জনগণের প্রত্যাশা পূরণে দায়িত্বশীলতা, সততা, নিষ্ঠা ও সমন্বিতভাবে কাজ করার কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ। তিনি বলেন, সরকার ও প্রশাসনের প্রতিটি পর্যায়ে দায়িত্বশীলদের আন্তরিকতা, জবাবদিহিতা এবং সুশাসনের চর্চার মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।
সোমবার (১ জুন) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে কর্মকর্তাদের সঙ্গে ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়কালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। মতবিনিময় ও শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে কৃষিমন্ত্রী বলেন, প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দীর্ঘ সময় রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে নিয়োজিত থাকেন। জাতীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন, নীতিনির্ধারণ এবং জনসেবার মান উন্নয়নে তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যক্তি নিজে সৎ ও দায়িত্বশীল হলে তার ইতিবাচক প্রভাব কর্মপরিবেশ ও সমাজেও প্রতিফলিত হয়।
সরকারপ্রধান দেশের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে অবগত আছেন উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব পালনে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই। প্রশাসনিক কার্যক্রমে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় হ্রাস, পরিকল্পনা বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ এবং কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণে সরকার এখন বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। সম্প্রতি বিভিন্ন প্রকল্প পর্যালোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনহীন ব্যয় কমানোর যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়টিও বক্তব্যে তুলে ধরেন তিনি।
অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, কর্মকর্তাদের যার যার অবস্থান থেকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। এখানে কোনো ধরনের গাফিলতির সুযোগ নেই। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সততা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। রাষ্ট্রের ক্ষতি হতে পারে এমন কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে কর্মকর্তারা যেন কোনোভাবেই সম্পৃক্ত না হন, সে বিষয়ে তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনা কিংবা বিদেশি সহায়তা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অবহেলার সুযোগ নেই। শতভাগ স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দৃঢ়তার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য তিনি কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।

সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬
জনগণের প্রত্যাশা পূরণে দায়িত্বশীলতা, সততা, নিষ্ঠা ও সমন্বিতভাবে কাজ করার কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ। তিনি বলেন, সরকার ও প্রশাসনের প্রতিটি পর্যায়ে দায়িত্বশীলদের আন্তরিকতা, জবাবদিহিতা এবং সুশাসনের চর্চার মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।
সোমবার (১ জুন) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে কর্মকর্তাদের সঙ্গে ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়কালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। মতবিনিময় ও শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে কৃষিমন্ত্রী বলেন, প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দীর্ঘ সময় রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে নিয়োজিত থাকেন। জাতীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন, নীতিনির্ধারণ এবং জনসেবার মান উন্নয়নে তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যক্তি নিজে সৎ ও দায়িত্বশীল হলে তার ইতিবাচক প্রভাব কর্মপরিবেশ ও সমাজেও প্রতিফলিত হয়।
সরকারপ্রধান দেশের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে অবগত আছেন উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব পালনে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই। প্রশাসনিক কার্যক্রমে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় হ্রাস, পরিকল্পনা বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ এবং কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণে সরকার এখন বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। সম্প্রতি বিভিন্ন প্রকল্প পর্যালোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনহীন ব্যয় কমানোর যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়টিও বক্তব্যে তুলে ধরেন তিনি।
অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, কর্মকর্তাদের যার যার অবস্থান থেকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। এখানে কোনো ধরনের গাফিলতির সুযোগ নেই। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সততা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। রাষ্ট্রের ক্ষতি হতে পারে এমন কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে কর্মকর্তারা যেন কোনোভাবেই সম্পৃক্ত না হন, সে বিষয়ে তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনা কিংবা বিদেশি সহায়তা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অবহেলার সুযোগ নেই। শতভাগ স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দৃঢ়তার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য তিনি কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন