মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের নার্সারি খাসিয়াপুঞ্জিতে দুর্বৃত্তদের কেটে ফেলা পানগাছের ক্ষোভ ও আতঙ্কের আঁচ এখনো কমেনি। রাতের আঁধারে কেটে ফেলা হয়েছে ১০টি খাসিয়া ও গারো পরিবারের জীবিকার প্রধান অবলম্বন ৮ হাজারের বেশি ফলবান পানগাছ। ভুক্তভোগীদের দাবি, এতে তাদের প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে মৌলভীবাজারে মানববন্ধন, সমাবেশ, বিক্ষোভ মিছিল ও জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় মৌলভীবাজার প্রেসক্লাব চত্বরে বিভিন্ন আদিবাসী সংগঠন, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং পরিবেশ ও মানবাধিকারকর্মীরা এ কর্মসূচির আয়োজন করেন।
কর্মসূচিতে বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম মৌলভীবাজার জেলা শাখা, কুবরাজ আন্তঃপুঞ্জি উন্নয়ন সংগঠন, খাসি স্টুডেন্ট ইউনিয়ন, বৃহত্তর সিলেট আদিবাসী অধিকার সুরক্ষা নাগরিক কমিটি এবং ‘ধরিত্রী রক্ষায় আমরা’ (ধরা) যৌথভাবে অংশ নেয়। সমাবেশ থেকে জড়িতদের দ্রত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ এবং আদিবাসী পানচাষিদের নিরাপত্তার নিশ্চয়তাসহ পাঁচ দফা দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধন শেষে একটি প্রতিবাদী মিছিল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যায় এবং জেলা প্রশাসক বরাবর পাঁচ দফা দাবি সংবলিত স্মারকলিপি তুলে দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম মৌলভীবাজার জেলা শাখার সভাপতি ফ্লোরা বাবলি তালাংয়ের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) সিলেটের সদস্যসচিব আব্দুল করিম কিম, ভয়েস অব রিভার মনুর প্রধান নির্বাহী এএসএম ছালেহ সুহেল, বৃহত্তর সিলেট আদিবাসী অধিকার সুরক্ষা নাগরিক কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট ডাডলি ডেরিক প্রেন্টিস, সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আবুল হাসান, বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পংকজ কন্দ ও খাসি স্টুডেন্ট ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক লান্ছার তংপেরসহ স্থানীয় সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, ফলবান পানগাছ কেটে দেওয়া একটি চরম নিন্দনীয় ও জঘন্য অপরাধ। এতে আদিবাসী পরিবারগুলোর দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ধ্বংস হয়ে গেছে। অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না দিলে আদিবাসীদের জীবন-জীবিকা আরও চরম হুমকির মুখে পড়বে।
উল্লেখ্য, গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে নার্সারিপুঞ্জিতে এ ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তরা ১০টি খাসিয়া ও গারো পরিবারের জুমের ৮ হাজারের বেশি পানগাছ কেটে ফেলে রেখে যায়, যার আনুমানিক আর্থিক ক্ষতি প্রায় ৫০ লাখ টাকা।

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের নার্সারি খাসিয়াপুঞ্জিতে দুর্বৃত্তদের কেটে ফেলা পানগাছের ক্ষোভ ও আতঙ্কের আঁচ এখনো কমেনি। রাতের আঁধারে কেটে ফেলা হয়েছে ১০টি খাসিয়া ও গারো পরিবারের জীবিকার প্রধান অবলম্বন ৮ হাজারের বেশি ফলবান পানগাছ। ভুক্তভোগীদের দাবি, এতে তাদের প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে মৌলভীবাজারে মানববন্ধন, সমাবেশ, বিক্ষোভ মিছিল ও জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় মৌলভীবাজার প্রেসক্লাব চত্বরে বিভিন্ন আদিবাসী সংগঠন, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং পরিবেশ ও মানবাধিকারকর্মীরা এ কর্মসূচির আয়োজন করেন।
কর্মসূচিতে বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম মৌলভীবাজার জেলা শাখা, কুবরাজ আন্তঃপুঞ্জি উন্নয়ন সংগঠন, খাসি স্টুডেন্ট ইউনিয়ন, বৃহত্তর সিলেট আদিবাসী অধিকার সুরক্ষা নাগরিক কমিটি এবং ‘ধরিত্রী রক্ষায় আমরা’ (ধরা) যৌথভাবে অংশ নেয়। সমাবেশ থেকে জড়িতদের দ্রত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ এবং আদিবাসী পানচাষিদের নিরাপত্তার নিশ্চয়তাসহ পাঁচ দফা দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধন শেষে একটি প্রতিবাদী মিছিল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যায় এবং জেলা প্রশাসক বরাবর পাঁচ দফা দাবি সংবলিত স্মারকলিপি তুলে দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম মৌলভীবাজার জেলা শাখার সভাপতি ফ্লোরা বাবলি তালাংয়ের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) সিলেটের সদস্যসচিব আব্দুল করিম কিম, ভয়েস অব রিভার মনুর প্রধান নির্বাহী এএসএম ছালেহ সুহেল, বৃহত্তর সিলেট আদিবাসী অধিকার সুরক্ষা নাগরিক কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট ডাডলি ডেরিক প্রেন্টিস, সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আবুল হাসান, বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পংকজ কন্দ ও খাসি স্টুডেন্ট ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক লান্ছার তংপেরসহ স্থানীয় সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, ফলবান পানগাছ কেটে দেওয়া একটি চরম নিন্দনীয় ও জঘন্য অপরাধ। এতে আদিবাসী পরিবারগুলোর দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ধ্বংস হয়ে গেছে। অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না দিলে আদিবাসীদের জীবন-জীবিকা আরও চরম হুমকির মুখে পড়বে।
উল্লেখ্য, গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে নার্সারিপুঞ্জিতে এ ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তরা ১০টি খাসিয়া ও গারো পরিবারের জুমের ৮ হাজারের বেশি পানগাছ কেটে ফেলে রেখে যায়, যার আনুমানিক আর্থিক ক্ষতি প্রায় ৫০ লাখ টাকা।

আপনার মতামত লিখুন