পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে দীর্ঘ ১৫ বছর পর এক ঐতিহাসিক পরিবর্তন সাধিত হলো। টানা তিন মেয়াদে ক্ষমতায় থাকার পর এবার প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস। শনিবার (৯ মে) রাতে বিধানসভার বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে বর্ষীয়ান নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম ঘোষণা করেছে দলটি।
বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের পাশাপাশি অন্যান্য
গুরুত্বপূর্ণ পদেও রদবদল এনেছে তৃণমূল।
শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের
মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে তিনি শপথ নেন। তার সঙ্গে মন্ত্রিসভার সদস্য
হিসেবে শপথ নিয়েছেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পল ও নিশীথ প্রামাণিকসহ আরও পাঁচজন। উল্লেখ্য,
গত মেয়াদে শুভেন্দু অধিকারী নিজেই বিরোধীদলীয় নেতার দায়িত্ব পালন করেছিলেন, এবার তিনি
রাজ্যের শাসনভার গ্রহণ করলেন।
গত ৪ মে ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ২৯৩টি আসনের মধ্যে ২০৭টি
আসন পেয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে বিজেপি। অন্যদিকে, মাত্র ৮০টি আসন
নিয়ে বিরোধী দলের আসনে বসতে হয়েছে তৃণমূলকে।
এবারের নির্বাচনের সবচেয়ে বড় চমক ছিল খোদ ভবানীপুর কেন্দ্র।
সেখানে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১৫ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে পরাজিত
করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তার এই বড় জয়ের পরেই রাজ্যের রাজনৈতিক দৃশ্যপট পুরোপুরি বদলে
যায়।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে দীর্ঘ ১৫ বছর পর এক ঐতিহাসিক পরিবর্তন সাধিত হলো। টানা তিন মেয়াদে ক্ষমতায় থাকার পর এবার প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস। শনিবার (৯ মে) রাতে বিধানসভার বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে বর্ষীয়ান নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম ঘোষণা করেছে দলটি।
বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের পাশাপাশি অন্যান্য
গুরুত্বপূর্ণ পদেও রদবদল এনেছে তৃণমূল।
শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের
মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে তিনি শপথ নেন। তার সঙ্গে মন্ত্রিসভার সদস্য
হিসেবে শপথ নিয়েছেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পল ও নিশীথ প্রামাণিকসহ আরও পাঁচজন। উল্লেখ্য,
গত মেয়াদে শুভেন্দু অধিকারী নিজেই বিরোধীদলীয় নেতার দায়িত্ব পালন করেছিলেন, এবার তিনি
রাজ্যের শাসনভার গ্রহণ করলেন।
গত ৪ মে ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ২৯৩টি আসনের মধ্যে ২০৭টি
আসন পেয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে বিজেপি। অন্যদিকে, মাত্র ৮০টি আসন
নিয়ে বিরোধী দলের আসনে বসতে হয়েছে তৃণমূলকে।
এবারের নির্বাচনের সবচেয়ে বড় চমক ছিল খোদ ভবানীপুর কেন্দ্র।
সেখানে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১৫ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে পরাজিত
করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তার এই বড় জয়ের পরেই রাজ্যের রাজনৈতিক দৃশ্যপট পুরোপুরি বদলে
যায়।

আপনার মতামত লিখুন