সংবাদ

ত্রিশালে দুই শতাব্দীর সাক্ষী বিশালাকার বটগাছ


প্রতিনিধি, ত্রিশাল (ময়মনসিংহ)
প্রতিনিধি, ত্রিশাল (ময়মনসিংহ)
প্রকাশ: ২৭ জুন ২০২৬, ০৫:২৩ পিএম

ত্রিশালে দুই শতাব্দীর সাক্ষী বিশালাকার বটগাছ

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার মোক্ষপুর ইউনিয়নের সাফখালী এলাকায় প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো একটি বটগাছ এখনো কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। বিশাল এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে থাকা এই প্রাচীন গাছটি দেখতে প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে বহু মানুষ ভিড় করেন।

স্থানীয় প্রবীণদের মতে, তাদের বাপ-দাদার আমল থেকেই তারা গাছটিকে এভাবেই দেখে আসছেন। স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম জানান, গাছটির বয়স কমপক্ষে দুই শতাব্দী হবে।

সরেজমিনে দেখা যায়, মূল বটগাছটি থেকে অসংখ্য ঝুরি বা শেকড় মাটিতে নেমে নতুন নতুন কান্ডের সৃষ্টি করেছে। এভাবে মূল গাছটি থেকে অন্তত ২০ থেকে ২৫টি নতুন বটগাছের সৃষ্টি হয়েছে, যা বর্তমানে একটি ছোটখাটো বনের রূপ নিয়েছে।

গাছটিকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে নানা লোককথা ও মিথ প্রচলিত আছে। অনেকে জানান, অতীতে এই গাছের পাতা ছিঁড়লে শরীরে জ্বর আসত বলে মানুষের বিশ্বাস ছিল। অলৌকিক অনেক ঘটনার কথা প্রচলিত থাকলেও মূলত এর বিশালতা ও প্রাচীন ঐতিহ্যের কারণেই এটি সবার নজর কাড়ে। গাছের পাশেই রয়েছে লালশাহ নামের একটি মাজার, যেখানে প্রতিবছর মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনেকে এখানে মানত নিয়েও আসেন।

শত বছরের বহু বড় বড় ঝড়-তুফান মোকাবিলা করেও অক্ষত রয়েছে এই বটগাছ। এলাকাবাসী এই প্রাচীন গাছটিকে তাদের ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে মনে করেন এবং এটি সংরক্ষণের দাবি জানিয়ে আসছেন।

ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরাফাত সিদ্দিকী বলেন, ‘বিস্ময়কর এই প্রাচীন গাছটির বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে এটি সংরক্ষণের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।’

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬


ত্রিশালে দুই শতাব্দীর সাক্ষী বিশালাকার বটগাছ

প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬

featured Image

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার মোক্ষপুর ইউনিয়নের সাফখালী এলাকায় প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো একটি বটগাছ এখনো কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। বিশাল এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে থাকা এই প্রাচীন গাছটি দেখতে প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে বহু মানুষ ভিড় করেন।

স্থানীয় প্রবীণদের মতে, তাদের বাপ-দাদার আমল থেকেই তারা গাছটিকে এভাবেই দেখে আসছেন। স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম জানান, গাছটির বয়স কমপক্ষে দুই শতাব্দী হবে।

সরেজমিনে দেখা যায়, মূল বটগাছটি থেকে অসংখ্য ঝুরি বা শেকড় মাটিতে নেমে নতুন নতুন কান্ডের সৃষ্টি করেছে। এভাবে মূল গাছটি থেকে অন্তত ২০ থেকে ২৫টি নতুন বটগাছের সৃষ্টি হয়েছে, যা বর্তমানে একটি ছোটখাটো বনের রূপ নিয়েছে।

গাছটিকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে নানা লোককথা ও মিথ প্রচলিত আছে। অনেকে জানান, অতীতে এই গাছের পাতা ছিঁড়লে শরীরে জ্বর আসত বলে মানুষের বিশ্বাস ছিল। অলৌকিক অনেক ঘটনার কথা প্রচলিত থাকলেও মূলত এর বিশালতা ও প্রাচীন ঐতিহ্যের কারণেই এটি সবার নজর কাড়ে। গাছের পাশেই রয়েছে লালশাহ নামের একটি মাজার, যেখানে প্রতিবছর মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনেকে এখানে মানত নিয়েও আসেন।

শত বছরের বহু বড় বড় ঝড়-তুফান মোকাবিলা করেও অক্ষত রয়েছে এই বটগাছ। এলাকাবাসী এই প্রাচীন গাছটিকে তাদের ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে মনে করেন এবং এটি সংরক্ষণের দাবি জানিয়ে আসছেন।

ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরাফাত সিদ্দিকী বলেন, ‘বিস্ময়কর এই প্রাচীন গাছটির বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে এটি সংরক্ষণের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।’


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত