জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির সমাবেশ ও শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে রাজধানীর মালিবাগ থেকে কাকরাইল পর্যন্ত তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। কয়েকশ যানবাহন ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ যাত্রী ও চালকরা।
শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে সরেজমিনে মালিবাগ থেকে কাকরাইল সড়কে এমন চিত্র দেখা যায়। দীর্ঘ সময় ধরে যানবাহন আটকে থাকায় অনেক যাত্রী বাস থেকে নেমে হেঁটে গন্তব্যের দিকে এগোচ্ছেন। ব্যক্তিগত গাড়ি, গণপরিবহন ও রিকশা—সব ধরনের যানবাহনই যানজটে আটকা পড়েছে।
যাত্রীদের অভিযোগ, রাজনৈতিক কর্মসূচির কারণে সাধারণ মানুষের চলাচল মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। দীর্ঘ সময় যানবাহনে আটকে থাকায় তারা নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন না। বিশেষ করে কর্মস্থল ও জরুরি কাজে বের হওয়া মানুষ সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন।
উত্তরা থেকে টিকাটুলী যাওয়ার উদ্দেশে বের হওয়া এক যাত্রী জানান, প্রায় এক থেকে দেড় ঘণ্টা ধরে যানজটে আটকে আছেন। কোনো দিকেই যেতে পারছেন না।
তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর বিএনপি এই আয়োজন করছে, এটা ঠিক আছে। তারা চাইলে খোলা মাঠে সমাবেশ করতে পারত। তাহলে যাত্রীদের এত দুর্ভোগে পড়তে হতো না। ’
অনেকের বক্তব্য, তাদের দলীয় কার্যালয় রাস্তার পাশে হওয়ায় সেখানে সমাবেশ করতে গিয়ে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। এ ধরনের আয়োজনের ক্ষেত্রে আরও পরিকল্পিতভাবে কাজ করা প্রয়োজন ছিল।’
এক রিকশাচালক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘মামা, সামনেও যেতে পারছি না, পেছনেও যেতে পারছি না। অনেকক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে আছি।’
রামপুরা থেকে আসা আরেক যাত্রী বলেন, ‘কোনো মাঠে সমাবেশ করলে কি কোনো সমস্যা হতো? এভাবে কতক্ষণ থাকা যায়? বাস থেকে নেমে এখন হেঁটে যাওয়ার কথা ভাবছি।’

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির সমাবেশ ও শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে রাজধানীর মালিবাগ থেকে কাকরাইল পর্যন্ত তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। কয়েকশ যানবাহন ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ যাত্রী ও চালকরা।
শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে সরেজমিনে মালিবাগ থেকে কাকরাইল সড়কে এমন চিত্র দেখা যায়। দীর্ঘ সময় ধরে যানবাহন আটকে থাকায় অনেক যাত্রী বাস থেকে নেমে হেঁটে গন্তব্যের দিকে এগোচ্ছেন। ব্যক্তিগত গাড়ি, গণপরিবহন ও রিকশা—সব ধরনের যানবাহনই যানজটে আটকা পড়েছে।
যাত্রীদের অভিযোগ, রাজনৈতিক কর্মসূচির কারণে সাধারণ মানুষের চলাচল মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। দীর্ঘ সময় যানবাহনে আটকে থাকায় তারা নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন না। বিশেষ করে কর্মস্থল ও জরুরি কাজে বের হওয়া মানুষ সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন।
উত্তরা থেকে টিকাটুলী যাওয়ার উদ্দেশে বের হওয়া এক যাত্রী জানান, প্রায় এক থেকে দেড় ঘণ্টা ধরে যানজটে আটকে আছেন। কোনো দিকেই যেতে পারছেন না।
তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর বিএনপি এই আয়োজন করছে, এটা ঠিক আছে। তারা চাইলে খোলা মাঠে সমাবেশ করতে পারত। তাহলে যাত্রীদের এত দুর্ভোগে পড়তে হতো না। ’
অনেকের বক্তব্য, তাদের দলীয় কার্যালয় রাস্তার পাশে হওয়ায় সেখানে সমাবেশ করতে গিয়ে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। এ ধরনের আয়োজনের ক্ষেত্রে আরও পরিকল্পিতভাবে কাজ করা প্রয়োজন ছিল।’
এক রিকশাচালক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘মামা, সামনেও যেতে পারছি না, পেছনেও যেতে পারছি না। অনেকক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে আছি।’
রামপুরা থেকে আসা আরেক যাত্রী বলেন, ‘কোনো মাঠে সমাবেশ করলে কি কোনো সমস্যা হতো? এভাবে কতক্ষণ থাকা যায়? বাস থেকে নেমে এখন হেঁটে যাওয়ার কথা ভাবছি।’

আপনার মতামত লিখুন