সংবাদ

মহেশপুর সীমান্তে কঠোর নজরদারিতে বিজিবি


প্রতিনিধি, মহেশপুর (ঝিনাইদহ)
প্রতিনিধি, মহেশপুর (ঝিনাইদহ)
প্রকাশ: ৬ জুন ২০২৬, ০৫:১৯ পিএম

মহেশপুর সীমান্তে কঠোর নজরদারিতে বিজিবি
পাকরাইল সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে নজরদারি জোরদার। ছবি: প্রতিনিধি

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার পাকরাইল সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ (পুশ-ইন) ঠেকাতে সার্বক্ষণিক নজরদারি ও টহল জোরদার করেছে মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভারতের নদীয়া জেলার বনগাঁ থানার টিলা ও সিঙ্গামুড়া বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যারা রাতে বিভিন্ন যানবাহনে লোকজন এনে সীমান্তের কাঁটাতার সংলগ্ন এলাকায় জড়ো করছে। পরে তাদের বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে বিজিবির কঠোর অবস্থান ও নিয়মিত টহলের কারণে এসব প্রচেষ্টা বারবার ব্যর্থ হচ্ছে।

পাকরাইল গ্রামের ইউপি সদস্য মো. ইদ্রিস আলী বলেন, ‘সীমান্ত এলাকায় এর আগে কখনো এত বড় যানবাহনের উপস্থিতি দেখা যায়নি। প্রায় প্রতিদিন রাত ৭টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ৫ থেকে ৩০ জন লোককে সীমান্তে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে বিজিবির তৎপরতায় তারা সফল হতে পারছে না।’

সীমান্তের সামান্তা ক্যাম্পের তত্ত্বাবধানে হাবিলদার রেজাউলের নেতৃত্বে নয় সদস্যের একটি টহল দল স্থানীয় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দিন-রাত সীমান্ত এলাকায় দায়িত্ব পালন করছে।

সীমান্তে দায়িত্ব পালনকারী টহল কমান্ডার হাবিলদার রেজাউল বলেন, ‘বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় বিজিবি সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ, পুশ-ইন কিংবা সীমান্ত আইন লঙ্ঘনের চেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।’

এ বিষয়ে মহেশপুর ব্যাটালিয়নের (৫৮ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. রফিকুল আলম, পিবিজিএম, পিএসসি বলেন, ‘বাংলাদেশের সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষা বিজিবির সাংবিধানিক দায়িত্ব। সীমান্তে যেকোনো ধরনের পুশ-ইন বা অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টা আন্তর্জাতিক আইন ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পরিপন্থী।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিজিবি সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, ধৈর্য ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে। দেশের এক ইঞ্চি ভূখণ্ডের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের সদস্যরা দিন-রাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।’

সীমান্ত এলাকার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বিজিবি বদ্ধপরিকর বলে জানান এই কর্মকর্তা।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬


মহেশপুর সীমান্তে কঠোর নজরদারিতে বিজিবি

প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬

featured Image

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার পাকরাইল সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ (পুশ-ইন) ঠেকাতে সার্বক্ষণিক নজরদারি ও টহল জোরদার করেছে মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভারতের নদীয়া জেলার বনগাঁ থানার টিলা ও সিঙ্গামুড়া বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যারা রাতে বিভিন্ন যানবাহনে লোকজন এনে সীমান্তের কাঁটাতার সংলগ্ন এলাকায় জড়ো করছে। পরে তাদের বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে বিজিবির কঠোর অবস্থান ও নিয়মিত টহলের কারণে এসব প্রচেষ্টা বারবার ব্যর্থ হচ্ছে।

পাকরাইল গ্রামের ইউপি সদস্য মো. ইদ্রিস আলী বলেন, ‘সীমান্ত এলাকায় এর আগে কখনো এত বড় যানবাহনের উপস্থিতি দেখা যায়নি। প্রায় প্রতিদিন রাত ৭টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ৫ থেকে ৩০ জন লোককে সীমান্তে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে বিজিবির তৎপরতায় তারা সফল হতে পারছে না।’

সীমান্তের সামান্তা ক্যাম্পের তত্ত্বাবধানে হাবিলদার রেজাউলের নেতৃত্বে নয় সদস্যের একটি টহল দল স্থানীয় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দিন-রাত সীমান্ত এলাকায় দায়িত্ব পালন করছে।

সীমান্তে দায়িত্ব পালনকারী টহল কমান্ডার হাবিলদার রেজাউল বলেন, ‘বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় বিজিবি সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ, পুশ-ইন কিংবা সীমান্ত আইন লঙ্ঘনের চেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।’

এ বিষয়ে মহেশপুর ব্যাটালিয়নের (৫৮ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. রফিকুল আলম, পিবিজিএম, পিএসসি বলেন, ‘বাংলাদেশের সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষা বিজিবির সাংবিধানিক দায়িত্ব। সীমান্তে যেকোনো ধরনের পুশ-ইন বা অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টা আন্তর্জাতিক আইন ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পরিপন্থী।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিজিবি সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, ধৈর্য ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে। দেশের এক ইঞ্চি ভূখণ্ডের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের সদস্যরা দিন-রাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।’

সীমান্ত এলাকার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বিজিবি বদ্ধপরিকর বলে জানান এই কর্মকর্তা।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত