কক্সবাজারের রামু উপজেলায় মিনারেল ওয়াটারের বোতলে রাখা এসিড পান করে মো. ওসমান (৬০) নামের এক রাবার শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দিবাগত রাত পৌনে ২ টার দিকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
নিহত ওসমান উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের বড়বিল গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন। তার ৩ ছেলে ও ৩ মেয়ে রয়েছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার রাত ১০টার দিকে বাড়ির বারান্দায় ঘুমিয়ে ছিলেন ওসমান। এ সময় তৃষ্ণা পেলে পাশে থাকা একটি বোতল থেকে পানি মনে করে তিনি তরল পান করেন। কিছুক্ষণ পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পরিবারের সদস্যরা দেখেন, বোতলটিতে পানি নয়; বরং রাবার ঘন করার কাজে ব্যবহৃত সালফিউরিক এসিড রাখা ছিল।
আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাতে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।
গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) জুয়েল চৌধুরী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্ত সাপেক্ষে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
/

শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬
কক্সবাজারের রামু উপজেলায় মিনারেল ওয়াটারের বোতলে রাখা এসিড পান করে মো. ওসমান (৬০) নামের এক রাবার শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দিবাগত রাত পৌনে ২ টার দিকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
নিহত ওসমান উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের বড়বিল গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন। তার ৩ ছেলে ও ৩ মেয়ে রয়েছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার রাত ১০টার দিকে বাড়ির বারান্দায় ঘুমিয়ে ছিলেন ওসমান। এ সময় তৃষ্ণা পেলে পাশে থাকা একটি বোতল থেকে পানি মনে করে তিনি তরল পান করেন। কিছুক্ষণ পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পরিবারের সদস্যরা দেখেন, বোতলটিতে পানি নয়; বরং রাবার ঘন করার কাজে ব্যবহৃত সালফিউরিক এসিড রাখা ছিল।
আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাতে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।
গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) জুয়েল চৌধুরী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্ত সাপেক্ষে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
/

আপনার মতামত লিখুন