পবিত্র ঈদুল আজহার মাঝখানে আর একদিন বাকি। রাজধানী ফাকা করে লাখ লাখ মানুষ ছুটছেন নিজ নিজ ঠিকানায় পরিবারের সঙ্গে ঈদের খুশি উপভোগ করতে। একইভাবে দেশের প্রধান শিল্পাঞ্চল গাজীপুরের প্রায় ৯০ শতাংশ পোশাক কারখানা ছুটি হয়ে গেছে। ফলে আজ মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুর থেকে দুই মহাসড়ক ও রেল জংশনে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।
শিল্প পুলিশ ও ট্রাফিক বিভাগ জানায়, সোমবার থেকে ধাপে ধাপে ছুটি শুরু হলেও আজ অধিকাংশ কারখানা একযোগে বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দুপুরের পর থেকেই ঢাকা-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক এবং জয়দেবপুর রেল জংশনে যাত্রীদের চাপ বহুগুণ বেড়ে যায়। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গগামী ট্রেনগুলোতে অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ লক্ষ্য করা গেছে।
যাত্রীদের এই চাপের মধ্যেই সকাল সাড়ে ১১টার পর শুরু হয় টানা বৃষ্টি। এতে সড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে যানবাহনের গতি ধীর হয়ে পড়ে, যা ঈদে বাড়ি ফেরা মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
দুপুরে জয়দেবপুর রেল জংশনে প্ল্যাটফর্মজুড়ে নারী-শিশুসহ শত শত যাত্রী ট্রেনের অপেক্ষায়। ব্যাগ-বস্তা ও কোলের শিশু নিয়ে অনেকেই ট্রেনের অপেক্ষায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে আছেন। কেউ কেউ আবার বৃষ্টিতে ভিজে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।
একই চিত্র দেখা গেছে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের জয়দেবপুর চৌরাস্তায়। ইপিলিয়ন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা জানান, তাদের কারখানা আগেরদিন ছুটি হয়েছে। আজ তারা গ্রামের বাড়িতে ছুটছেন। তবে মহাসড়কে অনেক ভিড় থাকায় তাদের মালপত্র নিয়ে চলাচল করতে সমস্যা হচ্ছে।’
মহাসড়ক ও রেল জংশনে ঘরমুখো মানুষের উপচে ভিড়
গাজীপুর শিল্পাঞ্চল পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খলিলুর রহমান জানান, সোমবার গাজীপুরের প্রায় ৪০ শতাংশ কারখানা ছুটি হয়েছিল। আজ মঙ্গলবার আরও ৫০ শতাংশের মতো কারখানা ছুটি হয়েছে। বর্তমানে গাজীপুর মহানগরীতে ২ হাজার ৬৭৪টি কারখানা সচল রয়েছে। একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক শ্রমিক বাড়ির পথে রওনা হওয়ায় সড়ক ও স্টেশনে যাত্রীদের চাপ তৈরি হয়েছে।

মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
পবিত্র ঈদুল আজহার মাঝখানে আর একদিন বাকি। রাজধানী ফাকা করে লাখ লাখ মানুষ ছুটছেন নিজ নিজ ঠিকানায় পরিবারের সঙ্গে ঈদের খুশি উপভোগ করতে। একইভাবে দেশের প্রধান শিল্পাঞ্চল গাজীপুরের প্রায় ৯০ শতাংশ পোশাক কারখানা ছুটি হয়ে গেছে। ফলে আজ মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুর থেকে দুই মহাসড়ক ও রেল জংশনে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।
শিল্প পুলিশ ও ট্রাফিক বিভাগ জানায়, সোমবার থেকে ধাপে ধাপে ছুটি শুরু হলেও আজ অধিকাংশ কারখানা একযোগে বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দুপুরের পর থেকেই ঢাকা-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক এবং জয়দেবপুর রেল জংশনে যাত্রীদের চাপ বহুগুণ বেড়ে যায়। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গগামী ট্রেনগুলোতে অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ লক্ষ্য করা গেছে।
যাত্রীদের এই চাপের মধ্যেই সকাল সাড়ে ১১টার পর শুরু হয় টানা বৃষ্টি। এতে সড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে যানবাহনের গতি ধীর হয়ে পড়ে, যা ঈদে বাড়ি ফেরা মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
দুপুরে জয়দেবপুর রেল জংশনে প্ল্যাটফর্মজুড়ে নারী-শিশুসহ শত শত যাত্রী ট্রেনের অপেক্ষায়। ব্যাগ-বস্তা ও কোলের শিশু নিয়ে অনেকেই ট্রেনের অপেক্ষায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে আছেন। কেউ কেউ আবার বৃষ্টিতে ভিজে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।
একই চিত্র দেখা গেছে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের জয়দেবপুর চৌরাস্তায়। ইপিলিয়ন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা জানান, তাদের কারখানা আগেরদিন ছুটি হয়েছে। আজ তারা গ্রামের বাড়িতে ছুটছেন। তবে মহাসড়কে অনেক ভিড় থাকায় তাদের মালপত্র নিয়ে চলাচল করতে সমস্যা হচ্ছে।’
মহাসড়ক ও রেল জংশনে ঘরমুখো মানুষের উপচে ভিড়
গাজীপুর শিল্পাঞ্চল পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খলিলুর রহমান জানান, সোমবার গাজীপুরের প্রায় ৪০ শতাংশ কারখানা ছুটি হয়েছিল। আজ মঙ্গলবার আরও ৫০ শতাংশের মতো কারখানা ছুটি হয়েছে। বর্তমানে গাজীপুর মহানগরীতে ২ হাজার ৬৭৪টি কারখানা সচল রয়েছে। একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক শ্রমিক বাড়ির পথে রওনা হওয়ায় সড়ক ও স্টেশনে যাত্রীদের চাপ তৈরি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন