রংপুরে এইচএসসি পরীক্ষার্থী নুজহাতকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার মামলায় গ্রেপ্তার রংপুর মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আহমেদ সাকিনের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২৮ জুন) দুপুরে রংপুরের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাশেদ হুসাইন শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সাকিনকে কড়া পুলিশ পাহারায় আদালতে আনা হয়। কাঠগড়ায় বসেই তাকে আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করতে দেখা যায়।
আদালতে শুনানির সময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম কল ডিটেইল রেকর্ড (সিডিআর) উপস্থাপন করেন। তিনি জানান, নগরীর অভিজাত হোটেল নর্থভিউয়ের ১০ তলার ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করার আগে নুজহাতের সঙ্গে সাকিনের চারবার কথা হয়েছে। ১৬ জুন ভোরে তাদের মধ্যে ৫০ মিনিট কথা হয়। এ ছাড়া গত তিন মাসে দুজনের মধ্যে ১১৮ বার কথা হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ ৩ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানায়।
আসামিপক্ষের প্রধান আইনজীবী আব্দুল কাইয়ুম দাবি করেন, নুজহাত সাকিনের কাছে প্রাইভেট পড়তেন। তাদের মধ্যে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর বাইরে কোনো প্রেমের সম্পর্ক ছিল না। ঘটনার দিন নুজহাত একাই হোটেলে গিয়েছিলেন, সেখানে সাকিন ছিলেন না। তবে বাদীপক্ষের আইনজীবী এএইচএম এ মুবিন দাবি করেন, দীর্ঘ সময় কথা বলা এবং নিয়মিত যোগাযোগের প্রমাণ তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্কের ইঙ্গিত দেয়। সাকিন তাকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করেছেন।
আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আসামির জামিন নামঞ্জুর করে এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। নুজহাতের বাবা ও মামলার বাদী নূরল ইসলাম বলেন, ‘আমি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে মেয়ের মৃত্যুর ন্যায়বিচার চাই।’
গত ২২ জুন বিকেলে রংপুর নগরীর সেন্ট্রাল রোড এলাকার হোটেল নর্থভিউয়ের ১০ তলার ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেন এইচএসসি পরীক্ষার্থী নুজহাত। ওই রাতেই সাকিনকে প্রধান আসামি করে মামলা করেন নুজহাতের বাবা। রাতেই পুলিশ সাকিনকে গ্রেপ্তার করে।
/

রোববার, ২৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬
রংপুরে এইচএসসি পরীক্ষার্থী নুজহাতকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার মামলায় গ্রেপ্তার রংপুর মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আহমেদ সাকিনের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২৮ জুন) দুপুরে রংপুরের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাশেদ হুসাইন শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সাকিনকে কড়া পুলিশ পাহারায় আদালতে আনা হয়। কাঠগড়ায় বসেই তাকে আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করতে দেখা যায়।
আদালতে শুনানির সময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম কল ডিটেইল রেকর্ড (সিডিআর) উপস্থাপন করেন। তিনি জানান, নগরীর অভিজাত হোটেল নর্থভিউয়ের ১০ তলার ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করার আগে নুজহাতের সঙ্গে সাকিনের চারবার কথা হয়েছে। ১৬ জুন ভোরে তাদের মধ্যে ৫০ মিনিট কথা হয়। এ ছাড়া গত তিন মাসে দুজনের মধ্যে ১১৮ বার কথা হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ ৩ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানায়।
আসামিপক্ষের প্রধান আইনজীবী আব্দুল কাইয়ুম দাবি করেন, নুজহাত সাকিনের কাছে প্রাইভেট পড়তেন। তাদের মধ্যে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর বাইরে কোনো প্রেমের সম্পর্ক ছিল না। ঘটনার দিন নুজহাত একাই হোটেলে গিয়েছিলেন, সেখানে সাকিন ছিলেন না। তবে বাদীপক্ষের আইনজীবী এএইচএম এ মুবিন দাবি করেন, দীর্ঘ সময় কথা বলা এবং নিয়মিত যোগাযোগের প্রমাণ তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্কের ইঙ্গিত দেয়। সাকিন তাকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করেছেন।
আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আসামির জামিন নামঞ্জুর করে এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। নুজহাতের বাবা ও মামলার বাদী নূরল ইসলাম বলেন, ‘আমি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে মেয়ের মৃত্যুর ন্যায়বিচার চাই।’
গত ২২ জুন বিকেলে রংপুর নগরীর সেন্ট্রাল রোড এলাকার হোটেল নর্থভিউয়ের ১০ তলার ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেন এইচএসসি পরীক্ষার্থী নুজহাত। ওই রাতেই সাকিনকে প্রধান আসামি করে মামলা করেন নুজহাতের বাবা। রাতেই পুলিশ সাকিনকে গ্রেপ্তার করে।
/

আপনার মতামত লিখুন