খাল পুনঃখনন, মৎস্য পোনা অবমুক্তকরণ এবং গ্রামীণ অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমেই দেশের গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে লক্ষ্মীপুরের রহমতখালী খালে পোনা মাছ অবমুক্তকরণ শেষে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পরে জেলা মৎস্য বিভাগের উদ্যোগে পুকুরে পোনা অবমুক্ত করার লক্ষ্যে ৩৩টি সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের মাঝে মাছের পোনা বিতরণ করা হয়।
বক্তব্যে পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, নদী ও জলাশয়গুলোকে সুপরিকল্পিতভাবে কাজে লাগাতে পারলে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে। তিনি জানান, পরিবেশ রক্ষা ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সরকার আগামী পাঁচ বছরে দেশব্যাপী ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন বা পুনঃখননের একটি মেগা পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। একই সঙ্গে দেশজুড়ে চলমান রয়েছে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি।
রহমতখালী খালকে লক্ষ্মীপুরের গুরুত্বপূর্ণ জলাধার ও ‘প্রাণ’ হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, এক সময় খালটিতে প্রচুর কচুরিপানা থাকলেও বর্তমানে তা পরিষ্কার করে পানির প্রবাহ স্বাভাবিক করা হয়েছে। আজ পোনা অবমুক্ত করার মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে অর্থনৈতিক সুযোগের সৃষ্টি হলো। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন এবং বেগম খালেদা জিয়ার অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার গ্রামীণ অবকাঠামোকে সর্বাধিক অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলে জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসান, জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক, জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদ উজ-জামান খান, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন, জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান এবং বাফুফের সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপী।
/

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
খাল পুনঃখনন, মৎস্য পোনা অবমুক্তকরণ এবং গ্রামীণ অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমেই দেশের গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে লক্ষ্মীপুরের রহমতখালী খালে পোনা মাছ অবমুক্তকরণ শেষে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পরে জেলা মৎস্য বিভাগের উদ্যোগে পুকুরে পোনা অবমুক্ত করার লক্ষ্যে ৩৩টি সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের মাঝে মাছের পোনা বিতরণ করা হয়।
বক্তব্যে পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, নদী ও জলাশয়গুলোকে সুপরিকল্পিতভাবে কাজে লাগাতে পারলে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে। তিনি জানান, পরিবেশ রক্ষা ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সরকার আগামী পাঁচ বছরে দেশব্যাপী ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন বা পুনঃখননের একটি মেগা পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। একই সঙ্গে দেশজুড়ে চলমান রয়েছে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি।
রহমতখালী খালকে লক্ষ্মীপুরের গুরুত্বপূর্ণ জলাধার ও ‘প্রাণ’ হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, এক সময় খালটিতে প্রচুর কচুরিপানা থাকলেও বর্তমানে তা পরিষ্কার করে পানির প্রবাহ স্বাভাবিক করা হয়েছে। আজ পোনা অবমুক্ত করার মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে অর্থনৈতিক সুযোগের সৃষ্টি হলো। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন এবং বেগম খালেদা জিয়ার অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার গ্রামীণ অবকাঠামোকে সর্বাধিক অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলে জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসান, জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক, জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদ উজ-জামান খান, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন, জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান এবং বাফুফের সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপী।
/

আপনার মতামত লিখুন