জাপানের বিপক্ষে নাটকীয় জয় তুলে নিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ব্রাজিল। তবে ম্যাচজুড়ে সমর্থকদের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল-বেঞ্চে বসে থাকা নেইমারকে কেন মাঠে নামানো হলো না? ম্যাচ শেষে সেই রহস্যের জবাব দিলেন ব্রাজিলের প্রধান কোচ কার্লো আনচেলত্তি।
আনচেলত্তি জানান, ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর সম্ভাবনা মাথায় রেখেই নেইমারকে নামানোর পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। কিন্তু যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লির জয়সূচক গোল সব হিসাব বদলে দেয়।
ম্যাচ শেষে আনচেলত্তি বলেন, “আমরা অতিরিক্ত সময়ের কথা ভেবেই নেইমারকে প্রস্তুত করছিলাম। তার সঙ্গে এ নিয়ে কথা হয়েছিল। পরিকল্পনা ছিল ৬০ কিংবা ৬৫ মিনিটের দিকে তাকে মাঠে নামানোর। কিন্তু আমরা সমতায় ফিরলাম, এরপর দলের ছন্দ ও ফরমেশন পরিবর্তন করতে চাইনি। তখন ম্যাচ পুরোপুরি আমাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল।”
দ্বিতীয়ার্ধে নেইমারকে ড্রেসিংরুমের পাশে ওয়ার্ম-আপ করতেও দেখা যায়। গ্যালারিতে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা তার নাম ধরে স্লোগান দিতে শুরু করলে মাঠে নামার জল্পনাও বাড়ে। তবে শেষ পর্যন্ত আনচেলত্তি সিদ্ধান্ত বদলান এবং নেইমারকে বেঞ্চেই রেখে দেন।
ম্যাচে প্রথমার্ধে কাইশু সানোর গোলে পিছিয়ে বিরতিতে যায় ব্রাজিল। দ্বিতীয়ার্ধে কাসেমিরো সমতা ফেরান। এরপর ম্যাচ যখন অতিরিক্ত সময়ের দিকেই এগোচ্ছিল, ঠিক তখনই যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লির দুর্দান্ত গোলে ২-১ ব্যবধানে রোমাঞ্চকর জয় নিশ্চিত করে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
এই জয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয়
জায়গা নিশ্চিত করেছে সেলেসাওরা। নকআউট পর্বে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ হবে নরওয়ে অথবা আইভরি
কোস্ট।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুন ২০২৬
জাপানের বিপক্ষে নাটকীয় জয় তুলে নিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ব্রাজিল। তবে ম্যাচজুড়ে সমর্থকদের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল-বেঞ্চে বসে থাকা নেইমারকে কেন মাঠে নামানো হলো না? ম্যাচ শেষে সেই রহস্যের জবাব দিলেন ব্রাজিলের প্রধান কোচ কার্লো আনচেলত্তি।
আনচেলত্তি জানান, ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর সম্ভাবনা মাথায় রেখেই নেইমারকে নামানোর পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। কিন্তু যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লির জয়সূচক গোল সব হিসাব বদলে দেয়।
ম্যাচ শেষে আনচেলত্তি বলেন, “আমরা অতিরিক্ত সময়ের কথা ভেবেই নেইমারকে প্রস্তুত করছিলাম। তার সঙ্গে এ নিয়ে কথা হয়েছিল। পরিকল্পনা ছিল ৬০ কিংবা ৬৫ মিনিটের দিকে তাকে মাঠে নামানোর। কিন্তু আমরা সমতায় ফিরলাম, এরপর দলের ছন্দ ও ফরমেশন পরিবর্তন করতে চাইনি। তখন ম্যাচ পুরোপুরি আমাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল।”
দ্বিতীয়ার্ধে নেইমারকে ড্রেসিংরুমের পাশে ওয়ার্ম-আপ করতেও দেখা যায়। গ্যালারিতে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা তার নাম ধরে স্লোগান দিতে শুরু করলে মাঠে নামার জল্পনাও বাড়ে। তবে শেষ পর্যন্ত আনচেলত্তি সিদ্ধান্ত বদলান এবং নেইমারকে বেঞ্চেই রেখে দেন।
ম্যাচে প্রথমার্ধে কাইশু সানোর গোলে পিছিয়ে বিরতিতে যায় ব্রাজিল। দ্বিতীয়ার্ধে কাসেমিরো সমতা ফেরান। এরপর ম্যাচ যখন অতিরিক্ত সময়ের দিকেই এগোচ্ছিল, ঠিক তখনই যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লির দুর্দান্ত গোলে ২-১ ব্যবধানে রোমাঞ্চকর জয় নিশ্চিত করে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
এই জয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয়
জায়গা নিশ্চিত করেছে সেলেসাওরা। নকআউট পর্বে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ হবে নরওয়ে অথবা আইভরি
কোস্ট।

আপনার মতামত লিখুন