আগামী ১০ মে থেকে শুরু হচ্ছে পুলিশ সপ্তাহ। রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে বার্ষিক পুলিশ প্যারেডের মধ্য দিয়ে প্রথম দিনের কর্মসূচি শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ, বিভিন্ন মন্ত্রীর সঙ্গে উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সম্মেলন, নৈশভোজ ও আইজিপির সঙ্গে অপরাধবিষয়ক সম্মেলনের মধ্য দিয়ে ১৩ মে শেষ হবে এ সপ্তাহ।
পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পুলিশের পক্ষ থেকে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরা হবে।
পুলিশের দাবির তালিকায় প্রথমে রয়েছে একটি সাইবার ক্রাইম ইউনিট প্রতিষ্ঠা। পাশাপাশি পুলিশের জন্য পৃথক মেডিকেল সার্ভিস প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালসহ বিভাগ ও জেলা পর্যায়ের পুলিশ হাসপাতালগুলো আরও উন্নত করতে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের প্রাপ্যতা বাড়ানো ও স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত করার কথা বলা হয়েছে।
বাংলাদেশ পুলিশের প্রশিক্ষণ সক্ষমতা বাড়াতে সিলেট ও বরিশাল বিভাগে দুটি পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার (পিটিসি) স্থাপনের দাবি জানানো হচ্ছে। এ ছাড়া চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে একটি বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান স্থাপনের কথাও বলা হয়েছে।
পুলিশ সদস্যদের সুস্থ দেহ, শারীরিক সক্ষমতা ও মানসিক স্বাস্থ্য বৃদ্ধির পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে একটি স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের প্রস্তাব রাখা হচ্ছে।
বাংলাদেশের দূতাবাসগুলোতে পুলিশ লিয়াজোঁ অফিসার নিয়োগের দাবি জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে দুদুক, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বিআরটিএ, ইমিগ্রেশন, পাসপোর্ট অধিদপ্তর, বিআইডব্লিউটিএ-তে পুলিশ কর্মকর্তাদের পদায়নের প্রস্তাব করা হয়েছে।
প্রবাসী শ্রমিকরা দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি উল্লেখ করে তাদের জীবন, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য ও লিবিয়ায় বাংলাদেশি নাগরিকদের ওপর মানবপাচার, নির্যাতন ও বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের কথাও বলা হয়েছে।
সাধারণ পুলিশিংয়ের পাশাপাশি উগ্রবাদ, মাদক ও অস্ত্র পাচার, মানবপাচার ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে দূর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় দ্রুত যাতায়াতের জন্য বিশেষায়িত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একটি এভিয়েশন পুলিশ ইউনিট গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে।
এ লক্ষে ইতিমধ্যে পুলিশের জন্য দুটি হেলিকপ্টার ক্রয় করা হয়েছে। ৬ জন পুলিশ কর্মকর্তাকে পাইলট ও ৪০ জনকে হেলিকপ্টার রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সপ্তাহের অনুষ্ঠানে এসব বিষয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণে উপস্থাপন করা হবে বলে পুলিশ সূত্র জানিয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
আগামী ১০ মে থেকে শুরু হচ্ছে পুলিশ সপ্তাহ। রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে বার্ষিক পুলিশ প্যারেডের মধ্য দিয়ে প্রথম দিনের কর্মসূচি শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ, বিভিন্ন মন্ত্রীর সঙ্গে উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সম্মেলন, নৈশভোজ ও আইজিপির সঙ্গে অপরাধবিষয়ক সম্মেলনের মধ্য দিয়ে ১৩ মে শেষ হবে এ সপ্তাহ।
পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পুলিশের পক্ষ থেকে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরা হবে।
পুলিশের দাবির তালিকায় প্রথমে রয়েছে একটি সাইবার ক্রাইম ইউনিট প্রতিষ্ঠা। পাশাপাশি পুলিশের জন্য পৃথক মেডিকেল সার্ভিস প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালসহ বিভাগ ও জেলা পর্যায়ের পুলিশ হাসপাতালগুলো আরও উন্নত করতে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের প্রাপ্যতা বাড়ানো ও স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত করার কথা বলা হয়েছে।
বাংলাদেশ পুলিশের প্রশিক্ষণ সক্ষমতা বাড়াতে সিলেট ও বরিশাল বিভাগে দুটি পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার (পিটিসি) স্থাপনের দাবি জানানো হচ্ছে। এ ছাড়া চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে একটি বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান স্থাপনের কথাও বলা হয়েছে।
পুলিশ সদস্যদের সুস্থ দেহ, শারীরিক সক্ষমতা ও মানসিক স্বাস্থ্য বৃদ্ধির পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে একটি স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের প্রস্তাব রাখা হচ্ছে।
বাংলাদেশের দূতাবাসগুলোতে পুলিশ লিয়াজোঁ অফিসার নিয়োগের দাবি জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে দুদুক, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বিআরটিএ, ইমিগ্রেশন, পাসপোর্ট অধিদপ্তর, বিআইডব্লিউটিএ-তে পুলিশ কর্মকর্তাদের পদায়নের প্রস্তাব করা হয়েছে।
প্রবাসী শ্রমিকরা দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি উল্লেখ করে তাদের জীবন, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য ও লিবিয়ায় বাংলাদেশি নাগরিকদের ওপর মানবপাচার, নির্যাতন ও বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের কথাও বলা হয়েছে।
সাধারণ পুলিশিংয়ের পাশাপাশি উগ্রবাদ, মাদক ও অস্ত্র পাচার, মানবপাচার ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে দূর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় দ্রুত যাতায়াতের জন্য বিশেষায়িত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একটি এভিয়েশন পুলিশ ইউনিট গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে।
এ লক্ষে ইতিমধ্যে পুলিশের জন্য দুটি হেলিকপ্টার ক্রয় করা হয়েছে। ৬ জন পুলিশ কর্মকর্তাকে পাইলট ও ৪০ জনকে হেলিকপ্টার রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সপ্তাহের অনুষ্ঠানে এসব বিষয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণে উপস্থাপন করা হবে বলে পুলিশ সূত্র জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন