সংবাদ

ক্ষমতা বদলের মাসেই তপ্ত রাজনীতি, সোনারপুরে অভিষেককে ঘিরে তুলকালাম


দীপক মুখার্জী, কলকাতা
দীপক মুখার্জী, কলকাতা
প্রকাশ: ৩০ মে ২০২৬, ০৮:১৫ পিএম

ক্ষমতা বদলের মাসেই তপ্ত রাজনীতি, সোনারপুরে অভিষেককে ঘিরে তুলকালাম

পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতা পরিবর্তনের এক মাস পার হতে না হতেই নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গন। সোনারপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে বিক্ষোভ, কালো পতাকা প্রদর্শন এবং ডিম-জুতো নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। ভোট-পরবর্তী সহিংসতায় নিহত তৃণমূল কর্মী সঞ্জু কর্মকারের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথে এই ঘটনা ঘটে।

বিক্ষোভ ও ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে সোনারপুর এলাকা কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। বিরোধীদের একাংশের অভিযোগ, ক্ষমতায় আসার পর বিজেপির কিছু কর্মী-সমর্থক প্রতিশোধমূলক রাজনীতির পথ বেছে নিয়েছেন, যার কারণে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় এই অশান্ত পরিবেশ তৈরি হচ্ছে।

​অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর শারীরিকভাবে হেনস্তার অভিযোগও উঠেছে এই ঘটনায়। পরিস্থিতি এতটাই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় যে, নিজের সুরক্ষার জন্য তাকে মাথায় হেলমেট পরতে হয়। এমনকি সেখানে উপস্থিত জমায়েতের সঙ্গে ধস্তাধস্তির জেরে তার গায়ের জামাও ছিঁড়ে যায়। এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির পরও তিনি নিহত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাদের সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। পরে এই হামলার ঘটনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, "আমাকে পরিকল্পিতভাবে আক্রমণের চেষ্টা করা হয়েছে।" একই সঙ্গে এই ঘটনার প্রতিকার চেয়ে তিনি খুব শীঘ্রই আদালতের দ্বারস্থ হবেন বলে জানান।

​রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের এই অল্প সময়ের মধ্যে বিরোধী দলের একজন শীর্ষ নেতার ওপর এমন শারীরিক আক্রমণ এবং প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে এখন নানা মহলে প্রশ্ন উঠছে। সুস্থ গণতান্ত্রিক পরিবেশে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকাটা স্বাভাবিক, কিন্তু ভয় দেখানো বা হিংসার সংস্কৃতি কোনোভাবেই কাম্য নয়। সোনারপুরের এই সংঘাতের ঘটনাটি ক্ষমতা বদলের পর রাজনৈতিক সহাবস্থানের প্রতিশ্রুতির বিপরীতে গিয়ে নতুন এক বিতর্কের জন্ম দিল।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬


ক্ষমতা বদলের মাসেই তপ্ত রাজনীতি, সোনারপুরে অভিষেককে ঘিরে তুলকালাম

প্রকাশের তারিখ : ৩০ মে ২০২৬

featured Image

পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতা পরিবর্তনের এক মাস পার হতে না হতেই নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গন। সোনারপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে বিক্ষোভ, কালো পতাকা প্রদর্শন এবং ডিম-জুতো নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। ভোট-পরবর্তী সহিংসতায় নিহত তৃণমূল কর্মী সঞ্জু কর্মকারের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথে এই ঘটনা ঘটে।

বিক্ষোভ ও ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে সোনারপুর এলাকা কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। বিরোধীদের একাংশের অভিযোগ, ক্ষমতায় আসার পর বিজেপির কিছু কর্মী-সমর্থক প্রতিশোধমূলক রাজনীতির পথ বেছে নিয়েছেন, যার কারণে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় এই অশান্ত পরিবেশ তৈরি হচ্ছে।

​অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর শারীরিকভাবে হেনস্তার অভিযোগও উঠেছে এই ঘটনায়। পরিস্থিতি এতটাই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় যে, নিজের সুরক্ষার জন্য তাকে মাথায় হেলমেট পরতে হয়। এমনকি সেখানে উপস্থিত জমায়েতের সঙ্গে ধস্তাধস্তির জেরে তার গায়ের জামাও ছিঁড়ে যায়। এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির পরও তিনি নিহত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাদের সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। পরে এই হামলার ঘটনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, "আমাকে পরিকল্পিতভাবে আক্রমণের চেষ্টা করা হয়েছে।" একই সঙ্গে এই ঘটনার প্রতিকার চেয়ে তিনি খুব শীঘ্রই আদালতের দ্বারস্থ হবেন বলে জানান।

​রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের এই অল্প সময়ের মধ্যে বিরোধী দলের একজন শীর্ষ নেতার ওপর এমন শারীরিক আক্রমণ এবং প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে এখন নানা মহলে প্রশ্ন উঠছে। সুস্থ গণতান্ত্রিক পরিবেশে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকাটা স্বাভাবিক, কিন্তু ভয় দেখানো বা হিংসার সংস্কৃতি কোনোভাবেই কাম্য নয়। সোনারপুরের এই সংঘাতের ঘটনাটি ক্ষমতা বদলের পর রাজনৈতিক সহাবস্থানের প্রতিশ্রুতির বিপরীতে গিয়ে নতুন এক বিতর্কের জন্ম দিল।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত