সূত্রের দাবি, বিভিন্ন রাজ্যে নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা ‘এসআইআর’ (SIR) নিয়ে এই বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। দেশবাসীকে নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেন, "পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে বিজেপি ভোট চুরি করেছে।" তার এই বক্তব্যের পর থেকেই মূলত বিরোধী দলগুলোর এই বৈঠক ডাকার বিষয়ে বিশেষ উদ্যোগী হন তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জী। বিধানসভা ভোটে হারের ধাক্কা সামলে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে লড়াইয়ের বার্তা দিয়েছেন তিনি এবং ‘ইন্ডিয়া’ জোটের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেছেন, যদিও অতীতে একাধিক ইস্যুতে তৃণমূল কংগ্রেসকে সম্পূর্ণ স্বাধীন অবস্থান নিতে দেখা গেছে।
অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও সম্প্রতি জোটের সব দলকে একসঙ্গে চলার বার্তা দিয়েছেন। মতপার্থক্য ভুলে গণতন্ত্র রক্ষার স্বার্থে বিরোধী দলগুলোর একসঙ্গে কাজ করা প্রয়োজন উল্লেখ করে রাহুল গান্ধী বলেন, "আমাদের নিজেদের ভেতরের সব মতপার্থক্য ভুলে গণতন্ত্র রক্ষার স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।" তবে আসন্ন এই বৈঠকে ডিএমকে (DMK) বা দ্রাবিড় মুন্নেত্র কাঝাগামের ভূমিকা কেমন হয়, তা বিশেষভাবে নজরে থাকবে সবার। জোটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হলেও তামিলনাড়ুর সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সমীকরণে কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে নতুন কিছু প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, আগামী ৬ জুনের এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে উপস্থিত থাকতে পারেন এবং সম্প্রতি এই বিষয়ে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে তার বেশ দীর্ঘ সময় ফোনালাপ হয়েছে বলেও খবর পাওয়া গেছে।

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মে ২০২৬
সূত্রের দাবি, বিভিন্ন রাজ্যে নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা ‘এসআইআর’ (SIR) নিয়ে এই বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। দেশবাসীকে নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেন, "পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে বিজেপি ভোট চুরি করেছে।" তার এই বক্তব্যের পর থেকেই মূলত বিরোধী দলগুলোর এই বৈঠক ডাকার বিষয়ে বিশেষ উদ্যোগী হন তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জী। বিধানসভা ভোটে হারের ধাক্কা সামলে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে লড়াইয়ের বার্তা দিয়েছেন তিনি এবং ‘ইন্ডিয়া’ জোটের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেছেন, যদিও অতীতে একাধিক ইস্যুতে তৃণমূল কংগ্রেসকে সম্পূর্ণ স্বাধীন অবস্থান নিতে দেখা গেছে।
অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও সম্প্রতি জোটের সব দলকে একসঙ্গে চলার বার্তা দিয়েছেন। মতপার্থক্য ভুলে গণতন্ত্র রক্ষার স্বার্থে বিরোধী দলগুলোর একসঙ্গে কাজ করা প্রয়োজন উল্লেখ করে রাহুল গান্ধী বলেন, "আমাদের নিজেদের ভেতরের সব মতপার্থক্য ভুলে গণতন্ত্র রক্ষার স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।" তবে আসন্ন এই বৈঠকে ডিএমকে (DMK) বা দ্রাবিড় মুন্নেত্র কাঝাগামের ভূমিকা কেমন হয়, তা বিশেষভাবে নজরে থাকবে সবার। জোটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হলেও তামিলনাড়ুর সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সমীকরণে কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে নতুন কিছু প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, আগামী ৬ জুনের এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে উপস্থিত থাকতে পারেন এবং সম্প্রতি এই বিষয়ে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে তার বেশ দীর্ঘ সময় ফোনালাপ হয়েছে বলেও খবর পাওয়া গেছে।

আপনার মতামত লিখুন