রংপুর নগরের মডার্ন মোড় এলাকায় বাসের চাপায় এক মসজিদের ইমাম নিহত হয়েছেন। রোববার (১২ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে তুলা গবেষণা কেন্দ্রের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ জনতা ঘাতক বাসটিতে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং লাশ নিয়ে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করে। এতে রংপুর-ঢাকা মহাসড়কে প্রায় এক ঘণ্টা যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে।
নিহত ব্যক্তির নাম আবুল কাশেম। তিনি মডার্ন মোড় সংলগ্ন মিলনপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম ছিলেন।
পুলিশ ও প্রত্যাক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, সকালে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ‘আরএম স্পেশাল’ পরিবহনের একটি নৈশ কোচ রংপুরে প্রবেশের সময় রাস্তা পারাপাররত আবুল কাশেমকে চাপা দেয়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত এলাকাবাসী জড়ো হয়ে বাসটি ভাঙচুর করে এবং আগুন ধরিয়ে দেয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
বিক্ষোভ চলাকালে উত্তেজিত জনতা বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি দোতলা বাসও আটক করার চেষ্টা চালায়। এ সময় সংবাদ সংগ্রহের সময় দৈনিক আমাদের প্রতিদিনের স্টাফ রিপোর্টার শরিফুল ইসলামের মুঠোফোন কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের তাজহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘাতক বাসটি আটক করা হয়েছে এবং একজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। আটক ব্যক্তি চালক নাকি সহকারী, তা জিজ্ঞাসাবাদ করে নিশ্চিত হওয়া যাবে। বর্তমানে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
\

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
রংপুর নগরের মডার্ন মোড় এলাকায় বাসের চাপায় এক মসজিদের ইমাম নিহত হয়েছেন। রোববার (১২ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে তুলা গবেষণা কেন্দ্রের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ জনতা ঘাতক বাসটিতে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং লাশ নিয়ে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করে। এতে রংপুর-ঢাকা মহাসড়কে প্রায় এক ঘণ্টা যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে।
নিহত ব্যক্তির নাম আবুল কাশেম। তিনি মডার্ন মোড় সংলগ্ন মিলনপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম ছিলেন।
পুলিশ ও প্রত্যাক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, সকালে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ‘আরএম স্পেশাল’ পরিবহনের একটি নৈশ কোচ রংপুরে প্রবেশের সময় রাস্তা পারাপাররত আবুল কাশেমকে চাপা দেয়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত এলাকাবাসী জড়ো হয়ে বাসটি ভাঙচুর করে এবং আগুন ধরিয়ে দেয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
বিক্ষোভ চলাকালে উত্তেজিত জনতা বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি দোতলা বাসও আটক করার চেষ্টা চালায়। এ সময় সংবাদ সংগ্রহের সময় দৈনিক আমাদের প্রতিদিনের স্টাফ রিপোর্টার শরিফুল ইসলামের মুঠোফোন কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের তাজহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘাতক বাসটি আটক করা হয়েছে এবং একজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। আটক ব্যক্তি চালক নাকি সহকারী, তা জিজ্ঞাসাবাদ করে নিশ্চিত হওয়া যাবে। বর্তমানে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
\

আপনার মতামত লিখুন