কুষ্টিয়ার মিরপুরে থানা পুলিশের হাতে আটক এক মাদক ব্যবসায়ীকে ছাড়াতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় এক ইউপি সদস্যসহ পাঁচজন ব্যক্তি। তাদেরকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
শনিবার (৯ মে) রাত সাড়ে ১০টায় মিরপুর থানায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশের দাবি,এদের মধ্যে একজন স্থানীয় বিএনপির নেতা। বাকি চারজন জামায়াত নেতা। ওই চার জামায়াত নেতারা হলেন-উপজেলার নওদা আজমপুর গ্রামের সাইদুল ইসলাম, সুজন আলী, আলাউদ্দিন ও শফিকুল ইসলাম। এছাড়া হেফাজতে নেওয়া বিএনপি নেতার নাম এনামুল হক। তিনি সদরপুর ইউনিয়ন পরিষদের(ইউপি) ৬ নং ওয়ার্ড সদস্য।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (৯ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী নওদা আজমপুর গ্রামের রমজান আলীর ছেলে রবিউল ইসলাম(৩৩)-কে ৮ পিস ইয়াবাসহ নিজ এলাকা থেকে আটক করে পুলিশ।
রবিউলকে মাদকসহ থানায় নেয়ার কিছুক্ষণ পরই সেখানে উপস্থিত হন স্থানীয় বিএনপি নেতা ও ইউপি সদস্য এবং জামায়াত নেতারা। তারা আটক হওয়া মাদকব্যবসায়ীকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য ওসিকে চাপ প্রয়োগ করেন। একপর্যায়ে তারা ওসির সাথে তর্কে জড়িয়ে পড়েন।
রোববার (১০ মে) সকাল ১০টায় মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)শহিদুল ইসলাম জানান,মাদকসহ পুলিশের হাতে আটক এক মাদক ব্যবসায়ীকে ছাড়াতে তদবির নিয়ে আসছিলেন স্থানীয় বিএনপি নেতা ও ইউপি সদস্য এনামুল হকসহ ৪ জন জামায়াত নেতা। তাদেরকেও হেফাজতে নেওয়া হয়। সারারাত তারা থানাতেই ছিলেন। এ বিষয়ে উর্দ্ধতনদের সাথে কথা বলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
কুষ্টিয়ার মিরপুরে থানা পুলিশের হাতে আটক এক মাদক ব্যবসায়ীকে ছাড়াতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় এক ইউপি সদস্যসহ পাঁচজন ব্যক্তি। তাদেরকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
শনিবার (৯ মে) রাত সাড়ে ১০টায় মিরপুর থানায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশের দাবি,এদের মধ্যে একজন স্থানীয় বিএনপির নেতা। বাকি চারজন জামায়াত নেতা। ওই চার জামায়াত নেতারা হলেন-উপজেলার নওদা আজমপুর গ্রামের সাইদুল ইসলাম, সুজন আলী, আলাউদ্দিন ও শফিকুল ইসলাম। এছাড়া হেফাজতে নেওয়া বিএনপি নেতার নাম এনামুল হক। তিনি সদরপুর ইউনিয়ন পরিষদের(ইউপি) ৬ নং ওয়ার্ড সদস্য।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (৯ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী নওদা আজমপুর গ্রামের রমজান আলীর ছেলে রবিউল ইসলাম(৩৩)-কে ৮ পিস ইয়াবাসহ নিজ এলাকা থেকে আটক করে পুলিশ।
রবিউলকে মাদকসহ থানায় নেয়ার কিছুক্ষণ পরই সেখানে উপস্থিত হন স্থানীয় বিএনপি নেতা ও ইউপি সদস্য এবং জামায়াত নেতারা। তারা আটক হওয়া মাদকব্যবসায়ীকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য ওসিকে চাপ প্রয়োগ করেন। একপর্যায়ে তারা ওসির সাথে তর্কে জড়িয়ে পড়েন।
রোববার (১০ মে) সকাল ১০টায় মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)শহিদুল ইসলাম জানান,মাদকসহ পুলিশের হাতে আটক এক মাদক ব্যবসায়ীকে ছাড়াতে তদবির নিয়ে আসছিলেন স্থানীয় বিএনপি নেতা ও ইউপি সদস্য এনামুল হকসহ ৪ জন জামায়াত নেতা। তাদেরকেও হেফাজতে নেওয়া হয়। সারারাত তারা থানাতেই ছিলেন। এ বিষয়ে উর্দ্ধতনদের সাথে কথা বলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন