বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ করেছে স্বনামধন্য সাময়িকী টাইম ম্যাগাজিন। ২০২৬ সালের এই তালিকায় বিশ্বনেতা ও নীতিনির্ধারকদের বিভাগে স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমান।
তালিকায়
তার সঙ্গে রয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ইসরায়েলের
প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং কানাডার প্রধানমন্ত্রী
মার্ক কার্নিসহ বিশ্বের আরও শীর্ষস্থানীয় নেতারা।
টাইমের এই স্বীকৃতি তারেক রহমানকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এক নতুন উচ্চতায়
নিয়ে গিয়েছে বলে মনে করছেন
বিশ্লেষকরা।
টাইম
ম্যাগাজিন তারেক রহমানের রাজনৈতিক জীবনের নাটকীয় পটপরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে
লিখেছে, মাত্র কয়েক মাস আগেও
তিনি লন্ডনের নির্বাসিত এক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব
ছিলেন। কিন্তু ২০২৪ সালে স্বৈরশাসক
শেখ হাসিনার পতন বাংলাদেশের রাজনৈতিক
সমীকরণ পুরোপুরি বদলে দেয়। দীর্ঘ
১৭ বছর দেশের বাইরে
থাকার পর ২০২৪ সালের
নির্বাচনে ভূমিধস বিজয়ের মাধ্যমে তারেক রহমান দেশের নেতৃত্বের কেন্দ্রীয় চরিত্রে আসীন হন।
সাময়িকীটি
আরও উল্লেখ করেছে, এই বিজয় তাকে
তার পরিবারের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের ধারায় ফিরিয়ে এনেছে, যার সূচনা করেছিলেন
তার মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী
খালেদা জিয়া।
দেশের
ক্রান্তিলগ্নে দায়িত্ব নেওয়া এই নেতা বর্তমানে
একাধিক চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করছেন। দেশের উচ্চ মূল্যস্ফীতি, তরুণদের
বেকারত্ব এবং প্রতিবেশী ভারতের
সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন কাটিয়ে ওঠা তার সামনে
এখন বড় পরীক্ষা।
জানুয়ারিতে
টাইম ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি
তার ব্যক্তিগত শোক এবং দেশের
মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার কথা তুলে ধরেছিলেন।
নিজের মায়ের মৃত্যু শোককে শক্তিতে রূপান্তর করার অঙ্গীকার ব্যক্ত
করে তিনি দেশের অর্থনীতিকে
পুনরুজ্জীবিত করার প্রত্যয় জানান।
দেশের
মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দিতে তারেক রহমান
ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ
করেছেন। তার দীর্ঘ সংগ্রামের
পর অর্জিত এই রাজনৈতিক অবস্থানকে
তিনি জনগণের কল্যাণে উৎসর্গ করতে চান।
সাক্ষাৎকারে
নিজের লক্ষ্য পরিষ্কার করে তিনি বলেন,
"আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে,
ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, যাতে
মানুষ তাদের রাজনৈতিক অধিকার ফিরে পায়।"

বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ করেছে স্বনামধন্য সাময়িকী টাইম ম্যাগাজিন। ২০২৬ সালের এই তালিকায় বিশ্বনেতা ও নীতিনির্ধারকদের বিভাগে স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমান।
তালিকায়
তার সঙ্গে রয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ইসরায়েলের
প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং কানাডার প্রধানমন্ত্রী
মার্ক কার্নিসহ বিশ্বের আরও শীর্ষস্থানীয় নেতারা।
টাইমের এই স্বীকৃতি তারেক রহমানকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এক নতুন উচ্চতায়
নিয়ে গিয়েছে বলে মনে করছেন
বিশ্লেষকরা।
টাইম
ম্যাগাজিন তারেক রহমানের রাজনৈতিক জীবনের নাটকীয় পটপরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে
লিখেছে, মাত্র কয়েক মাস আগেও
তিনি লন্ডনের নির্বাসিত এক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব
ছিলেন। কিন্তু ২০২৪ সালে স্বৈরশাসক
শেখ হাসিনার পতন বাংলাদেশের রাজনৈতিক
সমীকরণ পুরোপুরি বদলে দেয়। দীর্ঘ
১৭ বছর দেশের বাইরে
থাকার পর ২০২৪ সালের
নির্বাচনে ভূমিধস বিজয়ের মাধ্যমে তারেক রহমান দেশের নেতৃত্বের কেন্দ্রীয় চরিত্রে আসীন হন।
সাময়িকীটি
আরও উল্লেখ করেছে, এই বিজয় তাকে
তার পরিবারের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের ধারায় ফিরিয়ে এনেছে, যার সূচনা করেছিলেন
তার মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী
খালেদা জিয়া।
দেশের
ক্রান্তিলগ্নে দায়িত্ব নেওয়া এই নেতা বর্তমানে
একাধিক চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করছেন। দেশের উচ্চ মূল্যস্ফীতি, তরুণদের
বেকারত্ব এবং প্রতিবেশী ভারতের
সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন কাটিয়ে ওঠা তার সামনে
এখন বড় পরীক্ষা।
জানুয়ারিতে
টাইম ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি
তার ব্যক্তিগত শোক এবং দেশের
মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার কথা তুলে ধরেছিলেন।
নিজের মায়ের মৃত্যু শোককে শক্তিতে রূপান্তর করার অঙ্গীকার ব্যক্ত
করে তিনি দেশের অর্থনীতিকে
পুনরুজ্জীবিত করার প্রত্যয় জানান।
দেশের
মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দিতে তারেক রহমান
ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ
করেছেন। তার দীর্ঘ সংগ্রামের
পর অর্জিত এই রাজনৈতিক অবস্থানকে
তিনি জনগণের কল্যাণে উৎসর্গ করতে চান।
সাক্ষাৎকারে
নিজের লক্ষ্য পরিষ্কার করে তিনি বলেন,
"আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে,
ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, যাতে
মানুষ তাদের রাজনৈতিক অধিকার ফিরে পায়।"

আপনার মতামত লিখুন