বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো রেমিট্যান্স প্রবাহে গতিশীল ধারা অব্যাহত রয়েছে। চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম ২৪ দিনেই দেশে এসেছে ২১৩ কোটি ৭০ লাখ বা ২.১৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ রেমিট্যান্স।
দেশীয় মুদ্রায় প্রতি ডলারের বিনিময় হার ১২৩ টাকা হিসাবে এর পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২৪ হাজার ২৮৫ কোটি ১০ লাখ টাকা। রবিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান আনুষ্ঠানিকভাবে এ সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আগের মাস অর্থাৎ সেপ্টেম্বরের একই সময়ে রেমিট্যান্স আসার পরিমাণ ছিল ২০০ কোটি ২০ লাখ ডলার। এছাড়া গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এবার প্রায় ১৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার বা ৬.৭ শতাংশ বেশি রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারের নানা চ্যালেঞ্জ সত্ত্বে প্রবাসীরা বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠাতে আগের চেয়ে অনেক বেশি উৎসাহিত হচ্ছেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।
অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের হিসাব বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, গত ১ জুলাই থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে মোট ১০৭২ কোটি ৯০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় এসেছিল ৯৫৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার।
সেই হিসাবে দেখা যাচ্ছে, গত বছরের তুলনায় চলতি অর্থবছরের নির্দিষ্ট সময়ে রেমিট্যান্স প্রাপ্তির হার আশাব্যাঞ্জকভাবে ১১.৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
এর আগে বিদায়ী সেপ্টেম্বর মাসের পুরো সময়ে দেশে মোট ২৭৬ কোটি ৬০ লাখ ডলারের রেকর্ড রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় এসেছিল। আর চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ ছিল ২৮৫ কোটি ৮৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার। তার পরবর্তী মাস আগস্টে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন ২৯৬ কোটি ৬৬ লাখ ৮০ হাজার ডলার।
বার্ষিক চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের পুরো সময়জুড়ে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩৫.৫৮ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স। তার আগের বছর অর্থাৎ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩০.৩২ বিলিয়ন ডলার। ধারাবাহিক এই বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হচ্ছে এবং জাতীয় অর্থনীতিতেও অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা পালন করছে।

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো রেমিট্যান্স প্রবাহে গতিশীল ধারা অব্যাহত রয়েছে। চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম ২৪ দিনেই দেশে এসেছে ২১৩ কোটি ৭০ লাখ বা ২.১৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ রেমিট্যান্স।
দেশীয় মুদ্রায় প্রতি ডলারের বিনিময় হার ১২৩ টাকা হিসাবে এর পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২৪ হাজার ২৮৫ কোটি ১০ লাখ টাকা। রবিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান আনুষ্ঠানিকভাবে এ সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আগের মাস অর্থাৎ সেপ্টেম্বরের একই সময়ে রেমিট্যান্স আসার পরিমাণ ছিল ২০০ কোটি ২০ লাখ ডলার। এছাড়া গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এবার প্রায় ১৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার বা ৬.৭ শতাংশ বেশি রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারের নানা চ্যালেঞ্জ সত্ত্বে প্রবাসীরা বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠাতে আগের চেয়ে অনেক বেশি উৎসাহিত হচ্ছেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।
অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের হিসাব বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, গত ১ জুলাই থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে মোট ১০৭২ কোটি ৯০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় এসেছিল ৯৫৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার।
সেই হিসাবে দেখা যাচ্ছে, গত বছরের তুলনায় চলতি অর্থবছরের নির্দিষ্ট সময়ে রেমিট্যান্স প্রাপ্তির হার আশাব্যাঞ্জকভাবে ১১.৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
এর আগে বিদায়ী সেপ্টেম্বর মাসের পুরো সময়ে দেশে মোট ২৭৬ কোটি ৬০ লাখ ডলারের রেকর্ড রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় এসেছিল। আর চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ ছিল ২৮৫ কোটি ৮৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার। তার পরবর্তী মাস আগস্টে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন ২৯৬ কোটি ৬৬ লাখ ৮০ হাজার ডলার।
বার্ষিক চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের পুরো সময়জুড়ে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩৫.৫৮ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স। তার আগের বছর অর্থাৎ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩০.৩২ বিলিয়ন ডলার। ধারাবাহিক এই বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হচ্ছে এবং জাতীয় অর্থনীতিতেও অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা পালন করছে।

আপনার মতামত লিখুন