পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলাকে পেছনে ফেলে দেশের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। তিনি বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামকে উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় সম্পৃক্ত করতে জেলা প্রশাসকদের কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।
পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা অত্যন্ত স্পর্শকাতর উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, “এই জেলাগুলো সম্পর্কে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) পরিষ্কার ধারণা থাকতে হবে এবং ‘সবকিছু বজায় (মেইনটেইন) রেখে’ এখানে কাজ করতে হবে।”
বুধবার (৬ মে) ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘জেলা প্রশাসক সম্মেলন-২০২৬’ এর দ্বিতীয় অধিবেশনে পার্বত্য চট্টগ্রাম ইস্যুতে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, “পার্বত্য চট্টগ্রামের কাজের মধ্যে অনেক সময় বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নির্ভর করে। ভূমির ব্যবহার, বনজ সম্পদ সংরক্ষণ, সম্পদ আহরণ- সকল ক্ষেত্রেই সম্পদের ভারসাম্য সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে।” তিনি বলেন, “মিডিয়ার ইতিবাচক-নেতিবাচক প্রতিবেদনে অনেক বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। তাই পার্বত্য চট্টগ্রাম সম্পর্কে জেলা প্রশাসকদের পরিষ্কার ধারণা থাকতে হবে।”
পার্বত্য অঞ্চলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসকদের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, “চাষযোগ্য ভূমি কম হওয়ায় দুর্গম এলাকার মানুষ এখনো জুম চাষের ওপর নির্ভরশীল। তাদের দারিদ্র্য বিমোচনে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও অবকাঠামো উন্নয়নে নিরলস কাজ করছে সরকার।” খাগড়াছড়িতে ‘হেডম্যান অফিস’ নির্মাণ, বান্দরবানে সুপেয় পানির প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং প্রতিটি উপজেলায় ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পৃথক হোস্টেল নির্মাণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী।
ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘রংধনু জাতি’ ধারণার সফল প্রতিফলন হলো পার্বত্য চট্টগ্রাম। এখানকার বৈচিত্র্যময় জাতিগোষ্ঠীর সম্প্রীতিই আমাদের জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তি।
মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে অপরাধীদের কোনো অভয়ারণ্য হতে দেওয়া হবে না। দেশের মানুষের অধিকার নিশ্চিত করা, মানবাধিকার সমুন্নত রাখা, প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করা ও মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বিধান করা হবে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের কাজ। সরকারের বিধি-বিধান মেনে জেলা প্রশাসকদের কাজ করার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলাকে পেছনে ফেলে দেশের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। তিনি বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামকে উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় সম্পৃক্ত করতে জেলা প্রশাসকদের কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।
পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা অত্যন্ত স্পর্শকাতর উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, “এই জেলাগুলো সম্পর্কে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) পরিষ্কার ধারণা থাকতে হবে এবং ‘সবকিছু বজায় (মেইনটেইন) রেখে’ এখানে কাজ করতে হবে।”
বুধবার (৬ মে) ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘জেলা প্রশাসক সম্মেলন-২০২৬’ এর দ্বিতীয় অধিবেশনে পার্বত্য চট্টগ্রাম ইস্যুতে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, “পার্বত্য চট্টগ্রামের কাজের মধ্যে অনেক সময় বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নির্ভর করে। ভূমির ব্যবহার, বনজ সম্পদ সংরক্ষণ, সম্পদ আহরণ- সকল ক্ষেত্রেই সম্পদের ভারসাম্য সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে।” তিনি বলেন, “মিডিয়ার ইতিবাচক-নেতিবাচক প্রতিবেদনে অনেক বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। তাই পার্বত্য চট্টগ্রাম সম্পর্কে জেলা প্রশাসকদের পরিষ্কার ধারণা থাকতে হবে।”
পার্বত্য অঞ্চলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসকদের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, “চাষযোগ্য ভূমি কম হওয়ায় দুর্গম এলাকার মানুষ এখনো জুম চাষের ওপর নির্ভরশীল। তাদের দারিদ্র্য বিমোচনে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও অবকাঠামো উন্নয়নে নিরলস কাজ করছে সরকার।” খাগড়াছড়িতে ‘হেডম্যান অফিস’ নির্মাণ, বান্দরবানে সুপেয় পানির প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং প্রতিটি উপজেলায় ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পৃথক হোস্টেল নির্মাণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী।
ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘রংধনু জাতি’ ধারণার সফল প্রতিফলন হলো পার্বত্য চট্টগ্রাম। এখানকার বৈচিত্র্যময় জাতিগোষ্ঠীর সম্প্রীতিই আমাদের জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তি।
মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে অপরাধীদের কোনো অভয়ারণ্য হতে দেওয়া হবে না। দেশের মানুষের অধিকার নিশ্চিত করা, মানবাধিকার সমুন্নত রাখা, প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করা ও মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বিধান করা হবে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের কাজ। সরকারের বিধি-বিধান মেনে জেলা প্রশাসকদের কাজ করার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।

আপনার মতামত লিখুন