দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য ব্যবসায়িক পরিবেশ আরও সহজ ও আধুনিক করার লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)। অনলাইন একক সেবা বা ওয়ান স্টপ সার্ভিস প্ল্যাটফর্মকে আরও শক্তিশালী করতে দেশের শীর্ষস্থানীয় পাঁচটি বেসরকারি ব্যাংকের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে সংস্থাটি। রোববার রাজধানীর বিডা সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়, যার মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা এখন থেকে এক জায়গা থেকেই ব্যাংকিং সংক্রান্ত জটিল সেবাগুলো দ্রুত সমাধান করতে পারবেন।
অনুষ্ঠানে
সভাপতির বক্তব্যে বিডার নির্বাহী সদস্য এয়ার কমোডর মো.
শাহারুল হুদা বলেন, বিনিয়োগকারীদের
দ্রুত, সহজ ও আধুনিক
সেবা নিশ্চিত করতে বিডা ধারাবাহিকভাবে
একক সেবা প্ল্যাটফর্মকে শক্তিশালী
করছে। এরই ধারাবাহিকতায় পাঁচটি
শীর্ষস্থানীয় ব্যাংককে এই প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে
যুক্ত করা হলো, যাতে
বিনিয়োগকারীরা এক জায়গা থেকেই
প্রয়োজনীয় ব্যাংকিং সেবা পেতে পারেন।
এই নতুন উদ্যোগের ফলে
ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরুর ক্ষেত্রে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা অনেকটাই কমে আসবে বলে
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
চুক্তি
অনুযায়ী ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক (এনসিসি), ওয়ান ব্যাংক, ইউনাইটেড
কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি), সীমান্ত ব্যাংক এবং আল-আরাফাহ
ইসলামী ব্যাংক এখন থেকে বিডার
অনলাইন পোর্টালে যুক্ত থাকবে। এর ফলে বিনিয়োগকারীরা
বিডার পোর্টালের মাধ্যমেই অনলাইনে ব্যাংক হিসাব খোলা এবং বিদেশি
বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রয়োজনীয় অস্থায়ী
ব্যাংক হিসাব খোলার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো
অতি অল্প সময়ে সম্পন্ন
করতে পারবেন।
অনুষ্ঠানে
বিডার বর্তমান কার্যক্রম তুলে ধরে জানানো
হয়, বর্তমানে বিডার একক সেবা প্ল্যাটফর্মে
১৪২টি সেবা চালু রয়েছে।
এই ব্যবস্থার সঙ্গে বিডাসহ ৪৭টি অংশীজন প্রতিষ্ঠান
যুক্ত আছে এবং এখন
পর্যন্ত প্রায় দুই লাখ ১৫
হাজারের বেশি আবেদন সফলভাবে
নিষ্পত্তি করা হয়েছে। বিডা
ভবিষ্যতে ৬০টি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে
১৫০টিরও বেশি সেবা দেওয়ার
লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। পাশাপাশি 'বাংলাবিজ' নামক সমন্বিত একক
প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমেও এই সেবাসমূহ পাওয়া
যাবে।
অনুষ্ঠানের
শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন বিডার পরিচালক
সুনীল কুমার অধিকারী এবং পুরো প্রক্রিয়া
নিয়ে বিশেষ উপস্থাপনা প্রদান করেন মহাপরিচালক জীবন
কৃষ্ণ সাহা রায়। নতুন
এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশে বিনিয়োগের
পরিবেশ আরও এক ধাপ
এগিয়ে যাবে বলে মনে
করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য ব্যবসায়িক পরিবেশ আরও সহজ ও আধুনিক করার লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)। অনলাইন একক সেবা বা ওয়ান স্টপ সার্ভিস প্ল্যাটফর্মকে আরও শক্তিশালী করতে দেশের শীর্ষস্থানীয় পাঁচটি বেসরকারি ব্যাংকের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে সংস্থাটি। রোববার রাজধানীর বিডা সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়, যার মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা এখন থেকে এক জায়গা থেকেই ব্যাংকিং সংক্রান্ত জটিল সেবাগুলো দ্রুত সমাধান করতে পারবেন।
অনুষ্ঠানে
সভাপতির বক্তব্যে বিডার নির্বাহী সদস্য এয়ার কমোডর মো.
শাহারুল হুদা বলেন, বিনিয়োগকারীদের
দ্রুত, সহজ ও আধুনিক
সেবা নিশ্চিত করতে বিডা ধারাবাহিকভাবে
একক সেবা প্ল্যাটফর্মকে শক্তিশালী
করছে। এরই ধারাবাহিকতায় পাঁচটি
শীর্ষস্থানীয় ব্যাংককে এই প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে
যুক্ত করা হলো, যাতে
বিনিয়োগকারীরা এক জায়গা থেকেই
প্রয়োজনীয় ব্যাংকিং সেবা পেতে পারেন।
এই নতুন উদ্যোগের ফলে
ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরুর ক্ষেত্রে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা অনেকটাই কমে আসবে বলে
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
চুক্তি
অনুযায়ী ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক (এনসিসি), ওয়ান ব্যাংক, ইউনাইটেড
কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি), সীমান্ত ব্যাংক এবং আল-আরাফাহ
ইসলামী ব্যাংক এখন থেকে বিডার
অনলাইন পোর্টালে যুক্ত থাকবে। এর ফলে বিনিয়োগকারীরা
বিডার পোর্টালের মাধ্যমেই অনলাইনে ব্যাংক হিসাব খোলা এবং বিদেশি
বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রয়োজনীয় অস্থায়ী
ব্যাংক হিসাব খোলার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো
অতি অল্প সময়ে সম্পন্ন
করতে পারবেন।
অনুষ্ঠানে
বিডার বর্তমান কার্যক্রম তুলে ধরে জানানো
হয়, বর্তমানে বিডার একক সেবা প্ল্যাটফর্মে
১৪২টি সেবা চালু রয়েছে।
এই ব্যবস্থার সঙ্গে বিডাসহ ৪৭টি অংশীজন প্রতিষ্ঠান
যুক্ত আছে এবং এখন
পর্যন্ত প্রায় দুই লাখ ১৫
হাজারের বেশি আবেদন সফলভাবে
নিষ্পত্তি করা হয়েছে। বিডা
ভবিষ্যতে ৬০টি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে
১৫০টিরও বেশি সেবা দেওয়ার
লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। পাশাপাশি 'বাংলাবিজ' নামক সমন্বিত একক
প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমেও এই সেবাসমূহ পাওয়া
যাবে।
অনুষ্ঠানের
শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন বিডার পরিচালক
সুনীল কুমার অধিকারী এবং পুরো প্রক্রিয়া
নিয়ে বিশেষ উপস্থাপনা প্রদান করেন মহাপরিচালক জীবন
কৃষ্ণ সাহা রায়। নতুন
এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশে বিনিয়োগের
পরিবেশ আরও এক ধাপ
এগিয়ে যাবে বলে মনে
করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন