কুমিল্লা জেলার ১৮টি থানা এলাকায় একযোগে কিশোর গ্যাংবিরোধী বড় ধরনের অভিযান চালিয়ে এক রাতেই ৩৬৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত জেলা পুলিশ ও গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় কিশোর বয়সী বখাটে ও কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত বাড়ায় জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের সরাসরি নেতৃত্বে এই সাঁড়াশি অভিযান চালানো হয়। এতে অংশ নেন জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও। বখাটেদের আড্ডা ও উৎপাত বেশি এমন এলাকাগুলোকে লক্ষ্য করে অভিযানটি পরিচালিত হয়।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) লুৎফুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটক ব্যক্তিদের অপরাধের সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততা আছে কি না, তা গভীরভাবে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্ত শেষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, উঠতি বয়সী কিশোরেরা যাতে অপরাধ জগতে জড়িয়ে না পড়ে, সে উদ্দেশ্যে নিয়মিত এমন অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তবে অভিযানের সময় কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে অহেতুক হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে পুলিশ প্রশাসন কঠোরভাবে নজরদারি রাখছে।
/

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬
কুমিল্লা জেলার ১৮টি থানা এলাকায় একযোগে কিশোর গ্যাংবিরোধী বড় ধরনের অভিযান চালিয়ে এক রাতেই ৩৬৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত জেলা পুলিশ ও গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় কিশোর বয়সী বখাটে ও কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত বাড়ায় জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের সরাসরি নেতৃত্বে এই সাঁড়াশি অভিযান চালানো হয়। এতে অংশ নেন জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও। বখাটেদের আড্ডা ও উৎপাত বেশি এমন এলাকাগুলোকে লক্ষ্য করে অভিযানটি পরিচালিত হয়।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) লুৎফুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটক ব্যক্তিদের অপরাধের সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততা আছে কি না, তা গভীরভাবে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্ত শেষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, উঠতি বয়সী কিশোরেরা যাতে অপরাধ জগতে জড়িয়ে না পড়ে, সে উদ্দেশ্যে নিয়মিত এমন অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তবে অভিযানের সময় কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে অহেতুক হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে পুলিশ প্রশাসন কঠোরভাবে নজরদারি রাখছে।
/

আপনার মতামত লিখুন