সংবাদ

নির্মাণকাজে খরচ বাড়ছে, বাড়ছে উপকরণের দাম


সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
প্রকাশ: ৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৯ এএম

নির্মাণকাজে খরচ বাড়ছে, বাড়ছে উপকরণের দাম
ছবি : সংগৃহীত

বাড়ি নির্মাণের পরিকল্পনা করছেন বা নির্মাণকাজ শুরু করেছেন—এমন ক্রেতাদের জন্য রাজধানীর বাজারে নির্মাণসামগ্রীর সর্বশেষ দরদাম তুলে ধরা হয়েছে। রড, সিমেন্ট, ইট ও বালুর দাম সম্পর্কে ধারণা থাকলে দরদাম করে সাশ্রয়ী মূল্যে উপকরণ সংগ্রহ করা সম্ভব।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, নির্মাণকাজের ভরা মৌসুম শুরু হওয়ায় বাজারে প্রায় প্রতি সপ্তাহেই বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রীর দাম বাড়ছে।

বিশেষ করে রড ও স্টিলজাত পণ্যের দাম তুলনামূলক বেশি; জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবও পড়েছে এসব পণ্যের বাজারে।

রোববার (৮ নভেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে প্রতি টন রড বিক্রি হচ্ছে ৮৬ হাজার থেকে ৯০ হাজার টাকার মধ্যে। দোকান ও কোম্পানিভেদে দরদাম করে এক থেকে দুই হাজার টাকা কমে কেনার সুযোগ রয়েছে। প্রতি টন অ্যাঙ্গেল বিক্রি হচ্ছে ৯০ হাজার থেকে ৯৮ হাজার টাকায়; কোম্পানিভেদে ও দরদাম করে কোনো কোনো দোকানে ৮৮ থেকে ৮৯ হাজার টাকাতেও পাওয়া যাচ্ছে।

সিমেন্টের প্রতি ব্যাগের দাম ৫২০ থেকে ৫৬০ টাকা। কোনো কোনো দোকানে ৫১০ থেকে ৫১৫ টাকায়ও সিমেন্ট পাওয়া যাচ্ছে। তুলনামূলক ভালো মানের ও জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের সিমেন্টে প্রতি ব্যাগে ৫৫০ থেকে ৫৬০ টাকা খরচ করতে হচ্ছে।

বাজারে ভালো মানের এক নম্বর ইট প্রতি হাজার বিক্রি হচ্ছে ১৩ হাজার থেকে ১৪ হাজার টাকায়; দরদাম করে সাড়ে ১৩ হাজার টাকার মধ্যেও এক হাজার ইট কেনা যাচ্ছে। সে হিসাবে প্রতি পিস এক নম্বর ইটের দাম পড়ছে ১৩ থেকে ১৪ টাকা। তুলনামূলক নিম্নমানের দুই নম্বর ইট বিক্রি হচ্ছে প্রতি পিস প্রায় ১২ টাকায়।

রাজধানীর খুচরা বাজারে মোটা আস্তরের বালু প্রতি ঘনফুট বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকায়; বালুর সঙ্গে দেওয়া বস্তা ফেরত দিলে প্রতি ঘনফুটের দাম রাখা হচ্ছে ৩০ টাকা। পাকশি বালুর দাম তুলনামূলক বেশি-প্রতি ঘনফুট ৫৫ থেকে ৬০ টাকা। এ ছাড়া ভরাটের বালু প্রতি বস্তা বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকায়।

নির্মাণসামগ্রীর দাম বৃদ্ধির বিষয়ে আল্লাহর দান ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী আমিনুল ইসলাম বলেন, এখন নির্মাণকাজের মৌসুম চলছে। পুরো শীতকাল এবং বর্ষা শুরুর আগপর্যন্ত নির্মাণকাজের ব্যস্ততা থাকবে। এ কারণে ধীরে ধীরে নির্মাণসামগ্রীর দাম বাড়ছে।

একই কথা জানান আলভী ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী ফারুক। তিনি বলেন, নির্মাণ মৌসুম হওয়ায় গত মাসের তুলনায় এখন একই পণ্য বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। প্রায় প্রতি সপ্তাহেই দাম বাড়ছে। বিশেষ করে রড ও স্টিলজাত সামগ্রীর দাম বেশ চড়া। জ্বালানির দাম বাড়ায় এসব পণ্যের উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় বেড়েছে; ফলে নির্মাণসামগ্রীর বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬


