দেশের শেয়ারবাজারে সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রবিবার বিমা খাতের কোম্পানিগুলো লেনদেনের শুরু থেকে দাপট দেখালেও দিনশেষে অন্য খাতের বড় দরপতনের কারণে সূচক কমেই লেনদেন শেষ হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) উভয় বাজারেই মূল্য সূচক কিছুটা কমলেও আশার কথা হলো, গত কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে।
লেনদেন
শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের
শেয়ার দর কমতে শুরু
করে। এতে লেনদেনের শুরুতে
সূচক ঋণাত্মক হয়ে পড়লেও ২০
মিনিট না যেতেই দৃশ্যপট
বদলে দেয় বিমা খাত।
বিমা কোম্পানিগুলোর শেয়ার দর একযোগে বাড়তে
থাকায় সূচক ঊর্ধ্বমুখী হয়।
তবে এই স্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী
হয়নি। লেনদেনের শেষ দুই ঘণ্টায়
বিমা খাত বাদে অন্য
সব খাতের শেয়ারে ঢালাও দরপতন শুরু হয়, যার
ফলে দাম কমার তালিকা
বড় হয়ে দিনশেষে সূচকের
পতন ঘটে। ডিএসইতে বিমা
খাতের ৫৮টি কোম্পানির মধ্যে
৪৭টিরই দাম বেড়েছে, কমেছে
মাত্র ১০টির।
সূচক
ও লেনদেনের চিত্র
বাজার
পর্যালোচনায় দেখা যায়, ডিএসইর
প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায়
৯ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার
২৪৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৪ পয়েন্ট
কমলেও বাছাই করা ৩০ কোম্পানি
নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০
সূচক সামান্য বেড়ে ১ হাজার
৯৯০ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
এদিন
ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৮১৯ কোটি ২০
লাখ টাকা, যা আগের দিনের
চেয়ে ১৩ কোটি ৫
লাখ টাকা বেশি। অন্যদিকে,
সিএসইতে সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ৯ পয়েন্ট কমেছে
এবং সেখানে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৪১ কোটি
১৯ লাখ টাকা।
শীর্ষ
লেনদেনে যারা
এদিন
লেনদেনের শীর্ষে ছিল সিটি ব্যাংক,
যাদের ৩৬ কোটি ৩১
লাখ টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে
যথাক্রমে ছিল প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল
ও খান ব্রাদার্স পিপি
ওভেন ব্যাগ।
এছাড়া
শীর্ষ দশে জায়গা করে
নিয়েছে রানার অটোমোবাইল, একমি পেস্টিসাইড, গোল্ডেন
সন এবং মীর আক্তার
হোসেন লিমিটেডের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো। সব
মিলিয়ে ডিএসইতে ১২৫টি প্রতিষ্ঠানের দাম বেড়েছে এবং
২২৩টির দাম কমেছে।

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
দেশের শেয়ারবাজারে সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রবিবার বিমা খাতের কোম্পানিগুলো লেনদেনের শুরু থেকে দাপট দেখালেও দিনশেষে অন্য খাতের বড় দরপতনের কারণে সূচক কমেই লেনদেন শেষ হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) উভয় বাজারেই মূল্য সূচক কিছুটা কমলেও আশার কথা হলো, গত কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে।
লেনদেন
শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের
শেয়ার দর কমতে শুরু
করে। এতে লেনদেনের শুরুতে
সূচক ঋণাত্মক হয়ে পড়লেও ২০
মিনিট না যেতেই দৃশ্যপট
বদলে দেয় বিমা খাত।
বিমা কোম্পানিগুলোর শেয়ার দর একযোগে বাড়তে
থাকায় সূচক ঊর্ধ্বমুখী হয়।
তবে এই স্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী
হয়নি। লেনদেনের শেষ দুই ঘণ্টায়
বিমা খাত বাদে অন্য
সব খাতের শেয়ারে ঢালাও দরপতন শুরু হয়, যার
ফলে দাম কমার তালিকা
বড় হয়ে দিনশেষে সূচকের
পতন ঘটে। ডিএসইতে বিমা
খাতের ৫৮টি কোম্পানির মধ্যে
৪৭টিরই দাম বেড়েছে, কমেছে
মাত্র ১০টির।
সূচক
ও লেনদেনের চিত্র
বাজার
পর্যালোচনায় দেখা যায়, ডিএসইর
প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায়
৯ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার
২৪৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৪ পয়েন্ট
কমলেও বাছাই করা ৩০ কোম্পানি
নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০
সূচক সামান্য বেড়ে ১ হাজার
৯৯০ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
এদিন
ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৮১৯ কোটি ২০
লাখ টাকা, যা আগের দিনের
চেয়ে ১৩ কোটি ৫
লাখ টাকা বেশি। অন্যদিকে,
সিএসইতে সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ৯ পয়েন্ট কমেছে
এবং সেখানে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৪১ কোটি
১৯ লাখ টাকা।
শীর্ষ
লেনদেনে যারা
এদিন
লেনদেনের শীর্ষে ছিল সিটি ব্যাংক,
যাদের ৩৬ কোটি ৩১
লাখ টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে
যথাক্রমে ছিল প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল
ও খান ব্রাদার্স পিপি
ওভেন ব্যাগ।
এছাড়া
শীর্ষ দশে জায়গা করে
নিয়েছে রানার অটোমোবাইল, একমি পেস্টিসাইড, গোল্ডেন
সন এবং মীর আক্তার
হোসেন লিমিটেডের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো। সব
মিলিয়ে ডিএসইতে ১২৫টি প্রতিষ্ঠানের দাম বেড়েছে এবং
২২৩টির দাম কমেছে।

আপনার মতামত লিখুন