সংবাদ

মকতবে পড়তে যাওয়া শিশুশিক্ষার্থীকে ধর্ষণ, রায় দিল আদালত


প্রতিনিধি, জামালপুর
প্রতিনিধি, জামালপুর
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২৮ পিএম

মকতবে পড়তে যাওয়া শিশুশিক্ষার্থীকে ধর্ষণ, রায় দিল আদালত
২০২০ সালের চাঞ্চল্যকর এই মামলায় দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া শেষে আজ রায় ঘোষণা করল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। ছবি : সংবাদ

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে মসজিদের মকতবে আরবি পড়তে যাওয়া এক শিশুশিক্ষার্থীকে ধর্ষণের দায়ে মুছা মিয়া ওরফে মুছা হুজুর নামের এক ইমামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মুছা মিয়া (২৭) গাইবান্ধার ফুলছড়ি থানার হরিচণ্ডী গ্রামের মো. মনিরুল ইসলামের ছেলে। তিনি দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ী মণ্ডলপাড়া এলাকার একটি জামে মসজিদে ইমামতি করার পাশাপাশি শিশুদের আরবি পড়াতেন।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০২০ সালের ২৮ নভেম্বর ওই মসজিদে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। সে সময় ভুক্তভোগী শিশুটির বয়স ছিল ১৫ বছর এবং সে নিয়মিত ওই মসজিদে আরবি পড়তে যেত। অন্যান্য শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে শিশুটিকে কৌশলে মসজিদে আটকে রেখে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করাতেন মুছা মিয়া। এই সুযোগে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তিনি শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে ১ ও ২ ডিসেম্বরও একই কায়দায় ধর্ষণের ঘটনা ঘটে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

ভুক্তভোগীর অস্বাভাবিক আচরণ লক্ষ করে তার পরিবার জিজ্ঞাসাবাদ করলে পুরো ঘটনাটি প্রকাশ পায়। এরপর ২০২০ সালের ৮ ডিসেম্বর শিশুটির মা বাদী হয়ে দেওয়ানগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক জানান, আদালতে দীর্ঘ শুনানির পর উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। ফলশ্রুতিতে আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আদালতের এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষ।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬


মকতবে পড়তে যাওয়া শিশুশিক্ষার্থীকে ধর্ষণ, রায় দিল আদালত

প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে মসজিদের মকতবে আরবি পড়তে যাওয়া এক শিশুশিক্ষার্থীকে ধর্ষণের দায়ে মুছা মিয়া ওরফে মুছা হুজুর নামের এক ইমামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মুছা মিয়া (২৭) গাইবান্ধার ফুলছড়ি থানার হরিচণ্ডী গ্রামের মো. মনিরুল ইসলামের ছেলে। তিনি দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ী মণ্ডলপাড়া এলাকার একটি জামে মসজিদে ইমামতি করার পাশাপাশি শিশুদের আরবি পড়াতেন।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০২০ সালের ২৮ নভেম্বর ওই মসজিদে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। সে সময় ভুক্তভোগী শিশুটির বয়স ছিল ১৫ বছর এবং সে নিয়মিত ওই মসজিদে আরবি পড়তে যেত। অন্যান্য শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে শিশুটিকে কৌশলে মসজিদে আটকে রেখে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করাতেন মুছা মিয়া। এই সুযোগে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তিনি শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে ১ ও ২ ডিসেম্বরও একই কায়দায় ধর্ষণের ঘটনা ঘটে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

ভুক্তভোগীর অস্বাভাবিক আচরণ লক্ষ করে তার পরিবার জিজ্ঞাসাবাদ করলে পুরো ঘটনাটি প্রকাশ পায়। এরপর ২০২০ সালের ৮ ডিসেম্বর শিশুটির মা বাদী হয়ে দেওয়ানগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক জানান, আদালতে দীর্ঘ শুনানির পর উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। ফলশ্রুতিতে আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আদালতের এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষ।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত