দেশের বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে অর্গানিক শসা ও বেবি কর্ণ চাষের মাধ্যমে কৃষি অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা উন্মোচনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কৃষি প্রযুক্তিতে উন্নত দেশ নেদারল্যান্ডসের সক্রিয় সহযোগিতা ও বিনিয়োগ প্রত্যাশা করা হয়েছে।
রবিবার
সচিবালয়ে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের
সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত
নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বোমেল। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনার পাশাপাশি বাংলাদেশের কৃষিখাতে ডাচ প্রযুক্তির ব্যবহারের
ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সাক্ষাৎকালে
দেশের কৃষিখাতের সম্ভাবনা তুলে ধরে কৃষি
মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ
বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি মূলত কৃষির ওপর
দাঁড়িয়ে আছে। এ দেশের
মাটি অত্যন্ত উর্বর হওয়ায় এখানে সারা বছরই কোনো
না কোনো ফসল উৎপাদিত
হয়। নেদারল্যান্ডসও কৃষিতে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। ফলে দুই দেশের
মধ্যে কৃষিখাতে পারস্পরিক সহযোগিতার অনেক বড় সুযোগ
রয়েছে।
মন্ত্রী
বিশেষ করে পোল্ট্রি খাতসহ
দেশের সামগ্রিক কৃষি ও মৎস্য
সম্পদের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করেন।
তিনি স্পষ্টভাবে জানান, বেসরকারি পর্যায়ে রপ্তানিমুখী যেকোনো উদ্যোগকে বাংলাদেশ সরকার আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাবে।
চরাঞ্চলে
শসা ও বেবি কর্ণ
চাষের পরিকল্পনা সম্পর্কে মন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে জানান, বাংলাদেশের বিশাল চরাঞ্চল অর্গানিক চাষাবাদের জন্য অত্যন্ত উপযোগী।
সেখানে অর্গানিক শসা ও বেবি
কর্ণ চাষের বিশেষ পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে। নেদারল্যান্ডসের কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠান
যদি বাংলাদেশের স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথভাবে এখানে কাজ করতে চায়,
তবে সরকার তাদের সব ধরনের সহযোগিতা
প্রদান করবে। এতে করে দেশের
চরাঞ্চলের মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থার পরিবর্তনের পাশাপাশি বিদেশি মুদ্রা অর্জনের পথও সুগম হবে।
রাষ্ট্রদূত
জোরিস ভ্যান বোমেল বাংলাদেশের কৃষিখাতের প্রশংসা করে বলেন, নেদারল্যান্ডসও
বাংলাদেশের মতো একটি ডেল্টা
বা বদ্বীপ। ফলে দুই দেশের
ভৌগোলিক ও কৃষিগত অনেক
মিল রয়েছে। বাংলাদেশের কৃষিখাতে বিশেষ করে উন্নত মানের
বীজ সরবরাহ, কোল্ড চেইন রক্ষা, হর্টিকালচার
এবং অ্যাকুয়াকালচার খাতে কাজ করতে
নেদারল্যান্ডস খুবই আগ্রহী।
রাষ্ট্রদূত
আরও জানান, গ্রিন হাউস প্রযুক্তি সরবরাহসহ
কৃষি পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ ও
প্রটোকল সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে তারা বাংলাদেশকে কারিগরি
সহায়তা দিতে প্রস্তুত। দুই
দেশের এই সম্ভাব্য সহযোগিতা
বাংলাদেশের কৃষিকে আধুনিক ও বৈশ্বিক মানে
উন্নীত করতে সহায়ক হবে
বলে আশা প্রকাশ করা
হয়।

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
দেশের বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে অর্গানিক শসা ও বেবি কর্ণ চাষের মাধ্যমে কৃষি অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা উন্মোচনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কৃষি প্রযুক্তিতে উন্নত দেশ নেদারল্যান্ডসের সক্রিয় সহযোগিতা ও বিনিয়োগ প্রত্যাশা করা হয়েছে।
রবিবার
সচিবালয়ে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের
সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত
নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বোমেল। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনার পাশাপাশি বাংলাদেশের কৃষিখাতে ডাচ প্রযুক্তির ব্যবহারের
ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সাক্ষাৎকালে
দেশের কৃষিখাতের সম্ভাবনা তুলে ধরে কৃষি
মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ
বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি মূলত কৃষির ওপর
দাঁড়িয়ে আছে। এ দেশের
মাটি অত্যন্ত উর্বর হওয়ায় এখানে সারা বছরই কোনো
না কোনো ফসল উৎপাদিত
হয়। নেদারল্যান্ডসও কৃষিতে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। ফলে দুই দেশের
মধ্যে কৃষিখাতে পারস্পরিক সহযোগিতার অনেক বড় সুযোগ
রয়েছে।
মন্ত্রী
বিশেষ করে পোল্ট্রি খাতসহ
দেশের সামগ্রিক কৃষি ও মৎস্য
সম্পদের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করেন।
তিনি স্পষ্টভাবে জানান, বেসরকারি পর্যায়ে রপ্তানিমুখী যেকোনো উদ্যোগকে বাংলাদেশ সরকার আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাবে।
চরাঞ্চলে
শসা ও বেবি কর্ণ
চাষের পরিকল্পনা সম্পর্কে মন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে জানান, বাংলাদেশের বিশাল চরাঞ্চল অর্গানিক চাষাবাদের জন্য অত্যন্ত উপযোগী।
সেখানে অর্গানিক শসা ও বেবি
কর্ণ চাষের বিশেষ পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে। নেদারল্যান্ডসের কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠান
যদি বাংলাদেশের স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথভাবে এখানে কাজ করতে চায়,
তবে সরকার তাদের সব ধরনের সহযোগিতা
প্রদান করবে। এতে করে দেশের
চরাঞ্চলের মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থার পরিবর্তনের পাশাপাশি বিদেশি মুদ্রা অর্জনের পথও সুগম হবে।
রাষ্ট্রদূত
জোরিস ভ্যান বোমেল বাংলাদেশের কৃষিখাতের প্রশংসা করে বলেন, নেদারল্যান্ডসও
বাংলাদেশের মতো একটি ডেল্টা
বা বদ্বীপ। ফলে দুই দেশের
ভৌগোলিক ও কৃষিগত অনেক
মিল রয়েছে। বাংলাদেশের কৃষিখাতে বিশেষ করে উন্নত মানের
বীজ সরবরাহ, কোল্ড চেইন রক্ষা, হর্টিকালচার
এবং অ্যাকুয়াকালচার খাতে কাজ করতে
নেদারল্যান্ডস খুবই আগ্রহী।
রাষ্ট্রদূত
আরও জানান, গ্রিন হাউস প্রযুক্তি সরবরাহসহ
কৃষি পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ ও
প্রটোকল সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে তারা বাংলাদেশকে কারিগরি
সহায়তা দিতে প্রস্তুত। দুই
দেশের এই সম্ভাব্য সহযোগিতা
বাংলাদেশের কৃষিকে আধুনিক ও বৈশ্বিক মানে
উন্নীত করতে সহায়ক হবে
বলে আশা প্রকাশ করা
হয়।

আপনার মতামত লিখুন