও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের প্রচার ও প্রসারে সরকার বিশেষ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। ব্যাটারিসহ ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনে ১০ টাকা ৫০ পয়সা প্রতি ইউনিট হারে দর নির্ধারণ করে বিশেষ প্রণোদনা ঘোষণা করা হয়েছে। স্রেডার দেওয়া তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে দেশে মোট ১ হাজার ৮৫২ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার মধ্যে ১ হাজার ৪৭৩ মেগাওয়াট সরাসরি জাতীয় গ্রিডে যুক্ত রয়েছে।
বিপিডিবি সরকারি অর্থায়নে রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াটসহ মোট ৬৮৯ মেগাওয়াটের বেশ কয়েকটি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প গ্রহণ করেছে, যা ২০৩০ সালের মধ্যে পুরোপুরি চালু হওয়ার কথা রয়েছে। বেসরকারি খাতের আওতায় সবচেয়ে বড় ২০০ মেগাওয়াটের কেন্দ্রটি চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে নির্মিত হবে। এ ছাড়া পাবনার ঈশ্বরদী, কক্সবাজার, বাগেরহাটের মোংলা, নীলফামারী, মৌলভীবাজার ও নোয়াখালীতে ১০ থেকে ১৫০ মেগাওয়াট সক্ষমতার সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ধাপে ধাপে স্থাপিত হবে।
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদে জানান, বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট উৎপাদিত বিদ্যুতের অন্তত ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের চূড়ান্ত লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এই লক্ষ্যের অংশ হিসেবে দেশের প্রতিটি জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয়ে আগামী ৩ মাসের মধ্যে সৌর প্যানেল স্থাপনের জন্য নির্দেশ জারি করা হয়েছে।
সূত্র: বাসস
/

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আমদানিনির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে বড় উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ২০২৮ সালের মধ্যে বেসরকারি খাতের মাধ্যমে প্রায় ৯১৮ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ইতোমধ্যে ১২টি স্বাধীন বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের (আইপিপি) সঙ্গে এই বিদ্যুৎ ক্রয়ের চুক্তি সম্পন্ন করেছে। প্রতি কিলোওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুতের দর ধরা হয়েছে ৯ টাকা ১২ পয়সা, যা পূর্বের একই ধরনের প্রকল্পগুলোর তুলনায় প্রায় ২.৫ সেন্ট কম।
এর বাইরেও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের প্রচার ও প্রসারে সরকার বিশেষ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। ব্যাটারিসহ ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনে ১০ টাকা ৫০ পয়সা প্রতি ইউনিট হারে দর নির্ধারণ করে বিশেষ প্রণোদনা ঘোষণা করা হয়েছে। স্রেডার দেওয়া তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে দেশে মোট ১ হাজার ৮৫২ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার মধ্যে ১ হাজার ৪৭৩ মেগাওয়াট সরাসরি জাতীয় গ্রিডে যুক্ত রয়েছে।
বিপিডিবি সরকারি অর্থায়নে রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াটসহ মোট ৬৮৯ মেগাওয়াটের বেশ কয়েকটি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প গ্রহণ করেছে, যা ২০৩০ সালের মধ্যে পুরোপুরি চালু হওয়ার কথা রয়েছে। বেসরকারি খাতের আওতায় সবচেয়ে বড় ২০০ মেগাওয়াটের কেন্দ্রটি চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে নির্মিত হবে। এ ছাড়া পাবনার ঈশ্বরদী, কক্সবাজার, বাগেরহাটের মোংলা, নীলফামারী, মৌলভীবাজার ও নোয়াখালীতে ১০ থেকে ১৫০ মেগাওয়াট সক্ষমতার সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ধাপে ধাপে স্থাপিত হবে।
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদে জানান, বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট উৎপাদিত বিদ্যুতের অন্তত ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের চূড়ান্ত লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এই লক্ষ্যের অংশ হিসেবে দেশের প্রতিটি জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয়ে আগামী ৩ মাসের মধ্যে সৌর প্যানেল স্থাপনের জন্য নির্দেশ জারি করা হয়েছে।
সূত্র: বাসস
/

আপনার মতামত লিখুন