রাজধানীর মুগদায় গ্রিন মডেল টাউনে ঘোড়ার কামড়ে মা ও মেয়েসহ অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। বুধবার (৬ মে) সকাল সাড়ে সাতটার দিকে ডি ব্লকে এই ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে জান্নাত (৩৫) নামে এক নারীর অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে উদ্ধার করে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, সকালে নিজের কলেজপড়ুয়া মেয়েকে নিয়ে যাওয়ার পথে ডি ব্লকে হঠাৎ একটি ঘোড়া তাদের ওপর আক্রমণ করে। ঘোড়াটি জান্নাত বেগমের শরীরের বিভিন্ন স্থানে কামড়ে দেয় এবং তার মেয়েকেও আহত করে। পথচারীরা তাদের উদ্ধার করতে এগিয়ে এলে ঘোড়াটি আরও একজনকে আক্রমণ করে। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা ঘোড়াটিকে ধরার চেষ্টা করলে সেটি দৌড়াদৌড়ি করে একপর্যায়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে মারা যায়।
আহত জান্নাতের স্বজনরা জানান, চিকিৎসার জন্য তাকে প্রথমে মুগদা মেডিকেল, এরপর ঢাকা মেডিকেল এবং পরে মহাখালীতে নেওয়া হয়। সবশেষে স্থানীয় সংবাদকর্মী ও বাসিন্দাদের সহায়তায় মুগদা মেডিকেলে ভর্তি করা সম্ভব হয়।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রিন মডেল টাউনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সাধারণ বাসিন্দাদের মাঝে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, ‘মিনি কক্সবাজার’ সংলগ্ন বালুর মাঠের উন্মুক্ত পথ দিয়ে নিয়মিত ঘোড়া ও গবাদিপশু ভেতরে ঢুকে পড়ে। শুধু তাই নয়, আবাসিক এলাকায় মাদকসেবীদের আনাগোনা ও দৌরাত্ম্য আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। মাদকসেবীরা অবাধে এলাকায় প্রবেশ করে নির্জন স্থানে মাদক সেবন করছে, যা জননিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভুক্তভোগী বলেন, ‘এখানে পুলিশ ফাঁড়ি থাকলেও হিজড়াদের চাঁদাবাজি ও মাদকসেবীদের উৎপাত থামছে না। কয়েক মাস আগে আমার ভাইয়ের দুটি মোবাইল ছিনতাই হয়েছে। এখন ঘোড়ার ভয়েও বের হওয়া যাচ্ছে না। আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় আছি।
ভুক্তভোগী আরেক বাসিন্দা জানান, গত সোমবার তার বাসায় হিজড়ারা প্রবেশ করে কয়েক হাজার টাকা দাবি করে এবং চরম ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করেও কোনো প্রতিকার পাননি তিনি। এছাড়া এলাকায় চুরির ঘটনাও নিয়মিত ঘটছে।
গ্রিন মডেল টাউন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিরাপত্তা বেষ্টনী থাকা সত্ত্বেও কীভাবে ঘোড়াটি ভেতরে প্রবেশ করল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তবে বাসিন্দাদের দাবি, সিটি করপোরেশনের অধীনে হস্তান্তর না হওয়া পর্যন্ত এবং সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত না করা পর্যন্ত এ ধরনের ঝুঁকি থেকেই যাবে।

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
রাজধানীর মুগদায় গ্রিন মডেল টাউনে ঘোড়ার কামড়ে মা ও মেয়েসহ অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। বুধবার (৬ মে) সকাল সাড়ে সাতটার দিকে ডি ব্লকে এই ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে জান্নাত (৩৫) নামে এক নারীর অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে উদ্ধার করে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, সকালে নিজের কলেজপড়ুয়া মেয়েকে নিয়ে যাওয়ার পথে ডি ব্লকে হঠাৎ একটি ঘোড়া তাদের ওপর আক্রমণ করে। ঘোড়াটি জান্নাত বেগমের শরীরের বিভিন্ন স্থানে কামড়ে দেয় এবং তার মেয়েকেও আহত করে। পথচারীরা তাদের উদ্ধার করতে এগিয়ে এলে ঘোড়াটি আরও একজনকে আক্রমণ করে। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা ঘোড়াটিকে ধরার চেষ্টা করলে সেটি দৌড়াদৌড়ি করে একপর্যায়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে মারা যায়।
আহত জান্নাতের স্বজনরা জানান, চিকিৎসার জন্য তাকে প্রথমে মুগদা মেডিকেল, এরপর ঢাকা মেডিকেল এবং পরে মহাখালীতে নেওয়া হয়। সবশেষে স্থানীয় সংবাদকর্মী ও বাসিন্দাদের সহায়তায় মুগদা মেডিকেলে ভর্তি করা সম্ভব হয়।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রিন মডেল টাউনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সাধারণ বাসিন্দাদের মাঝে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, ‘মিনি কক্সবাজার’ সংলগ্ন বালুর মাঠের উন্মুক্ত পথ দিয়ে নিয়মিত ঘোড়া ও গবাদিপশু ভেতরে ঢুকে পড়ে। শুধু তাই নয়, আবাসিক এলাকায় মাদকসেবীদের আনাগোনা ও দৌরাত্ম্য আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। মাদকসেবীরা অবাধে এলাকায় প্রবেশ করে নির্জন স্থানে মাদক সেবন করছে, যা জননিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভুক্তভোগী বলেন, ‘এখানে পুলিশ ফাঁড়ি থাকলেও হিজড়াদের চাঁদাবাজি ও মাদকসেবীদের উৎপাত থামছে না। কয়েক মাস আগে আমার ভাইয়ের দুটি মোবাইল ছিনতাই হয়েছে। এখন ঘোড়ার ভয়েও বের হওয়া যাচ্ছে না। আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় আছি।
ভুক্তভোগী আরেক বাসিন্দা জানান, গত সোমবার তার বাসায় হিজড়ারা প্রবেশ করে কয়েক হাজার টাকা দাবি করে এবং চরম ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করেও কোনো প্রতিকার পাননি তিনি। এছাড়া এলাকায় চুরির ঘটনাও নিয়মিত ঘটছে।
গ্রিন মডেল টাউন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিরাপত্তা বেষ্টনী থাকা সত্ত্বেও কীভাবে ঘোড়াটি ভেতরে প্রবেশ করল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তবে বাসিন্দাদের দাবি, সিটি করপোরেশনের অধীনে হস্তান্তর না হওয়া পর্যন্ত এবং সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত না করা পর্যন্ত এ ধরনের ঝুঁকি থেকেই যাবে।

আপনার মতামত লিখুন