বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নিজ এলাকায় পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। ঈদের নামাজ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি আদ-দ্বীন হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর ঘটনা এবং দেশের হাম পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা তুলে ধরেন।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল আটটায় নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার প্রধান ঈদগাহ ‘মনোহরদী সরকারি মডেল পাইলট উচ্চবিদ্যালয়’ মাঠে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। মুফতি ওমর ফারুকের ইমামতিতে অনুষ্ঠিত এই জামাতে নামাজ আদায় শেষে উপস্থিত সবার সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন মন্ত্রী।
ঈদের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি গতকাল আদ-দ্বীন হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত শিশু মৃত্যুর ঘটনায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আজকের এই খুশির দিনে একটি বেদনার খবর হলো গতকালের আদ-দ্বীন হাসপাতালের ঘটনা। যত দূর জানা গেছে, একজন মায়ের অনুরোধে শিশু ওয়ার্ডটির এসি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে সম্ভবত গ্যাস লিকেজের কারণে এই মর্মান্তিক ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটে, যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।’
মন্ত্রী জানান, অন্য একটি হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় তিনি এই খবরটি পান এবং তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে সব ধরনের কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
পাশাপাশি, ঈদের এই ছুটির দিনেও রোগীদের স্বার্থে দেশের হাসপাতালগুলোতে সব ধরনের প্রয়োজনীয় জরুরি সেবা সচল রাখা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন মন্ত্রী।
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব ও শিশু মৃত্যুর বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, সরকারের কার্যকর পদক্ষেপের কারণে ইতিমধ্যে হামের প্রাদুর্ভাব ও মৃত্যুর সংখ্যা অনেকটা কমে এসেছে। তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমরা যদি সময়মতো হাম মোকাবিলা করতে না পারতাম, তবে হাজারো শিশু মারা যেতে পারত। বর্তমানে আমাদের হাতে পর্যাপ্ত টিকা রয়েছে এবং প্রতিটি শিশুকে টিকার আওতায় নিয়ে আসা হবে।’
ঈদের পরে আক্রান্তের সংখ্যা যেন সম্পূর্ণ শূন্যে নেমে আসে, সেই লক্ষ্যে আক্রান্ত রোগীদের সংস্পর্শ থেকে সুস্থ বাচ্চাদের দূরে রাখার জন্য তিনি অভিভাবকদের বিশেষভাবে পরামর্শ দেন।
ঈদের এই জামাতে মন্ত্রীর পাশাপাশি মনোহরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এম. এ মুহাইমিন আল জিহান, মনোহরদী উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আমিনুর রহমান সরকার দোলন, মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা, মনোহরদী পৌর বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আবদুল হান্নান, উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব মাসুদুর রহমান সোহাগসহ স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা অংশ নেন।

বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মে ২০২৬
বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নিজ এলাকায় পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। ঈদের নামাজ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি আদ-দ্বীন হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর ঘটনা এবং দেশের হাম পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা তুলে ধরেন।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল আটটায় নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার প্রধান ঈদগাহ ‘মনোহরদী সরকারি মডেল পাইলট উচ্চবিদ্যালয়’ মাঠে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। মুফতি ওমর ফারুকের ইমামতিতে অনুষ্ঠিত এই জামাতে নামাজ আদায় শেষে উপস্থিত সবার সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন মন্ত্রী।
ঈদের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি গতকাল আদ-দ্বীন হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত শিশু মৃত্যুর ঘটনায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আজকের এই খুশির দিনে একটি বেদনার খবর হলো গতকালের আদ-দ্বীন হাসপাতালের ঘটনা। যত দূর জানা গেছে, একজন মায়ের অনুরোধে শিশু ওয়ার্ডটির এসি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে সম্ভবত গ্যাস লিকেজের কারণে এই মর্মান্তিক ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটে, যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।’
মন্ত্রী জানান, অন্য একটি হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় তিনি এই খবরটি পান এবং তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে সব ধরনের কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
পাশাপাশি, ঈদের এই ছুটির দিনেও রোগীদের স্বার্থে দেশের হাসপাতালগুলোতে সব ধরনের প্রয়োজনীয় জরুরি সেবা সচল রাখা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন মন্ত্রী।
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব ও শিশু মৃত্যুর বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, সরকারের কার্যকর পদক্ষেপের কারণে ইতিমধ্যে হামের প্রাদুর্ভাব ও মৃত্যুর সংখ্যা অনেকটা কমে এসেছে। তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমরা যদি সময়মতো হাম মোকাবিলা করতে না পারতাম, তবে হাজারো শিশু মারা যেতে পারত। বর্তমানে আমাদের হাতে পর্যাপ্ত টিকা রয়েছে এবং প্রতিটি শিশুকে টিকার আওতায় নিয়ে আসা হবে।’
ঈদের পরে আক্রান্তের সংখ্যা যেন সম্পূর্ণ শূন্যে নেমে আসে, সেই লক্ষ্যে আক্রান্ত রোগীদের সংস্পর্শ থেকে সুস্থ বাচ্চাদের দূরে রাখার জন্য তিনি অভিভাবকদের বিশেষভাবে পরামর্শ দেন।
ঈদের এই জামাতে মন্ত্রীর পাশাপাশি মনোহরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এম. এ মুহাইমিন আল জিহান, মনোহরদী উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আমিনুর রহমান সরকার দোলন, মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা, মনোহরদী পৌর বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আবদুল হান্নান, উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব মাসুদুর রহমান সোহাগসহ স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা অংশ নেন।

আপনার মতামত লিখুন