সংবাদ

কোরবানির মাংস নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৩০


প্রতিনিধি, ফরিদপুর
প্রতিনিধি, ফরিদপুর
প্রকাশ: ২৮ মে ২০২৬, ০৫:২৯ পিএম

কোরবানির মাংস নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৩০
ভাঙ্গা থানা, ফরিদপুর। ছবিঃ সংবাদ

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় পবিত্র ঈদুল আজহার দিন কোরবানির মাংস মসজিদে রাখা হবে নাকি বাড়িতে নেওয়া হবে, তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী-পুরুষসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার আলগী ইউনিয়নের পূর্ব আড়ুয়াকান্দী গ্রামে এই সংঘর্ষ ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঈদের জামাত শেষে কোরবানির মাংস সংরক্ষণ ও বণ্টন নিয়ে গ্রামের দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপক্ষের নেতৃত্ব দেন আবু বকর মুন্সী এবং অপর পক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন কামরুজ্জামান সম্রাট।

কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে উভয় পক্ষের নারী ও পুরুষসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন। স্থানীয় লোকজন ও স্বজনেরা আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ফরিদপুরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করেন। কয়েকজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। নতুন করে সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে পুরো গ্রামে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, কোরবানির মাংস রাখা ও বণ্টনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে অনাকাঙ্ক্ষিত এই সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। বিষয়টি মীমাংসার জন্য দুই পক্ষকে থানায় ডাকা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬


কোরবানির মাংস নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৩০

প্রকাশের তারিখ : ২৮ মে ২০২৬

featured Image

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় পবিত্র ঈদুল আজহার দিন কোরবানির মাংস মসজিদে রাখা হবে নাকি বাড়িতে নেওয়া হবে, তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী-পুরুষসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার আলগী ইউনিয়নের পূর্ব আড়ুয়াকান্দী গ্রামে এই সংঘর্ষ ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঈদের জামাত শেষে কোরবানির মাংস সংরক্ষণ ও বণ্টন নিয়ে গ্রামের দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপক্ষের নেতৃত্ব দেন আবু বকর মুন্সী এবং অপর পক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন কামরুজ্জামান সম্রাট।

কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে উভয় পক্ষের নারী ও পুরুষসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন। স্থানীয় লোকজন ও স্বজনেরা আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ফরিদপুরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করেন। কয়েকজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। নতুন করে সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে পুরো গ্রামে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, কোরবানির মাংস রাখা ও বণ্টনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে অনাকাঙ্ক্ষিত এই সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। বিষয়টি মীমাংসার জন্য দুই পক্ষকে থানায় ডাকা হয়েছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত