দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলায় শ্মশানের জমি ও গাছ দখলকে কেন্দ্র করে একটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী (আদিবাসী) পল্লীতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। রোববার (১৯ এপ্রিল) সকালে উপজেলার পাল্টাপুর ইউনিয়নের ঘোড়াবান্দ গ্রামের সনকা পল্লীতে এই হামলা চালানো হয়। এ সময় একটি কালী মন্দির ভাঙচুর, একটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও একজনকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘোড়াবান্দ এলাকার রেজাউল ও আজাদের নেতৃত্বে দেড় থেকে দুই’শ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সনকা পল্লীর শ্মশানের জমি ও গাছ দখল করতে যায়। এতে বাধা দিলে হামলাকারীরা ওই পল্লীর একটি কালী মন্দির ভাঙচুর করে এবং প্রতিমাটি পাশের একটি ভুট্টাখেতে ফেলে দেয়। পরে তারা মঙ্গল মুরমুর ছেলে পিউস মুরমুর (৪৫) বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এ সময় পিউস মুরমুকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। তাকে উদ্ধার করে বীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
খবর পেয়ে বীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে দুপুরে বীরগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দীপঙ্কর বর্মন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
বীরগঞ্জ থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন আহত হয়েছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
আপনার মতামত লিখুন