দেশের চার জেলায় বজ্রপাতে অন্তত ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৬ মে) দুপুরে ও বিকেলে পৃথক স্থানে এসব র্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে পাঁচজনই কৃষক ও একজন শ্রমিক। নওগাঁয় তিনজন এবং লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও জামালপুরে একজন করে নিহত হয়েছেন।
নওগাঁ : নওগাঁর নিয়ামতপুর ও মহাদেবপুর উপজেলায় বজ্রপাতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান জানান, উপজেলার হাজিনগর ইউনিয়নে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়। তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে চন্দননগর ইউনিয়নের রামনগর গ্রামে ধান তুলে নেওয়ার সময় বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন অনুকূল চন্দ্র মাহন্ত নামের এক ব্যক্তি।
এছাড়া মহাদেবপুর থানার ওসি ওমর ফারুক জানান, উপজেলার খাজুর ইউনিয়নের কুড়াপাড়া গ্রামে জমিতে কাজ করার সময় দিলিপ চন্দ্র বর্মন নামের এক কৃষক নিহত হন।
লালমনিরহাট : লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলায় ভুট্টার খেতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে ইউসুফ আলী (৪০) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। দুপুরে উপজেলার ভোটমারী ইউনিয়নের ভুল্যারহাট বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তিনি ওই এলাকার আরব আলীর ছেলে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. স্বর্ণা আহমেদ জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
কুড়িগ্রাম : কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী পৌরসভার টাপুরচর গ্রামে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে ওবাইদুল (৩০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই গ্রামের আব্দুল হকের ছেলে। নাগেশ্বরী থানার ওসি আব্দুল্লাহ হীল জামান জানান, দুপুরে জমিতে কাজ করার সময় বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত হলে ওবাইদুল গুরুতর আহত হন। পরে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
দেওয়ানগঞ্জ (জামালপুর) : জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরাবাদ ইউনিয়নে বজ্রপাতে সোহেল মিয়া (৩০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বিকেলে নাজিরপুর এলাকায় ভুট্টা খেতে কাজ করার সময় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সোহেল ওই এলাকার শুক্কুর মামুদের ছেলে। নিহতের পরিবার জানায়, সোহেল তার স্ত্রী ও আট মাসের একটি পুত্রসন্তান রেখে গেছেন।
আপনার মতামত লিখুন