রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার ইকরচালি ব্লকে ‘অতন্ত্র জরিপ ব্লক’ কর্মসূচির আওতায় ব্রি ধান-১১৩ চাষ করে আশাতীত ফলন পাওয়া গেছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের নিবিড় তত্ত্বাবধানে চাষ করা উচ্চফলনশীল এই নতুন জাতের ধান স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে।
সরেজমিনে ইকরচালি ব্লকে গিয়ে দেখা যায়, মাঠজুড়ে সোনালি ধানের সমারোহ। কৃষক জয়তুল ইসলাম তার ৫০ শতাংশ জমিতে এই জাতের ধান চাষ করেছেন। তিনি বলেন, “কৃষি অফিসের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক পরিচর্যা ও সার ব্যবস্থাপনার কারণে ধানের শীষ বেশ পুষ্ট হয়েছে। এবার রোগবালাইয়ের প্রাদুর্ভাবও ছিল না বললেই চলে।”
সংশ্লিষ্ট ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বসুনিয়া নিয়মিত মাঠ পরিদর্শন করে কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তি ও সুষম সার ব্যবহারে উৎসাহিত করছেন। তার নিবিড় পর্যবেক্ষণে এই ব্লকে ধানের ফলন বিগত বছরগুলোর তুলনায় অনেক ভালো হয়েছে বলে জানান স্থানীয় কৃষকেরা।
তারাগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ধীবা রানী রায় বলেন, “ব্রি ধান-১১৩ একটি উচ্চফলনশীল জাত। এই অঞ্চলে জাতটি জনপ্রিয় হলে চালের সামগ্রিক উৎপাদন বাড়বে এবং কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হবেন। আমরা মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের সব ধরনের কারিগরি সহায়তা ও পরামর্শ দিচ্ছি।”

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার ইকরচালি ব্লকে ‘অতন্ত্র জরিপ ব্লক’ কর্মসূচির আওতায় ব্রি ধান-১১৩ চাষ করে আশাতীত ফলন পাওয়া গেছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের নিবিড় তত্ত্বাবধানে চাষ করা উচ্চফলনশীল এই নতুন জাতের ধান স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে।
সরেজমিনে ইকরচালি ব্লকে গিয়ে দেখা যায়, মাঠজুড়ে সোনালি ধানের সমারোহ। কৃষক জয়তুল ইসলাম তার ৫০ শতাংশ জমিতে এই জাতের ধান চাষ করেছেন। তিনি বলেন, “কৃষি অফিসের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক পরিচর্যা ও সার ব্যবস্থাপনার কারণে ধানের শীষ বেশ পুষ্ট হয়েছে। এবার রোগবালাইয়ের প্রাদুর্ভাবও ছিল না বললেই চলে।”
সংশ্লিষ্ট ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বসুনিয়া নিয়মিত মাঠ পরিদর্শন করে কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তি ও সুষম সার ব্যবহারে উৎসাহিত করছেন। তার নিবিড় পর্যবেক্ষণে এই ব্লকে ধানের ফলন বিগত বছরগুলোর তুলনায় অনেক ভালো হয়েছে বলে জানান স্থানীয় কৃষকেরা।
তারাগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ধীবা রানী রায় বলেন, “ব্রি ধান-১১৩ একটি উচ্চফলনশীল জাত। এই অঞ্চলে জাতটি জনপ্রিয় হলে চালের সামগ্রিক উৎপাদন বাড়বে এবং কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হবেন। আমরা মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের সব ধরনের কারিগরি সহায়তা ও পরামর্শ দিচ্ছি।”

আপনার মতামত লিখুন