নির্মাণকাজে খরচ বাড়ছে, বাড়ছে উপকরণের দাম

প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

বাড়ি নির্মাণের পরিকল্পনা করছেন বা নির্মাণকাজ শুরু করেছেন—এমন ক্রেতাদের জন্য রাজধানীর বাজারে নির্মাণসামগ্রীর সর্বশেষ দরদাম তুলে ধরা হয়েছে। রড, সিমেন্ট, ইট ও বালুর দাম সম্পর্কে ধারণা থাকলে দরদাম করে সাশ্রয়ী মূল্যে উপকরণ সংগ্রহ করা সম্ভব।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, নির্মাণকাজের ভরা মৌসুম শুরু হওয়ায় বাজারে প্রায় প্রতি সপ্তাহেই বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রীর দাম বাড়ছে।

বিশেষ করে রড ও স্টিলজাত পণ্যের দাম তুলনামূলক বেশি; জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবও পড়েছে এসব পণ্যের বাজারে।

রোববার (৮ নভেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে প্রতি টন রড বিক্রি হচ্ছে ৮৬ হাজার থেকে ৯০ হাজার টাকার মধ্যে। দোকান ও কোম্পানিভেদে দরদাম করে এক থেকে দুই হাজার টাকা কমে কেনার সুযোগ রয়েছে। প্রতি টন অ্যাঙ্গেল বিক্রি হচ্ছে ৯০ হাজার থেকে ৯৮ হাজার টাকায়; কোম্পানিভেদে ও দরদাম করে কোনো কোনো দোকানে ৮৮ থেকে ৮৯ হাজার টাকাতেও পাওয়া যাচ্ছে।

সিমেন্টের প্রতি ব্যাগের দাম ৫২০ থেকে ৫৬০ টাকা। কোনো কোনো দোকানে ৫১০ থেকে ৫১৫ টাকায়ও সিমেন্ট পাওয়া যাচ্ছে। তুলনামূলক ভালো মানের ও জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের সিমেন্টে প্রতি ব্যাগে ৫৫০ থেকে ৫৬০ টাকা খরচ করতে হচ্ছে।

বাজারে ভালো মানের এক নম্বর ইট প্রতি হাজার বিক্রি হচ্ছে ১৩ হাজার থেকে ১৪ হাজার টাকায়; দরদাম করে সাড়ে ১৩ হাজার টাকার মধ্যেও এক হাজার ইট কেনা যাচ্ছে। সে হিসাবে প্রতি পিস এক নম্বর ইটের দাম পড়ছে ১৩ থেকে ১৪ টাকা। তুলনামূলক নিম্নমানের দুই নম্বর ইট বিক্রি হচ্ছে প্রতি পিস প্রায় ১২ টাকায়।

রাজধানীর খুচরা বাজারে মোটা আস্তরের বালু প্রতি ঘনফুট বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকায়; বালুর সঙ্গে দেওয়া বস্তা ফেরত দিলে প্রতি ঘনফুটের দাম রাখা হচ্ছে ৩০ টাকা। পাকশি বালুর দাম তুলনামূলক বেশি-প্রতি ঘনফুট ৫৫ থেকে ৬০ টাকা। এ ছাড়া ভরাটের বালু প্রতি বস্তা বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকায়।

নির্মাণসামগ্রীর দাম বৃদ্ধির বিষয়ে আল্লাহর দান ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী আমিনুল ইসলাম বলেন, এখন নির্মাণকাজের মৌসুম চলছে। পুরো শীতকাল এবং বর্ষা শুরুর আগপর্যন্ত নির্মাণকাজের ব্যস্ততা থাকবে। এ কারণে ধীরে ধীরে নির্মাণসামগ্রীর দাম বাড়ছে।

একই কথা জানান আলভী ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী ফারুক। তিনি বলেন, নির্মাণ মৌসুম হওয়ায় গত মাসের তুলনায় এখন একই পণ্য বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। প্রায় প্রতি সপ্তাহেই দাম বাড়ছে। বিশেষ করে রড ও স্টিলজাত সামগ্রীর দাম বেশ চড়া। জ্বালানির দাম বাড়ায় এসব পণ্যের উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় বেড়েছে; ফলে নির্মাণসামগ্রীর বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত