২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে জর্ডানকে ৩–১ গোলে হারিয়ে আর্জেন্টিনার দাপুটে জয় এবং অধিনায়ক লিওনেল মেসির রেকর্ডগড়া গোলে উৎসবে মেতেছেন চাঁদপুরের আর্জেন্টিনা সমর্থকেরা। রবিবার (২৮ জুন) সকালে চাঁদপুর শহরের হাসান আলী সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে বড় পর্দায় খেলাটি উপভোগ করেন হাজারো ফুটবলপ্রেমী।
মোশারফ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রীতি সম্মিলনীতে কয়েক হাজার সমর্থক আকাশি-সাদা জার্সি পরে এবং পতাকা হাতে সমবেত হন। খেলা শুরুর আগে থেকেই মাঠের পরিবেশ হয়ে ওঠে উৎসবমুখর। ম্যাচের প্রতিটি রোমাঞ্চকর আক্রমণ আর মেসির সেই ঐতিহাসিক গোলের মুহূর্তে পুরো মাঠ ‘মেসি মেসি’ স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে।
খেলা দেখতে আসা সমর্থক সবুজ গাজী বলেন, ‘বড় পর্দায় হাজারো মানুষের সঙ্গে প্রিয় দলের জয় দেখার অনুভূতিই আলাদা। মেসির গোল আমাদের আনন্দকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।’ নারীদের জন্য পৃথক ব্যবস্থার প্রশংসা করে সাদিয়া ইসলাম নামের এক সমর্থক বলেন, ‘খুবই সুন্দর পরিবেশে খেলা দেখার সুযোগ পেয়েছি। মেসির গোলের মুহূর্তটি আজীবন মনে থাকবে।’
আয়োজক সংস্থা মোশারফ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা মারজুক মুঈদ ঐশ্বর্য জানান, সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং তরুণদের মাদক থেকে দূরে রেখে সুস্থ বিনোদনের সুযোগ দিতেই এই আয়োজন। তিনি আরও জানান, খেলার মাঝপথে মাঠের পাশে একটি জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ায় সম্মান প্রদর্শনপূর্বক সম্প্রচার ও মাইক সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। তিনি নিজেও জানাজায় অংশ নেন।
শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে হাজারো মানুষের এই ফুটবল উৎসব চাঁদপুরের সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।
/

রোববার, ২৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে জর্ডানকে ৩–১ গোলে হারিয়ে আর্জেন্টিনার দাপুটে জয় এবং অধিনায়ক লিওনেল মেসির রেকর্ডগড়া গোলে উৎসবে মেতেছেন চাঁদপুরের আর্জেন্টিনা সমর্থকেরা। রবিবার (২৮ জুন) সকালে চাঁদপুর শহরের হাসান আলী সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে বড় পর্দায় খেলাটি উপভোগ করেন হাজারো ফুটবলপ্রেমী।
মোশারফ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রীতি সম্মিলনীতে কয়েক হাজার সমর্থক আকাশি-সাদা জার্সি পরে এবং পতাকা হাতে সমবেত হন। খেলা শুরুর আগে থেকেই মাঠের পরিবেশ হয়ে ওঠে উৎসবমুখর। ম্যাচের প্রতিটি রোমাঞ্চকর আক্রমণ আর মেসির সেই ঐতিহাসিক গোলের মুহূর্তে পুরো মাঠ ‘মেসি মেসি’ স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে।
খেলা দেখতে আসা সমর্থক সবুজ গাজী বলেন, ‘বড় পর্দায় হাজারো মানুষের সঙ্গে প্রিয় দলের জয় দেখার অনুভূতিই আলাদা। মেসির গোল আমাদের আনন্দকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।’ নারীদের জন্য পৃথক ব্যবস্থার প্রশংসা করে সাদিয়া ইসলাম নামের এক সমর্থক বলেন, ‘খুবই সুন্দর পরিবেশে খেলা দেখার সুযোগ পেয়েছি। মেসির গোলের মুহূর্তটি আজীবন মনে থাকবে।’
আয়োজক সংস্থা মোশারফ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা মারজুক মুঈদ ঐশ্বর্য জানান, সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং তরুণদের মাদক থেকে দূরে রেখে সুস্থ বিনোদনের সুযোগ দিতেই এই আয়োজন। তিনি আরও জানান, খেলার মাঝপথে মাঠের পাশে একটি জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ায় সম্মান প্রদর্শনপূর্বক সম্প্রচার ও মাইক সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। তিনি নিজেও জানাজায় অংশ নেন।
শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে হাজারো মানুষের এই ফুটবল উৎসব চাঁদপুরের সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।
/

আপনার মতামত লিখুন