বিদেশি পর্যটক ও ক্রেতাদের কাছ থেকে আন্তর্জাতিক কার্ডের মাধ্যমে উপার্জিত বৈদেশিক মুদ্রার সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ নিজেদের ফরেন কারেন্সি বা এফসি হিসাবে জমা রাখতে পারবে দেশের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
হোটেল, রিসোর্ট, রেস্তোরাঁ ও শপিংমলসহ পর্যটন খাতের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো এই সুবিধা পাবে। বাকি অর্থ বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী অবিলম্বে দেশীয় মুদ্রা টাকায় নগদায়ন করতে হবে। রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ (এফইপিডি) থেকে এ সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ সার্কুলার জারি করে দেশের সব অনুমোদিত ডিলার বা এডি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী ও শাখাগুলোতে পাঠানো হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন সার্কুলার অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক কার্ড কিংবা অনুমোদিত যেকোনো পেমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে বিদেশি পর্যটক ও আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে পণ্য এবং সেবা বিক্রির বিপরীতে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের এফসি হিসাবে জমা রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে এই নির্ধারিত সীমার অতিরিক্ত অর্থ নিয়ম অনুযায়ী প্রচলিত উপায়ে টাকায় রূপান্তর করা বাধ্যতামূলক থাকবে।
জমা রাখা এই বৈদেশিক মুদ্রার ব্যবহার সম্পর্কে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে, এফসি হিসাবে জমা অর্থ পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক কার্ডের মাধ্যমে যেকোনো বৈধ আন্তর্জাতিক লেনদেন সম্পন্ন করতে ব্যবহার করা যাবে। এর পাশাপাশি বিদেশি কেনাকাটা বা সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ভ্যালু অ্যাডেড ট্যাক্স বা ভ্যাট এবং প্রয়োজনীয় কর পরিশোধের কাজেও এই অর্থ ব্যবহারের অনুমতি থাকবে।
সার্কুলারে আরও উল্লেখ করা হয়, আন্তর্জাতিক কার্ড গ্রহণের জন্য উপযুক্ত অবকাঠামো ও প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা রাখার পাশাপাশি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ সংক্রান্ত আইন এবং কেওয়াইসি বা গ্রাহক পরিচিতি সম্পর্কিত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্বিক নির্দেশনা যথাযথভাবে পরিপালন করতে হবে। কোনোভাবেই যেন অবৈধ আর্থিক লেনদেন না ঘটে সেদিকে বিশেষ নজর রাখতে বলা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক আশা প্রকাশ করে জানায়, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই সময়োপযোগী উদ্যোগের ফলে বিদেশি পর্যটক ও ক্রেতাদের কাছ থেকে আন্তর্জাতিক নিয়মে বৈদেশিক মুদ্রা গ্রহণ করা এবং পরবর্তীতে সেই অর্থ দিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারের নানা বৈধ লেনদেন পরিচালনা করা পূর্বের তুলনায় অনেক বেশি সহজ ও গতিশীল হবে। এর ফলে দেশের সামগ্রিক পর্যটন খাত ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য খাত উল্লেখযোগ্যভাবে উপকৃত হবে বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা।

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬
বিদেশি পর্যটক ও ক্রেতাদের কাছ থেকে আন্তর্জাতিক কার্ডের মাধ্যমে উপার্জিত বৈদেশিক মুদ্রার সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ নিজেদের ফরেন কারেন্সি বা এফসি হিসাবে জমা রাখতে পারবে দেশের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
হোটেল, রিসোর্ট, রেস্তোরাঁ ও শপিংমলসহ পর্যটন খাতের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো এই সুবিধা পাবে। বাকি অর্থ বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী অবিলম্বে দেশীয় মুদ্রা টাকায় নগদায়ন করতে হবে। রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ (এফইপিডি) থেকে এ সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ সার্কুলার জারি করে দেশের সব অনুমোদিত ডিলার বা এডি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী ও শাখাগুলোতে পাঠানো হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন সার্কুলার অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক কার্ড কিংবা অনুমোদিত যেকোনো পেমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে বিদেশি পর্যটক ও আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে পণ্য এবং সেবা বিক্রির বিপরীতে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের এফসি হিসাবে জমা রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে এই নির্ধারিত সীমার অতিরিক্ত অর্থ নিয়ম অনুযায়ী প্রচলিত উপায়ে টাকায় রূপান্তর করা বাধ্যতামূলক থাকবে।
জমা রাখা এই বৈদেশিক মুদ্রার ব্যবহার সম্পর্কে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে, এফসি হিসাবে জমা অর্থ পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক কার্ডের মাধ্যমে যেকোনো বৈধ আন্তর্জাতিক লেনদেন সম্পন্ন করতে ব্যবহার করা যাবে। এর পাশাপাশি বিদেশি কেনাকাটা বা সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ভ্যালু অ্যাডেড ট্যাক্স বা ভ্যাট এবং প্রয়োজনীয় কর পরিশোধের কাজেও এই অর্থ ব্যবহারের অনুমতি থাকবে।
সার্কুলারে আরও উল্লেখ করা হয়, আন্তর্জাতিক কার্ড গ্রহণের জন্য উপযুক্ত অবকাঠামো ও প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা রাখার পাশাপাশি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ সংক্রান্ত আইন এবং কেওয়াইসি বা গ্রাহক পরিচিতি সম্পর্কিত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্বিক নির্দেশনা যথাযথভাবে পরিপালন করতে হবে। কোনোভাবেই যেন অবৈধ আর্থিক লেনদেন না ঘটে সেদিকে বিশেষ নজর রাখতে বলা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক আশা প্রকাশ করে জানায়, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই সময়োপযোগী উদ্যোগের ফলে বিদেশি পর্যটক ও ক্রেতাদের কাছ থেকে আন্তর্জাতিক নিয়মে বৈদেশিক মুদ্রা গ্রহণ করা এবং পরবর্তীতে সেই অর্থ দিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারের নানা বৈধ লেনদেন পরিচালনা করা পূর্বের তুলনায় অনেক বেশি সহজ ও গতিশীল হবে। এর ফলে দেশের সামগ্রিক পর্যটন খাত ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য খাত উল্লেখযোগ্যভাবে উপকৃত হবে বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন