সংবাদ

নোয়াখালীর পাঁচ গ্রামে ঈদুল আজহা উদ্‌যাপিত


প্রতিনিধি, নোয়াখালী
প্রতিনিধি, নোয়াখালী
প্রকাশ: ২৭ মে ২০২৬, ১২:২৭ পিএম

নোয়াখালীর পাঁচ গ্রামে ঈদুল আজহা উদ্‌যাপিত
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে নোয়াখালীতে ঈদের নামাজ আদায় করছেন মুসল্লিরা। ছবিঃ সংবাদ

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে নোয়াখালীর ৫ টি গ্রামে পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্‌যাপিত হয়েছে। বুধবার (২৭ মে) সকাল আটটা থেকে নয়টার মধ্যে এসব গ্রামের বিভিন্ন মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

ঈদ উদ্‌যাপন করা গ্রামগুলো হলো- নোয়াখালী সদর উপজেলার নোয়াখালী পৌরসভার লক্ষ্মীনারায়ণপুর ও হরিণারায়ণপুরের একাংশ, কবিরহাট উপজেলার ঘোষবাগ ইউনিয়নের রামভল্লবপুর এবং বেগমগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের বসন্তবাগ ও ফাজিলপুর। সকালে এসব এলাকার মুসল্লিরা নামাজ আদায় শেষে পশু কোরবানি দেন। শিশু থেকে বৃদ্ধ সবাইকে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে দেখা যায়। তবে বৃষ্টির কারণে বাইরের আনন্দ অবশ্য বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বড় পীর হজরত আবু মুহাম্মদ মহিউদ্দীন সৈয়দ আবদুল কাদির জিলানী (রহ.)-এর মতাদর্শ অনুসরণকারী কাদেরিয়া তরিকার অনুসারীরা দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও দুই ঈদ পালন করে আসছেন। প্রায় শতবর্ষ ধরে চলে আসা এ নিয়ম অনুযায়ী তারা একদিন আগে রোজা রাখেন এবং ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহাও একদিন আগে উদ্‌যাপন করেন।

উত্তর বসন্তবাগ মুন্সি বাড়ি জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. বদরুজ্জামান বলেন, চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করেই রোজা ও ঈদ উদ্‌যাপন করা হয়। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে চাঁদ দেখা যাওয়ার ভিত্তিতে তারা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ পালন করছেন। দীর্ঘ শত বছর ধরে তারা এ নিয়ম অনুসরণ করে আসছেন। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর দেশের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদ্‌যাপন করতে পেরে তারা আনন্দিত।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ২৭ মে ২০২৬


নোয়াখালীর পাঁচ গ্রামে ঈদুল আজহা উদ্‌যাপিত

প্রকাশের তারিখ : ২৭ মে ২০২৬

featured Image

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে নোয়াখালীর ৫ টি গ্রামে পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্‌যাপিত হয়েছে। বুধবার (২৭ মে) সকাল আটটা থেকে নয়টার মধ্যে এসব গ্রামের বিভিন্ন মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

ঈদ উদ্‌যাপন করা গ্রামগুলো হলো- নোয়াখালী সদর উপজেলার নোয়াখালী পৌরসভার লক্ষ্মীনারায়ণপুর ও হরিণারায়ণপুরের একাংশ, কবিরহাট উপজেলার ঘোষবাগ ইউনিয়নের রামভল্লবপুর এবং বেগমগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের বসন্তবাগ ও ফাজিলপুর। সকালে এসব এলাকার মুসল্লিরা নামাজ আদায় শেষে পশু কোরবানি দেন। শিশু থেকে বৃদ্ধ সবাইকে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে দেখা যায়। তবে বৃষ্টির কারণে বাইরের আনন্দ অবশ্য বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বড় পীর হজরত আবু মুহাম্মদ মহিউদ্দীন সৈয়দ আবদুল কাদির জিলানী (রহ.)-এর মতাদর্শ অনুসরণকারী কাদেরিয়া তরিকার অনুসারীরা দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও দুই ঈদ পালন করে আসছেন। প্রায় শতবর্ষ ধরে চলে আসা এ নিয়ম অনুযায়ী তারা একদিন আগে রোজা রাখেন এবং ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহাও একদিন আগে উদ্‌যাপন করেন।

উত্তর বসন্তবাগ মুন্সি বাড়ি জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. বদরুজ্জামান বলেন, চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করেই রোজা ও ঈদ উদ্‌যাপন করা হয়। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে চাঁদ দেখা যাওয়ার ভিত্তিতে তারা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ পালন করছেন। দীর্ঘ শত বছর ধরে তারা এ নিয়ম অনুসরণ করে আসছেন। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর দেশের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদ্‌যাপন করতে পেরে তারা আনন্দিত।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত