দেশে হাম পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে আশঙ্কাজনকভাবে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ৬ জন সন্দেহজনক এবং ২ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত ছিল। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০৬ জনে।
মৃতদের
মধ্যে ১৭২ জন সন্দেহজনক
এবং ৩৪ জন নিশ্চিত
হাম রোগী হিসেবে শনাক্ত
হয়েছে। মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে দেশের বর্তমান
হাম পরিস্থিতি নিয়ে এসব উদ্বেগজনক
তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য
অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায়
নতুন করে আরও ১
হাজার ২৮৩ জন শিশু
হামে আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে সন্দেহজনক
রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৯১
এবং নিশ্চিত রোগী ৯২ জন।
সব মিলিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত
মোট হাম রোগীর সংখ্যা
দাঁড়িয়েছে ২৩ হাজার ৪১৭
জনে। আক্রান্তদের মধ্যে ২০ হাজার ৩৫২
জন সন্দেহজনক এবং ৩ হাজার
৬৫ জন নিশ্চিতভাবে হামে
আক্রান্ত বলে শনাক্ত করা
হয়েছে।
বিভাগ
ভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা
যায়, গত ২৪ ঘণ্টায়
ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৪৯৬ জন এবং
রাজশাহী বিভাগে ২০৭ জন শিশু
আক্রান্ত হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম, বরিশাল, খুলনা ও সিলেটসহ অন্যান্য
বিভাগেও রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।
হাম
প্রতিরোধে দেশজুড়ে টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে। স্বাস্থ্য
অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. জাহিদ
রায়হান জানিয়েছেন, দেশের ৬টি বিভাগে নির্ধারিত
লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ইতিমধ্যে ১১ লাখ ৩১
হাজার ১২৮ জন শিশুকে
টিকা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ৪টি সিটি করপোরেশনে
৩ লাখ ৯ হাজার
৪৪৮ জন শিশুকে টিকার
আওতায় আনা হয়েছে। বিশেষ
করে ঢাকা উত্তর ও
দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে টিকাদান
কার্যক্রম দ্রুত গতিতে চলছে। ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনে লক্ষ্যমাত্রার
চেয়েও বেশি টিকা দেওয়া
হয়েছে বলে পরিসংখ্যানে উঠে
এসেছে।
স্বাস্থ্য
বিভাগ সূত্রে আরও জানা গেছে,
রংপুর ও সিলেট বিভাগসহ
দেশের অন্যান্য অবশিষ্ট উপজেলা, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনগুলোতে
আগামী ২০ এপ্রিল থেকে
হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে। পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে সর্বোচ্চ সতর্কতা
অবলম্বন করা হচ্ছে এবং
শিশুদের দ্রুত টিকার আওতায় আনার জন্য অভিভাবকদের
প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। বর্তমানে দেশে যে পরিস্থিতি
বিরাজ করছে, তা মোকাবিলায় টিকাদানই
একমাত্র কার্যকর পথ বলে মনে
করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬
দেশে হাম পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে আশঙ্কাজনকভাবে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ৬ জন সন্দেহজনক এবং ২ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত ছিল। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০৬ জনে।
মৃতদের
মধ্যে ১৭২ জন সন্দেহজনক
এবং ৩৪ জন নিশ্চিত
হাম রোগী হিসেবে শনাক্ত
হয়েছে। মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে দেশের বর্তমান
হাম পরিস্থিতি নিয়ে এসব উদ্বেগজনক
তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য
অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায়
নতুন করে আরও ১
হাজার ২৮৩ জন শিশু
হামে আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে সন্দেহজনক
রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৯১
এবং নিশ্চিত রোগী ৯২ জন।
সব মিলিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত
মোট হাম রোগীর সংখ্যা
দাঁড়িয়েছে ২৩ হাজার ৪১৭
জনে। আক্রান্তদের মধ্যে ২০ হাজার ৩৫২
জন সন্দেহজনক এবং ৩ হাজার
৬৫ জন নিশ্চিতভাবে হামে
আক্রান্ত বলে শনাক্ত করা
হয়েছে।
বিভাগ
ভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা
যায়, গত ২৪ ঘণ্টায়
ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৪৯৬ জন এবং
রাজশাহী বিভাগে ২০৭ জন শিশু
আক্রান্ত হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম, বরিশাল, খুলনা ও সিলেটসহ অন্যান্য
বিভাগেও রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।
হাম
প্রতিরোধে দেশজুড়ে টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে। স্বাস্থ্য
অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. জাহিদ
রায়হান জানিয়েছেন, দেশের ৬টি বিভাগে নির্ধারিত
লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ইতিমধ্যে ১১ লাখ ৩১
হাজার ১২৮ জন শিশুকে
টিকা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ৪টি সিটি করপোরেশনে
৩ লাখ ৯ হাজার
৪৪৮ জন শিশুকে টিকার
আওতায় আনা হয়েছে। বিশেষ
করে ঢাকা উত্তর ও
দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে টিকাদান
কার্যক্রম দ্রুত গতিতে চলছে। ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনে লক্ষ্যমাত্রার
চেয়েও বেশি টিকা দেওয়া
হয়েছে বলে পরিসংখ্যানে উঠে
এসেছে।
স্বাস্থ্য
বিভাগ সূত্রে আরও জানা গেছে,
রংপুর ও সিলেট বিভাগসহ
দেশের অন্যান্য অবশিষ্ট উপজেলা, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনগুলোতে
আগামী ২০ এপ্রিল থেকে
হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে। পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে সর্বোচ্চ সতর্কতা
অবলম্বন করা হচ্ছে এবং
শিশুদের দ্রুত টিকার আওতায় আনার জন্য অভিভাবকদের
প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। বর্তমানে দেশে যে পরিস্থিতি
বিরাজ করছে, তা মোকাবিলায় টিকাদানই
একমাত্র কার্যকর পথ বলে মনে
করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন