সংবাদ

মেহেদীর রঙ মোছার আগেই নববধূর মৃত্যু, ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য


প্রতিনিধি, চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ)
প্রতিনিধি, চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ)
প্রকাশ: ২৭ জুন ২০২৬, ০৬:৪১ পিএম

মেহেদীর রঙ মোছার আগেই নববধূর মৃত্যু, ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য
ছবি : সংবাদ

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে অপি আক্তার (১৯) নামে এক নববধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বিয়ের মাত্র দেড় মাস পার হতেই তার এই রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে এলাকায় নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার পাইকপাড়া ইউনিয়নের আশ্রাফপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত অপি চুনারুঘাট উপজেলার খড়মপুর গ্রামের মেয়ে। দেড় মাস আগে একই উপজেলার আশ্রাফপুর গ্রামের ফজলু মিয়ার সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে ঘরের ভেতর অপিকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান বাড়ির লোকজন। পরে দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তবে অপির মৃত্যুর কারণ নিয়ে এলাকায় ধূম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অপির পূর্বের কোনো সম্পর্ক বা আগের বিয়ের তথ্য নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

নিহতের স্বামী ফজলু মিয়ার দাবি, বিয়ের পর থেকেই অপি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। সম্প্রতি বাবার বাড়ি থেকে ‘ফিরাযাত্রা’ শেষে তিনি স্বামীর বাড়িতে ফিরতে চাইছিলেন না। অনেক বুঝিয়ে তাকে ফিরিয়ে আনা হলেও তিনি হাসিখুশি ছিলেন না। এর জেরেই তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এটি হত্যা না আত্মহত্যা-তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে নিশ্চিত হওয়া যাবে। আপাতত একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে এবং মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে।’

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬


মেহেদীর রঙ মোছার আগেই নববধূর মৃত্যু, ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য

প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬

featured Image

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে অপি আক্তার (১৯) নামে এক নববধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বিয়ের মাত্র দেড় মাস পার হতেই তার এই রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে এলাকায় নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার পাইকপাড়া ইউনিয়নের আশ্রাফপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত অপি চুনারুঘাট উপজেলার খড়মপুর গ্রামের মেয়ে। দেড় মাস আগে একই উপজেলার আশ্রাফপুর গ্রামের ফজলু মিয়ার সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে ঘরের ভেতর অপিকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান বাড়ির লোকজন। পরে দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তবে অপির মৃত্যুর কারণ নিয়ে এলাকায় ধূম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অপির পূর্বের কোনো সম্পর্ক বা আগের বিয়ের তথ্য নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

নিহতের স্বামী ফজলু মিয়ার দাবি, বিয়ের পর থেকেই অপি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। সম্প্রতি বাবার বাড়ি থেকে ‘ফিরাযাত্রা’ শেষে তিনি স্বামীর বাড়িতে ফিরতে চাইছিলেন না। অনেক বুঝিয়ে তাকে ফিরিয়ে আনা হলেও তিনি হাসিখুশি ছিলেন না। এর জেরেই তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এটি হত্যা না আত্মহত্যা-তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে নিশ্চিত হওয়া যাবে। আপাতত একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে এবং মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে।’


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত