কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার লোহাজুরী ইউনিয়নের মধ্য বাহেরচর খালে গোসল করতে গিয়ে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছে এক কিশোরী। স্থানীয় এক যুবকের তাৎক্ষণিক বুদ্ধিমত্তা ও সাহসিকতায় প্রাণে বেঁচে যায় বাহেরচর গ্রামের বেদাল মিয়ার মেয়ে আয়েশা আক্তার (১৩)। গত শনিবার (২৩ মে) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে নতুন খনন করা বাহেরচর খালের পানিতে গোসল করতে নামে আয়েশা ও তার এক বান্ধবী। বর্ষার নতুন পানিতে তীব্র স্রোত থাকায় সাঁতার কাটার একপর্যায়ে তারা খালের গভীর অংশে চলে যায়। দীর্ঘক্ষণ সাঁতার কেটে ক্লান্ত হয়ে পড়ায় দুই কিশোরীই পানিতে ডুবে যেতে শুরু করে। এ সময় আয়েশার বান্ধবী কোনো রকমে সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও আয়েশা পানির গভীরে তলিয়ে যায়।
ঘটনাটি দূর থেকে দেখতে পান খালে খননকাজে নিয়োজিত একটি এক্সকাভেটর বা ভেকু চালক। তিনি আয়েশাকে তলিয়ে যেতে দেখে চিৎকার করে স্থানীয় যুবক রবিউল আওয়ালকে উদ্ধারের জন্য অনুরোধ করেন। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বুঝতে পেরে রবিউল মুহূর্তের মধ্যে খালে ঝাঁপ দেন। পানির নিচে বেশ কিছুক্ষণ খোঁজাখুঁজির পর তিনি অচেতন অবস্থায় আয়েশাকে উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর কিশোরী আয়েশা সুস্থ হয়ে ওঠে।
উদ্ধারকারী যুবক রবিউল আওয়াল বলেন, “আয়েশাকে পানিতে ডুবে যেতে দেখে বেকু ড্রাইভার আমাকে দ্রুত উদ্ধার করতে বলেন। পরে আমি খালে নেমে পানির নিচে খোঁজাখুঁজি করে তাকে উদ্ধার করি।”
এদিকে ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে আয়েশার স্বজন ও গ্রামবাসী খালে ভিড় জমান। আয়েশার পরিবার রবিউল আওয়ালের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, নতুন খনন করা খালের গভীর অংশে কোনো সতর্কতামূলক ব্যবস্থা বা সাইনবোর্ড না থাকায় প্রায়ই এমন দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে বর্ষার নতুন পানিতে শিশু-কিশোরদের গোসল বা সাঁতার কাটার ক্ষেত্রে অভিভাবকদের আরও সচেতন ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যক্তিরা।

মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার লোহাজুরী ইউনিয়নের মধ্য বাহেরচর খালে গোসল করতে গিয়ে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছে এক কিশোরী। স্থানীয় এক যুবকের তাৎক্ষণিক বুদ্ধিমত্তা ও সাহসিকতায় প্রাণে বেঁচে যায় বাহেরচর গ্রামের বেদাল মিয়ার মেয়ে আয়েশা আক্তার (১৩)। গত শনিবার (২৩ মে) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে নতুন খনন করা বাহেরচর খালের পানিতে গোসল করতে নামে আয়েশা ও তার এক বান্ধবী। বর্ষার নতুন পানিতে তীব্র স্রোত থাকায় সাঁতার কাটার একপর্যায়ে তারা খালের গভীর অংশে চলে যায়। দীর্ঘক্ষণ সাঁতার কেটে ক্লান্ত হয়ে পড়ায় দুই কিশোরীই পানিতে ডুবে যেতে শুরু করে। এ সময় আয়েশার বান্ধবী কোনো রকমে সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও আয়েশা পানির গভীরে তলিয়ে যায়।
ঘটনাটি দূর থেকে দেখতে পান খালে খননকাজে নিয়োজিত একটি এক্সকাভেটর বা ভেকু চালক। তিনি আয়েশাকে তলিয়ে যেতে দেখে চিৎকার করে স্থানীয় যুবক রবিউল আওয়ালকে উদ্ধারের জন্য অনুরোধ করেন। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বুঝতে পেরে রবিউল মুহূর্তের মধ্যে খালে ঝাঁপ দেন। পানির নিচে বেশ কিছুক্ষণ খোঁজাখুঁজির পর তিনি অচেতন অবস্থায় আয়েশাকে উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর কিশোরী আয়েশা সুস্থ হয়ে ওঠে।
উদ্ধারকারী যুবক রবিউল আওয়াল বলেন, “আয়েশাকে পানিতে ডুবে যেতে দেখে বেকু ড্রাইভার আমাকে দ্রুত উদ্ধার করতে বলেন। পরে আমি খালে নেমে পানির নিচে খোঁজাখুঁজি করে তাকে উদ্ধার করি।”
এদিকে ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে আয়েশার স্বজন ও গ্রামবাসী খালে ভিড় জমান। আয়েশার পরিবার রবিউল আওয়ালের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, নতুন খনন করা খালের গভীর অংশে কোনো সতর্কতামূলক ব্যবস্থা বা সাইনবোর্ড না থাকায় প্রায়ই এমন দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে বর্ষার নতুন পানিতে শিশু-কিশোরদের গোসল বা সাঁতার কাটার ক্ষেত্রে অভিভাবকদের আরও সচেতন ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যক্তিরা।

আপনার মতামত লিখুন